ডি এস কে টিভি চ্যানেল
যে তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড

হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার। / যে তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড

সারাদেশ

ভিডিও সব ভিডিও

কোন ভিডিও নেই !

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধনআজ (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বনানী এলাকার কে ব্লক, ২৪ নং রোডের ১৮ নম্বর ভবনে একটি ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করেছেন **বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (BAWA) প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান। ???? এই ক্লিনিকটি বিশেষভাবে প্রাণীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য খোলা হয়েছে। ???? বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাণী ও প্রকৃতির সুরক্ষা, আহত ও অসুস্থ প্রাণীর চিকিৎসা ও উদ্ধারকাজে কাজ করছে এবং ঢাকা শহরে প্রাণীর জন্য বিনামূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পরিচালনা করছে। ???? সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, এই ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাণীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং সাধারণ মানুষকে প্রাণী রক্ষায় আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার উদ্দেশ্য রয়েছে।???? উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মীরা বলেন, “দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারা প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করবে।এটি বনানীর প্রাণীপ্রেমীদের জন্য আনন্দের সংবাদ এবং আহত, অসুস্থ বা বনজ প্রাণীদের চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

প্রেস বিজ্ঞপ্তিবরাবর ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বার্তা সম্পাদক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সুদৃঢ় সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সুস্থ জনগোষ্ঠীই পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কিন্তু ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা ব্যয় আমাদের জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয় ব্যক্তির সারাজীবনের সঞ্চয় এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা খাতে খরচ করে অনেক পরিবারই নি:স্ব হয়ে যাচ্ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আমাদের জীবনাচার ও খাদ্যাভাসে পরিবর্র্তনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা জরুরি। এই বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টসহ ২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে“কনফারেন্স অন হেলথ প্রমোশন -২০২৬” শীর্ষক একটি অনলাইন কনফারেন্স আয়োজিত হতে যাচ্ছে। উক্ত কনফারেন্সের আলোচ্য বিষয়বস্তু এবং লক্ষ্য - উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ১১.০০ টায় ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর কৈবর্ত সভাকক্ষে একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান এর সঞ্চালনায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র বণিক। অনলাইনে আরো যুক্ত ছিলেন, খুলনার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি রয় এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী হেলাল আহমেদ।উল্লেখ্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এবং ১৪ টি সংগঠন ও ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে ভার্চুয়াল কনফারেন্সটি আয়োজন করা হবে।ধন্যবাদান্তেগাউস পিয়ারীপরিচালকওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট

গা

গা"জায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়া'বহ ভাই'রাস, নজি'রবিহীন স্বাস্থ্য বিপ'র্যয়

গাজায় ভাইরাস সংক্রমণ ও স্বাস্থ্য✔️ গাজায় দ্রুত ছড়াচ্ছে এমন এক ধরনের শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস সম্পর্কে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।✔️ এই ভাইরাসটি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ সৃষ্টি করছে এবং মৃত্যুও ঘটাচ্ছে।✔️ এটি কোভিড-১৯ বা সাধারণ মৌসুমী সর্দি/ফ্লু বিশেষভাবে শনাক্ত করা হয়নি — বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী এটি অপরিচিত বা ভিন্ন ধরনের ভাইরাস হতে পারে কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্ট এখনও নিশ্চিত করা যাইনি। লক্ষণসমুহ:উচ্চ জ্বরঅত্যধিক ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টকাশি ও ফুসফুস জ্বালাপেট ও ডায়রিয়াগুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া পর্যন্ত progression হচ্ছে।✔️ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রচলিত শ্বাসনালীর ঔষধ কার্যকর হচ্ছে না। ???? স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন:উচ্চ সংক্রমণ এবং রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, অপর্যাপ্ত টিকাদান, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও বেসামরিক স্বাস্থ্য পরিবেশ দুর্বল অবস্থায় থাকা। ???? গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন কী অবস্থায়?গাজার প্রধান হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ প্রচণ্ডভাবে বাড়ছে।অনেক ক্ষেত্রে মানুষ ICU বা পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছে।হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা-ডায়াগনস্টিক সুবিধা সীমিত আছে, ফলে ভাইরাসের প্রকৃত কারণ পরিচয় করা যাচ্ছে না.শ্বাসনালীসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের বড় ঘাটতি চলছে। ????‍????‍???? কে সবচেয়ে ঝুঁকিতে????? শিশুরা, বয়স্ক লোক এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন যারা – তাদের মধ্যে মৃত্যু ও গুরুতর জটিলতার হার সবচেয়ে বেশি.???? তেমনকি যারা ইতোমধ্যেই অপুষ্টিকর পরিবেশে বসবাস করছেন, তারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। ???? কারণ ও পটভূমিইসরায়েলি অবরোধ ও যুদ্ধ চালিয়ে আসায় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপকরণের প্রবেশ ধারণাতেই কঠিন পরিবেশে রয়েছে।শীতল আবহাওয়া, ভাড়া-শিবিরের ভিড়, খোলা-বর্জিত বাসস্থান এবং অপুষ্টি পরিস্থিতি ভাইরাসের বিস্তারকে আরও সহজ করছে। ???? কি এটা বিশেষভাবে নতুন ও প্রাণহানি বেশি করে এমন ভাইরাস?এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা বা বৈজ্ঞানিক সংস্থা নির্দিষ্টভাবে কোন নতুন ভাইরাসের নাম বা পরিচয় শনাক্ত করে আলোকপাত করেনি — অর্থাৎ “নতুন ভাইরাস” বলে দাবি করা হলেও এই ভাইরাসের *জেনেটিক বা বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।“Unidentified severe respiratory outbreaks” হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রকাশিত তথ্য। �

বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর আমাদের মাঝে নেই

বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর আমাদের মাঝে নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা মারা গেছেন। মঙ্গলবার মাথা ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর আজ বুধবার সকাল ৭টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার বয়স ৩৬ বছর।  তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তাঁর আসলে কী হয়েছিল তা এখনও জানতে পারিনি। তবে গতকাল তাঁর প্রচন্ড মাথা ব্যাথা উঠলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।’  ফেরদৌস আরা বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। সহকারী কমিশনার হিসেবে তাঁর প্রথম কর্মস্থল ছিল বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে যোগদান করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর। তবে তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। স্বামী পেশায় একজন শিক্ষক। ফেরদৌস আরার এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

যে তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড

যে তিন শ্রেণির নাগরিক আগে পাবেন ফ্যামিলি কার্ড

সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ বি এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকারের বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি একটি ইউনিভার্সাল সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে প্রথম ধাপে দেশের তিন শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন—হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকার ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, “এটি কোনো সীমিত প্রকল্প নয়। এটি একটি ইউনিভার্সাল কার্ড। ধাপে ধাপে দেশের সব নাগরিককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। তবে যাদের আর্থিক অবস্থা সবচেয়ে নাজুক, তাদের দিয়েই কার্যক্রম শুরু করা হবে।” তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ, রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রকৃত উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।অগ্রাধিকারভিত্তিক তিন শ্রেণিসরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে যে তিন শ্রেণির নাগরিক কার্ড পাবেন, তারা হলেন—হতদরিদ্র পরিবারদরিদ্র পরিবারনিম্নবিত্ত পরিবারসরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়-ব্যয়ের তথ্য ও সামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।উদ্বোধন ১০ মার্চমন্ত্রী জানান, আগামী ১০ মার্চ দেশের ১৪টি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।কী সুবিধা মিলবে?যদিও এখনো বিস্তারিত সুবিধা প্যাকেজ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে—ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যসামগ্রী, নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার সুবিধা দেওয়া হতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সহায়তা ও জরুরি দুর্যোগ সহায়তাও এই কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আশ্বাসসমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, উপকারভোগী নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ডাটাবেইস তৈরি করা হচ্ছে। যাতে একই ব্যক্তি একাধিক সুবিধা না পান এবং প্রকৃত দরিদ্ররা বঞ্চিত না হন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরকারের দাবি, ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে দেশের নিম্নআয়ের মানুষ একটি সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর আওতায় আসবেন। এতে দারিদ্র্য হ্রাস ও জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

৩ ঘন্টা আগে

অপরাধ ও দুর্নীতি

ফুফুর ম'রদেহ দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো শিশু

একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। / ফুফুর ম'রদেহ দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো শিশু

জামালপুরের মাদারগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা: ফুফুর মরদেহ দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো শিশুজামালপুরের মাদারগঞ্জে এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৮ বছরের এক শিশু। ফুফুর মরদেহ দেখতে যাওয়ার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাদারগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস মোড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।কীভাবে ঘটলো দুর্ঘটনাস্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদারগঞ্জ উপজেলার তেঘরিয়া এলাকার দুদু মিয়ার মেয়ে খুশো বেগম সোমবার নিজ বাড়িতে মারা যান। তার মরদেহ দেখতে জামালপুর শহর থেকে কয়েকজন স্বজন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তেঘরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।পথিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস মোড়ে একটি কাঁকড়া বহনকারী গাড়ির সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি ছিলো এতটাই তীব্র যে ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৮ বছর বয়সী জাহিদুল।নিহত ও আহতদের পরিচয়নিহত জাহিদুল জামালপুর শহরের মনিরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা মামুনের ছেলে। ফুফুর মরদেহ দেখতে যাওয়ার আগেই তার জীবনাবসান ঘটে।দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন—জাহিদুলের মা বিথীজুনাইল ফকির বাড়ির ওয়াজেদ আলী ফকিরের স্ত্রী সামিরামিজানের স্ত্রী সেলিনাআহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা চলছে।শোকের ছায়াএকদিনের ব্যবধানে একই পরিবারের ওপর নেমে এলো দ্বিগুণ শোক। ফুফুর মৃত্যুর শোক সইতে না সইতেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ভাতিজার। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

১০ ঘন্টা আগে

শিল্প ও বানিজ্য

ঢাকা-৬ এ গ্যাস সংকট নিরসনে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইশরাক হোসেনের বৈঠক

কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক করেন। / ঢাকা-৬ এ গ্যাস সংকট নিরসনে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইশরাক হোসেনের বৈঠক

ঢাকা-৬ আসনের বাসাবাড়িতে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে বৈঠক করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে তিনি তিতাস গ্যাস এর আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক করেন।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৬ এর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন। রান্না ও দৈনন্দিন কাজের জন্য এ সমস্যা তাদের জন্য বিরাট ভোগান্তি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রী গ্যাস সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন।এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বাসাবাড়ির গ্যাস সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি ধারাবাহিকভাবে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সমস্যার সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে / মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী

মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রীমোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।

প্রতিযোগিতামূলক করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে। / মোংলা বন্দর–এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: নৌমন্ত্রী

মোংলা বন্দর–এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: নৌমন্ত্রীদায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোংলায় পৌঁছে তিনি বন্দরের সভাকক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে জেটি ও অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।বৈঠকে বন্দরের বর্তমান কার্যক্রম, পণ্য হ্যান্ডলিং সক্ষমতা, জাহাজ আগমন-নির্গমন, ড্রেজিং পরিস্থিতি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বন্দরের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রী এসব সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে বন্দরের সঙ্গে জাতীয় ও আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সংযোগ আরও শক্তিশালী করা হবে। এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায়ীরা বিকল্প বন্দর সুবিধা আরও বেশি ব্যবহার করতে পারবেন।মন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর মাধ্যমে মোংলা বন্দরের কার্যকারিতা বাড়ানো হবে।পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মোংলা বন্দর–এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: নৌমন্ত্রী

প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। / ৪ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য খালাস করতে অর্থমন্ত্রীর নির্দেশ

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ–এ পণ্যজট নিরসনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ইয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও অংশীজনকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের প্রতিনিধি, শীর্ষ ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস–এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক স্ক্যানিং মেশিন অচল থাকার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি দ্রুত এসব যন্ত্রপাতি সচল করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “এত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি কীভাবে দিনের পর দিন অচল থাকে? এ ধরনের গাফিলতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”তিনি আরও বলেন, স্ক্যানিং মেশিন অচল থাকায় পণ্য খালাস প্রক্রিয়া ধীরগতির হচ্ছে, যা পণ্যজট সৃষ্টি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং বাজার ব্যবস্থায়ও প্রভাব পড়ছে।অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে দ্রুত পণ্যজট নিরসন ও বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনতে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

৪ দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য খালাস করতে অর্থমন্ত্রীর নির্দেশ

নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো কষ্ট না ভোগে। / রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: ধর্মমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না—এমন আশ্বাস দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো কষ্ট না ভোগে।ধর্মমন্ত্রী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর। আমার বিশ্বাস, দ্রব্যমূল্য কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না।”এটি তার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের সংসদীয় আসনে প্রথম আগমন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: ধর্মমন্ত্রী

ইফতারকেন্দ্রিক চাহিদা, বাড়ছে চাপ / রমজানে কাঁচাবাজারে আ'গুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

রমজানে কাঁচাবাজারে আগুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি স্পষ্ট। ছোলা ও মুড়ির মতো কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য উপাদান—লেবু, কাঁচামরিচ ও শসার দামে লেগেছে ‘আগুন’। কোথাও কোথাও করলা ও কাঁচামরিচের কেজি দর ২০০ টাকার ঘর ছুঁয়েছে, যা ক্রেতাদের ভাষায় ‘ডাবল সেঞ্চুরি’।ইফতারকেন্দ্রিক চাহিদা, বাড়ছে চাপরমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে লেবু ও কাঁচামরিচ—যেগুলো প্রতিদিনের ইফতারে প্রয়োজন—সেগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। শসা ও বিভিন্ন ফলের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।কারও কারও অভিযোগ, আড়ত ও খুচরা পর্যায়ে একাধিক হাত বদলের ফলে দাম বাড়ছে। আবার অনেক বিক্রেতা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই খুচরা পর্যায়ে কমানোর সুযোগ নেই।ক্রেতাদের ক্ষোভবাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত ও কার্যকর বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। রমজানের মতো সংবেদনশীল সময়ে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি তাদের।একজন ক্রেতার ভাষায়, “রমজান এলেই কেন সবকিছুর দাম বাড়ে? নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে নিয়মিত অভিযান দরকার।”বিক্রেতাদের বক্তব্যখুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। এছাড়া মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাবেও সবজির দামে ওঠানামা হচ্ছে।করণীয় কী?ভোক্তারা মনে করছেন—নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট জোরদার করাপাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের দামের তালিকা প্রকাশপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করারমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাই করছেন অনেকেই।

রমজানে কাঁচাবাজারে আ'গুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে / ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে ২১ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঢাকা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছেন।বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এবি এম ওবায়দুল ইসলাম স্যারের উপস্থিতিতেমহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই দিনে, আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদকে, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হলো একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গসহ সমস্ত বাংলাভাষী অঞ্চলে পালিত একটি বিশেষ দিবস, যা ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বরে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়।[১] তবে এটি ২০০২ সালে ৫৬/২৬২ নীতি গ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।[২] এটি শহীদ দিবস হিসাবেও পরিচিত। এ দিনটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালে এইদিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) মাতৃভাষা বাংলাকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত বাঙালি ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ ছাত্র শহীদ হন। যাঁদের মধ্যে রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত উল্লেখযোগ্য এবং এই কারণে এই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের এদিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরো মজবুত ও সুদৃঢ়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ভাষা শহীদ এবং ৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪ এর স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবতকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।আজকের এই দিনে আমি বিশ্বজুড়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষাসমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করার জন্য সংশ্লষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। আসুন, আমরা দেশে বিদ্যমান ভাষাবৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করি, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করি।আমি সকল ভাষা শহীদের মাগফিরাত কামনা করি।আমি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচীর সফলতা কামনা করি।মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)সভাপতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
কোন ছবি নেই !

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !