চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে ফের ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ দৃশ্যমান না থাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বালু খেকোরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রাতের আঁধারে মেঘনা নদীতে নামানো হচ্ছে অবৈধ ড্রেজার। তোলা হচ্ছে বালু।
নিয়মিত এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেরিবাঁধসহ প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মতলব উত্তরের নাসিরাকান্দি, বোরোচর, চরওয়েস্টসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। সভায় অবৈধ বালু উত্তোলন দ্রুত বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
তবে সিদ্ধান্তের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বোরোচর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বলেন, রাতে ড্রেজার বসিয়ে সারারাত বালু তোলা হচ্ছে। মেঘনা নদীর বুকে সাতটি চর রয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে তাদের ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল আলম খোকন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রশাসনকে বারবার জানালেও কোনো ফল পাইনি। মনে হয় বালু সিন্ডিকেটের কাছে প্রশাসন জিম্মি।’
তিনি বলেন, ‘এভাবে বালু উত্তোলন করা হলে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেরিবাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।’
মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুমা মনি বলেন, ‘মতলব উত্তরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছি।’

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীতে ফের ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ দৃশ্যমান না থাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বালু খেকোরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রাতের আঁধারে মেঘনা নদীতে নামানো হচ্ছে অবৈধ ড্রেজার। তোলা হচ্ছে বালু।
নিয়মিত এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেরিবাঁধসহ প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় মতলব উত্তরের নাসিরাকান্দি, বোরোচর, চরওয়েস্টসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। সভায় অবৈধ বালু উত্তোলন দ্রুত বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
তবে সিদ্ধান্তের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বোরোচর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বলেন, রাতে ড্রেজার বসিয়ে সারারাত বালু তোলা হচ্ছে। মেঘনা নদীর বুকে সাতটি চর রয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে তাদের ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল আলম খোকন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রশাসনকে বারবার জানালেও কোনো ফল পাইনি। মনে হয় বালু সিন্ডিকেটের কাছে প্রশাসন জিম্মি।’
তিনি বলেন, ‘এভাবে বালু উত্তোলন করা হলে মেঘনা-ধনাগোদা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেরিবাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।’
মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুমা মনি বলেন, ‘মতলব উত্তরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছি।’

আপনার মতামত লিখুন