কেউ গান গেয়েছেন, কেউ কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কেউ রংতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন নানা দৃশ্য, আবার কেউ অংশ নিয়েছেন অভিনয় ও শুদ্ধ বানান প্রতিযোগিতায়। মাসব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শিশু থেকে স্নাতক শ্রেণির প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। বিভিন্ন ধাপে বিজয়ী ৭৫ শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে পুরস্কার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ফ্লাওয়ার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আজ শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দি ব্লুমিং ফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেনের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম, প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আছরারুন নবী মোবারক। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রশিক্ষক নুসরাত জাহান বুশারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিশু থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা মানুষের মননশীলতা বিকশিত করে এবং আলোর পথে পরিচালিত করে। এ ধরনের আয়োজনের জন্য তিনি সাহিত্য একাডেমিকে ধন্যবাদ জানান।
আয়োজকেরা জানান, প্রায় এক মাস ধরে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কবিতা আবৃত্তি, শুদ্ধ বানান, সংগীত, চিত্রাঙ্কন ও অভিনয়—এই পাঁচটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অংশ নেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গভ. মডেল গার্লস হাইস্কুল, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়, বিয়াম ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেন, খ্রিষ্টিয়ান মিশন প্রাইমারি স্কুল, আসিফ টিউটোরিয়াল অ্যান্ড হাইস্কুল, পৌর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পৌর ডিগ্রি কলেজ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, আখাউড়া শহীদ স্মৃতি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সেন্ট্রাল কলেজের শিক্ষার্থীরাও প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
আয়োজকদের তথ্যমতে, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে বিভিন্ন বিভাগ ও ধাপে বিজয়ী ৭৫ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেউ গান গেয়েছেন, কেউ কবিতা আবৃত্তি করেছেন। কেউ রংতুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন নানা দৃশ্য, আবার কেউ অংশ নিয়েছেন অভিনয় ও শুদ্ধ বানান প্রতিযোগিতায়। মাসব্যাপী আয়োজিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শিশু থেকে স্নাতক শ্রেণির প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। বিভিন্ন ধাপে বিজয়ী ৭৫ শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে পুরস্কার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ফ্লাওয়ার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আজ শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দি ব্লুমিং ফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেনের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম, প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আছরারুন নবী মোবারক। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রশিক্ষক নুসরাত জাহান বুশারা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিশু থেকে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা মানুষের মননশীলতা বিকশিত করে এবং আলোর পথে পরিচালিত করে। এ ধরনের আয়োজনের জন্য তিনি সাহিত্য একাডেমিকে ধন্যবাদ জানান।
আয়োজকেরা জানান, প্রায় এক মাস ধরে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কবিতা আবৃত্তি, শুদ্ধ বানান, সংগীত, চিত্রাঙ্কন ও অভিনয়—এই পাঁচটি বিভাগে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অংশ নেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গভ. মডেল গার্লস হাইস্কুল, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়, বিয়াম ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেন, খ্রিষ্টিয়ান মিশন প্রাইমারি স্কুল, আসিফ টিউটোরিয়াল অ্যান্ড হাইস্কুল, পৌর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পৌর ডিগ্রি কলেজ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, আখাউড়া শহীদ স্মৃতি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সেন্ট্রাল কলেজের শিক্ষার্থীরাও প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
আয়োজকদের তথ্যমতে, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে বিভিন্ন বিভাগ ও ধাপে বিজয়ী ৭৫ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন