ডি এস কে টিভি চ্যানেল
যে শিশুকে কোলে নিয়েছিলেন মেসি, আজ তাকেই নিয়ে মাতোয়ারা ফুটবল বিশ্ব

ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রতীকে পরিণত হয়েছে। / যে শিশুকে কোলে নিয়েছিলেন মেসি, আজ তাকেই নিয়ে মাতোয়ারা ফুটবল বিশ্ব

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

জয়ের পর বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, তবু সালাহদের প্রশংসায় মিসরের প্রেসিডেন্ট

মায়ের মৃ'ত্যুর রহস্য ঘিরে নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ছেলে সিফাত

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিএনপির উদ্যােগে মা&039দ&039ক&039বিরোধী আলোচনা সভা।

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

১০

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

জনপ্রিয় সব খবর

যে শিশুকে কোলে নিয়েছিলেন মেসি, আজ তাকেই নিয়ে মাতোয়ারা ফুটবল বিশ্ব

ঢাকায় ছুরি'কা'ঘাতে রেল কর্মকর্তার মৃ'ত্যু, পরকী'য়ার জেরে ঘটনার অভিযোগ; আট'ক এক নারী

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

নোয়াখালী পৌরসভা একদিনেই উঠে গেলো নতুন সড়কের পিচ

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে ইরানের পাল্টা হাম'লা, বাজছে সাইরেন

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন রাজধানী, চরম ভোগা'ন্তিতে নগরবাসী

সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃ'ত্যুতে বর্তমান স্পিকারের গভীর শো'ক

জমির উদ্দিন আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন: জামায়াত আমির

আজান দিতে গিয়ে মসজিদেই মৃ'ত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ইমাম

১০

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পেস কনফারেন্স সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমানস্বাস্থ্যসেবাকে কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল আমারিতে আয়োজিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কর্মশালায় স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

‎নোয়াখালীতে হামের প্রকোপ ভয়া'বহ, ১৭ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ১১১ রোগী

‎নোয়াখালীতে হামের প্রকোপ ভয়া'বহ, ১৭ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ১১১ রোগী

‎নোয়াখালীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের প্রকোপ। জেলার একমাত্র বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ডে রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় শয্যা, জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।‎‎১৭ শয্যার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১১ জন রোগী। এতে ওয়ার্ডের ভেতরে-বাইরে, এমনকি মেঝে ও চলাচলের পথেও রোগী ও স্বজনদের অবস্থান করতে হচ্ছে। ‎‎সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিরিক্ত রোগীর চাপে ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই। বাথরুম সংকট, দুর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের সঙ্গে থাকা স্বজনদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ‎‎২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতলে অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের ওয়ার্ডে  জায়গা নেই। বাথরুম সংকট, দুর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের সঙ্গে থাকা স্বজনদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ‎‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৭ জন হামের রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট ১১১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭ জন। ‎‎চলমান প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে চারজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ‎‎হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের জনবল সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ৩০টি পদের মধ্যে ৮টি শূন্য রয়েছে। এছাড়া সিনিয়র কনসালটেন্টের ১০টি পদের মধ্যে ৬টি, সিনিয়র স্টাফ নার্সের ২১টি, স্টাফ নার্সের ৬টি এবং মিডওয়াইফ নার্সের ৩টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ‎‎রোগীদের স্বজনদের অভিযোগ, সীমিত জায়গায় রোগীদের পাশাপাশি কয়েক শতাধিক স্বজন অবস্থান করায় পরিবেশ আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। তারা দ্রুত শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। ‎‎সুবর্ণচর উপজেলার রোকেয়া বেগম বলেন, গত ২৪ জুন থেকে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আছি। শয্যা না পেয়ে স্বামীসহ মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।” ‎‎লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে আসা জাকির হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। প্রতিদিনই নতুন রোগী আসছে। সীমিত জনবল নিয়ে চিকিৎসক ও নার্সরা হিমশিম খাচ্ছেন। ‎‎কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের রোকসানা আক্তার জানান, তার চার বছরের মেয়ে চিকিৎসায় সুস্থতার পথে থাকলেও হাসপাতালের পরিবেশ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। ‎‎সচেতন মহলের মতে, হাসপাতালের নবনির্মিত সাততলা ভবনটি এখনো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় শয্যা সংকট আরও তীব্র হয়েছে। নতুন ভবন চালু হলে আবাসন সংকট কিছুটা কমবে, তবে জনবল সংকট দূর না হলে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে না। ‎‎নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজিব আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, ১৭টি বেডের বিপরীতে ১১১ জন রোগী ভর্তি থাকলে স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। গত আড়াই মাস ধরে দুজন চিকিৎসক ও দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি আরও দুজন নার্স যুক্ত করা হলেও বর্তমান রোগীর চাপ সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে জনবল বৃদ্ধি প্রয়োজন। ‎‎হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, নোয়াখালীর ৯টি উপজেলার পাশাপাশি লক্ষ্মীপুরের রামগতি, চন্দ্রগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে সবসময়ই রোগীর চাপ বেশি থাকে। সীমিত জনবল ও সম্পদ নিয়েই আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ‎‎উল্লেখ্য, গত ১৬ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। ‎‎পরিদর্শনে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে তিনি তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহার করেন এবং তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। ‎পরে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেনকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ‎

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেই সময় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, নোংরা পরিবেশ ও চিকিৎসকদের দেরিতে উপস্থিতির প্রমাণ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। ‎ ‎আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মোবাইল ফোনে তিনি তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের করার নির্দেশ দেন। ‎ ‎ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন জানান, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আজ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি হাসপাতালের পুরুষ, নারী, শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ড এবং জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। ‎ ‎তিনি আরও জানান, এ সময় হাসপাতালের ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নোংরা টয়লেট দেখে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ চিকিৎসককে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে হাসপাতালে আসতে দেখা যায়। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এই হাসপাতালের সার্বিক অব্যবস্থাপনা দূর করতে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেন। ‎‎স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। চিকিৎসকরা সময়মতো আসবেন না, হাসপাতাল নোংরা থাকবে এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তাদের পদে থাকার কোনো অধিকার নেই। ‎‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত না হলে এবং চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা না গেলে আরও বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক  মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার  এন এম নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান যোগদান দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রামের উন্নয়নের জন্য সরাসরি শিকার্থীদের পড়াশোনায় তদারকির ভুমিকার প্রসংশায় বাউবির ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর উপাচার্য হিসেবে ইতিমধ্যেই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছিলো। তিনি ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ পূর্বাহ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তখনকার বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাঁর নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।তিনি যোগদানের সময় বলেছিলেন “বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা একযোগে কাজ করব।” এ লক্ষ্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। যাঁর ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে বর্তমান উপাচার্য তাঁর যোগদানে সময় যে কথা দিয়েছিলেন এই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের সেশনজট যেন আর সৃষ্টি না হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছেন, বিভিন্ন প্রোগ্রামের পরীক্ষার কেন্দ্র সরাসরি পরিদর্শন করতেছেন এবং বিভিন্ন সময় ভিডিও বক্তব্যর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কে উৎসাহ দিয়ে সবাইকে পড়াশোনা করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন, এই বিষয় গুলো শিক্ষার্থীদের কে বাউবির পড়াশোনার প্রতি আরো আগ্রহ সৃষ্টি করছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গলাচিপা গ্রামে। তিনি মরহুম মো. আবদুল আজিজ খান ও বেগম হালিমা আজিজ দম্পতির পঞ্চম সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং উভয় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘নবাবী বাংলার রাজনীতি ও অভিজাত শ্রেণী’।তিনি ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বর্তমানে অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি কলা অনুষদের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এবং স্যার পি জে হারটগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ড. খানের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র আধুনিক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ক্রমবিকাশ। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিকাশধারা নিয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ রয়েছে। এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নালে তাঁর ৩৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৫টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৭২-২০১৪, নবাবী বাংলার অভিজাত শ্রেণী: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, উসমানী সালতানাত: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, মুঘল ভারতের ইতিহাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণায় শতবর্ষের অর্জন এবং আলোকচিত্রে শতবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।তিনি নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে সমকালীন বিষয়াবলি নিয়ে লেখালেখি করেন এবং বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সাধারণ সম্পাদক (২০১১–২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে ‘ইতিহাস’ গবেষণা জার্নালের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদ পত্রিকা ও The Arts Faculty Journal-এর সম্পাদক।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাপিডিয়ার ম্যানেজিং এডিটর হিসেবেও যুক্ত আছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্য, ইউনেস্কোর Memory of the World জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।অধ্যাপক খান স্পেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন।বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)আশা প্রকাশ করছেন যে, তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও দূরশিক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত, আধুনিক ও গতিশীল হবে।মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, (বউসা) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

বিশেষ প্রতিবেদন

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান।টাকা শেষ, শেষ হলো আপনজনও! ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছরের মজিবুর রহমানঅসুস্থতা শুধু শরীরই ভেঙে দেয়নি, কেড়ে নিয়েছে সংসার, সঞ্চয় আর আপনজনের সঙ্গও। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর তীরে একটি ছোট্ট ঘরে দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী মজিবুর রহমান।১৯৭৪ সালে এসএসসি পাস করা মজিবুর রহমান একসময় ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরি করতেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ছিল সুখের সংসার। কিন্তু চাকরিরত অবস্থায় হঠাৎ স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসায় জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে একপর্যায়ে গ্রামের জমিও বিক্রি করতে বাধ্য হন।মজিবুর রহমানের অভিযোগ, নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার পর স্ত্রী দুই মেয়েকে নিয়ে তাকে ছেড়ে চলে যান এবং পরে তালাক দেন। এরপর থেকে তিনি একাই জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক বছর আগে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা রয়েছে জানতে পেরে বড় মেয়ে তাকে নিজের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর অবশিষ্ট আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তাকে আবার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমানে দুই মেয়ের কেউই তার কোনো খোঁজ নেন না বলে জানান এই বৃদ্ধ।কান্নাজড়িত কণ্ঠে মজিবুর রহমান বলেন, "কষ্ট খুবই কষ্টের। মনে হয় আত্মাটাই যেন মরে যায়।"তবে রক্তের সম্পর্ক পাশে না থাকলেও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় এক নারী। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি প্রতিদিন তিন বেলা খাবার দিয়ে মজিবুর রহমানের পাশে রয়েছেন। এলাকাবাসীও তার চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।জীবনের শেষ সময়ে মজিবুর রহমানের একটাই প্রত্যাশা—সরকার যেন তাকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকার সুযোগ করে দেয়। তার ভাষায়, "বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে অন্তত শান্তিতে বাঁচতে পারতাম।"এদিকে, যে মানবিক নারী দীর্ঘদিন ধরে তাকে খাবার দিচ্ছেন, তিনিও সরকারের কাছে মজিবুর রহমানের চিকিৎসা, নিরাপদ বাসস্থান এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৫ ঘন্টা আগে

অপরাধ ও দুর্নীতি

ঢাকায় ছুরি'কা'ঘাতে রেল কর্মকর্তার মৃ'ত্যু, পরকী'য়ার জেরে ঘটনার অভিযোগ; আট'ক এক নারী

ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। / ঢাকায় ছুরি'কা'ঘাতে রেল কর্মকর্তার মৃ'ত্যু, পরকী'য়ার জেরে ঘটনার অভিযোগ; আট'ক এক নারী

ঢাকায় ছুরিকাঘাতে রেল কর্মকর্তার মৃত্যু, পরকীয়ার জেরে ঘটনার অভিযোগ; আটক এক নারীরাজধানীতে এক নারীকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বাংলাদেশ রেলওয়ের এক কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত মো. মামুন (নাম অনুযায়ী) সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়েতে সেকেন্ড ক্লাস কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে মামুন এক নারীকে নিয়ে ভাড়া বাসায় যান। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মামুন গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।ভাড়া বাসার মালিক মো. সুমনের ভাষ্য, আহতের চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পান। পরে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত নারী বিউটি আক্তারকে আটক করা হয়।প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে মামুনের বিয়ে হয়েছিল। তার স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা এবং গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। নিহতের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মালিয়াটি গ্রামে। তিনি বাবুল আহমেদের ছেলে। এছাড়া, চলতি মাসের ১ জুলাই তিনি বাংলাদেশ রেলওয়েতে সেকেন্ড ক্লাস কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছিলেন।

১৩ ঘন্টা আগে

শিল্প ও বানিজ্য

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

*ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হামলা: গুলিবিদ্ধ- ৫০, আহত- শতাধিক*ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে ব্যাংক লুটেরা এস আলমের লোকজনকে পূর্ণবাসন ও বোর্ড মিটিং ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে আওয়ামী দোশর খুরশিদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রতিবাদে আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে ব্যাংকটির হাজার-হাজার গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। গ্রাহকদের এই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশ অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে টিয়ারসেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং ব্যপক লাঠিচার্জ করে। এতে শতাধিক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার আহত হোন এবং প্রায় ৫০ জন গ্রাহক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।সরেজমিনে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১০ টায় ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, এপিসি কার সহ মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করে। সকাল ৯-৩০ মিনিটে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ করতে থাকে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। এসময় পুলিশের হামলায় ৫০ জন গুলিবিদ্ধ সহ শতাধিক গ্রাহক আহত হয়। পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে হাজার হাজার ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আবারও সংগঠিত হয়ে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান গ্রহণ করে। ফলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ ও সাধারণ গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে আছে। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক জানান, গত ২৪ মে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ঐদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। সাথে সাথে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আওয়ামী দোসর ব্যাংক লুটেরা এস আলমের তল্পিবাহক খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে স্ব পদে বহাল করার আহ্বান জানান। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের দাবি উপেক্ষা করে এস আলম গ্রুপের লোকজনকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের দিকে এগিয়ে যায়। এরই প্রতিবাদে আজ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করতে থাকে। এসময় তিনি আরও জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের একটি অংশ পতিত আওয়ামী দোসর এস আলম গ্রুপকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের চেষ্টা করে আসছে। এর প্রতিবাদে গত ২৪ মে সারাদেশে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শাখার সামনে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু সরকার ইসলামী ব্যাংকে নগ্ন হস্তক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে। ব্যাংকে কোনো টাকা নেই। গ্রাহকেরা চেক দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে পারছে না এমনকি এটিএম বুথেও টাকা পাওয়া যায় না। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের পক্ষে থেকে তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ও মালিকদের নিকট ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রদান করতে হবে।  বার্তা প্রেরক(মোতাছিম বিল্লাহ) সেক্রেটারি ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ।

ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়। / ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা। নতুন এই মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা আসে বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে, যেখানে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেল আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক দামের ওঠানামা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বাজারে তেলের সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজার তদারকি জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী, যাতে নির্ধারিত দামের বেশি দামে বিক্রির কোনো সুযোগ না থাকে।তবে নতুন এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে চাপে থাকা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য এই বৃদ্ধি আরও কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে রান্নার প্রধান উপকরণ হিসেবে সয়াবিন তেলের বিকল্প সীমিত হওয়ায় অনেক পরিবারকেই বাড়তি খরচ বহন করতে হবে।সরকারি পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম না কমা পর্যন্ত দেশে তেলের দামে স্থিতিশীলতা আসা কঠিন হতে পারে। ফলে আপাতত ভোক্তাদের এই বাড়তি দামের সঙ্গেই খাপ খাইয়ে নিতে হতে পারে।

জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। / রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিংএক দশকের দীর্ঘ প্রস্তুতি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জটিল প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পর অবশেষে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে আজ বিকালে শুরু হচ্ছে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং কার্যক্রম—যা দেশের জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।গত ১৬ এপ্রিল পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি প্রবেশ বা কমিশনিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পাওয়া যায়। এরপর থেকে সব ধরনের কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। অবশেষে আজ সেই প্রতীক্ষিত কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, যার মাধ্যমে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।এদিকে এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উপস্থিতিও থাকছে। কেন্দ্রটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোসাটম-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সকালে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, তিনি ঢাকায় এসে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।এরপর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হেলিকপ্টারে রূপপুর প্ল্যান্টে গিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বিকালেই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম লোডিং, যা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। / ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

দেশে কাঁচামরিচের দাম যখন ২৫০–৩০০ টাকায় পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় ভারত থেকে আমদানিকৃত মরিচের দাম কাগজে দেখানো হয়েছে মাত্র ২৮ টাকা কেজি—এমন তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে। একইভাবে আপেলের আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৩ টাকা কেজি, যা আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। এই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সন্দেহ করছে, এখানে “আন্ডার-ইনভয়েসিং” (কম দাম দেখিয়ে আমদানি) করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে বিদেশে অতিরিক্ত অর্থ পাচার হতে পারে। তদন্তে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে প্রায় ২৩১টি এলসি খুলে প্রায় ১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি দেখিয়েছে, যার মোট মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এসব পণ্য আমদানি দেখানো হয়েছে, তারা মূলত শাড়ি ও গহনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, কৃষিপণ্য নয়। এতে পুরো আমদানির সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর (স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়ার ও ইসলামী ব্যাংক) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেছেন, সব আমদানি বৈধভাবে করা হয়েছে এবং কম দামের কারণ হিসেবে তিনি নিম্নমানের পণ্য, পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার বিষয় উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, ঘটনাটি এখন একটি গুরুতর অর্থনৈতিক অনিয়ম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাজারদর, আমদানির ঘোষিত মূল্য এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। / ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ জোরদার করতে প্রায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’ বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার টনের বেশি জেট ফুয়েল রয়েছে, যা দেশের বিমান চলাচলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জাহাজটির গভীরতা বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে ছোট জাহাজের (লাইটার) মাধ্যমে ধাপে ধাপে তেল খালাস করা হচ্ছে। আংশিক খালাসের পর জাহাজটি জেটিতে আনা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পরিমাণ জেট ফুয়েল দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের মতো চাহিদা পূরণ সম্ভব। এদিকে একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাইওয়ান থেকে আরও কয়েকটি বড় জাহাজ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা মিলছে এবং আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে। সার্বিকভাবে, একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজের আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। / আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বারছেএর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশিএই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বাড়ে। এর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।দেখার বিষয়।

আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পেস কনফারেন্স  সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পেস কনফারেন্স সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হাসান মাহমুদ জয়  স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর অঙ্গসংগঠন ‘জেলা যুবশক্তি’র পূর্ণাঙ্গ নবাগত আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রামে এক বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে জেলা শহরের জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।শোভাযাত্রা শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক এম মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান তমাল। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সাগর, দপ্তর সম্পাদক তারেক খান মজলিস তারা, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। **এছাড়াও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।**সমাবেশে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক **এম মাসুদুর রহমান মাসুদ** বলেন, “আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো জনকল্যাণ। মাদক, চাঁদাবাজি এবং যে কোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুবশক্তি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের আমাদের সংগঠনে কোনো স্থান নেই।”সদস্য সচিব **তারিকুজ্জামান তমাল** নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “প্রতিটি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিকে সব সময় সজাগ থাকতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবামূলক কাজই হবে আমাদের মূল ব্রত। কোনো নেশাখোর বা অপরাধীর আমাদের যুবশক্তিতে কোনো স্থান হবে না।”নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কুড়িগ্রামের সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবিক কার্যক্রমকে বেগবান করাই এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য। শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রদর্শিত এই ঐক্য ও উচ্ছ্বাস আগামী দিনে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও সমাবেশের ফলে পুরো শহরজুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !