ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিনের কচুরিপানা সমস্যার সমাধানে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে ভাদুঘর বাজারে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে ভাদুঘরবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং নৌ-চলাচল সচল রাখতে কচুরিপানা অপসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।[TECHTARANGA-POST:2622]সভায় বক্তারা বলেন, এক সময়ের প্রমত্তা তিতাস নদী এখন কচুরিপানার ঘন স্তরে আচ্ছন্ন হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। এর ফলে নৌ-চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতে মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে নদীর পূর্বপাড়ের বিস্তীর্ণ বিল এলাকা থেকে ধান কেটে নদী পার হয়ে ঘরে তুলতে কৃষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া পচা কচুরিপানার দুর্গন্ধে নদীর তীরবর্তী পরিবেশও দূষিত হচ্ছে।বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। এজন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।সভায় এম.বি.এ মুছা আহমেদের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন ভাদুঘর বাজার কমিটির সভাপতি মো. অহিদ মিয়া। বক্তব্য দেন সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, ‘তরী বাংলাদেশ’-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, অ্যাডভোকেট ইসহাক মিয়া, অ্যাডভোকেট ইয়াছিন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ও কাউসার ভুইয়া প্রমুখ।সভায় তিতাস নদীকে কচুরিপানামুক্ত করতে কাউসার ভুইয়াকে আহ্বায়ক এবং মো. মুজিবুল হককে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।এই কমিটি আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানানো হয়।