ডি এস কে টিভি চ্যানেল
নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পা'চার

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পা'চার

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

জয়ের পর বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়, তবু সালাহদের প্রশংসায় মিসরের প্রেসিডেন্ট

মায়ের মৃ'ত্যুর রহস্য ঘিরে নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ছেলে সিফাত

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিএনপির উদ্যােগে মা&039দ&039ক&039বিরোধী আলোচনা সভা।

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

ফকিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল হক বাবুল

১০

যে শিশুকে কোলে নিয়েছিলেন মেসি, আজ তাকেই নিয়ে মাতোয়ারা ফুটবল বিশ্ব

জনপ্রিয় সব খবর

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পা'চার

বৈদেশিক উচ্চশিক্ষা পরামর্শদান খাতের সুশাসন, শিক্ষার্থী সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান

মতলবে এতিমদের চাউল হরিলুট

বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতেই চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বর্তমান সংসদকে ‘ম'জলুমের মিলন মেলা’ বললেন জামায়াত আমির

জিয়ানগরে চাচার জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ ভাতিজাদের বি'রুদ্ধে

সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে নোয়াখালীতে উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হাম'লায় নি'হত ৩০

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ

১০

ফকিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল হক বাবুল

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা রহমানস্বাস্থ্যসেবাকে কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল আমারিতে আয়োজিত স্বাস্থ্যবিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।কর্মশালায় স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

‎নোয়াখালীতে হামের প্রকোপ ভয়া'বহ, ১৭ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ১১১ রোগী

‎নোয়াখালীতে হামের প্রকোপ ভয়া'বহ, ১৭ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ১১১ রোগী

‎নোয়াখালীতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের প্রকোপ। জেলার একমাত্র বিশেষায়িত হাম ওয়ার্ডে রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় শয্যা, জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।‎‎১৭ শয্যার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১১ জন রোগী। এতে ওয়ার্ডের ভেতরে-বাইরে, এমনকি মেঝে ও চলাচলের পথেও রোগী ও স্বজনদের অবস্থান করতে হচ্ছে। ‎‎সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিরিক্ত রোগীর চাপে ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই। বাথরুম সংকট, দুর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের সঙ্গে থাকা স্বজনদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ‎‎২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতলে অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের ওয়ার্ডে  জায়গা নেই। বাথরুম সংকট, দুর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের সঙ্গে থাকা স্বজনদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ‎‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৭ জন হামের রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট ১১১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭ জন। ‎‎চলমান প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে চারজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ‎‎হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের জনবল সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ৩০টি পদের মধ্যে ৮টি শূন্য রয়েছে। এছাড়া সিনিয়র কনসালটেন্টের ১০টি পদের মধ্যে ৬টি, সিনিয়র স্টাফ নার্সের ২১টি, স্টাফ নার্সের ৬টি এবং মিডওয়াইফ নার্সের ৩টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে চিকিৎসাসেবা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ‎‎রোগীদের স্বজনদের অভিযোগ, সীমিত জায়গায় রোগীদের পাশাপাশি কয়েক শতাধিক স্বজন অবস্থান করায় পরিবেশ আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। তারা দ্রুত শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। ‎‎সুবর্ণচর উপজেলার রোকেয়া বেগম বলেন, গত ২৪ জুন থেকে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আছি। শয্যা না পেয়ে স্বামীসহ মেঝেতে থাকতে হচ্ছে।” ‎‎লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে আসা জাকির হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে হাসপাতালে আছি। প্রতিদিনই নতুন রোগী আসছে। সীমিত জনবল নিয়ে চিকিৎসক ও নার্সরা হিমশিম খাচ্ছেন। ‎‎কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের রোকসানা আক্তার জানান, তার চার বছরের মেয়ে চিকিৎসায় সুস্থতার পথে থাকলেও হাসপাতালের পরিবেশ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। ‎‎সচেতন মহলের মতে, হাসপাতালের নবনির্মিত সাততলা ভবনটি এখনো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় শয্যা সংকট আরও তীব্র হয়েছে। নতুন ভবন চালু হলে আবাসন সংকট কিছুটা কমবে, তবে জনবল সংকট দূর না হলে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে না। ‎‎নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজিব আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, ১৭টি বেডের বিপরীতে ১১১ জন রোগী ভর্তি থাকলে স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। গত আড়াই মাস ধরে দুজন চিকিৎসক ও দুজন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি আরও দুজন নার্স যুক্ত করা হলেও বর্তমান রোগীর চাপ সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে জনবল বৃদ্ধি প্রয়োজন। ‎‎হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, নোয়াখালীর ৯টি উপজেলার পাশাপাশি লক্ষ্মীপুরের রামগতি, চন্দ্রগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে সবসময়ই রোগীর চাপ বেশি থাকে। সীমিত জনবল ও সম্পদ নিয়েই আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ‎‎উল্লেখ্য, গত ১৬ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। ‎‎পরিদর্শনে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেখতে পেয়ে তিনি তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহার করেন এবং তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। ‎পরে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেনকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। ‎

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেই সময় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, নোংরা পরিবেশ ও চিকিৎসকদের দেরিতে উপস্থিতির প্রমাণ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। ‎ ‎আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মোবাইল ফোনে তিনি তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের করার নির্দেশ দেন। ‎ ‎ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন জানান, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আজ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি হাসপাতালের পুরুষ, নারী, শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ড এবং জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। ‎ ‎তিনি আরও জানান, এ সময় হাসপাতালের ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নোংরা টয়লেট দেখে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ চিকিৎসককে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে হাসপাতালে আসতে দেখা যায়। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এই হাসপাতালের সার্বিক অব্যবস্থাপনা দূর করতে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেন। ‎‎স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। চিকিৎসকরা সময়মতো আসবেন না, হাসপাতাল নোংরা থাকবে এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তাদের পদে থাকার কোনো অধিকার নেই। ‎‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত না হলে এবং চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা না গেলে আরও বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক  মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার  এন এম নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান যোগদান দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রামের উন্নয়নের জন্য সরাসরি শিকার্থীদের পড়াশোনায় তদারকির ভুমিকার প্রসংশায় বাউবির ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর উপাচার্য হিসেবে ইতিমধ্যেই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছিলো। তিনি ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ পূর্বাহ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তখনকার বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাঁর নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।তিনি যোগদানের সময় বলেছিলেন “বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা একযোগে কাজ করব।” এ লক্ষ্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। যাঁর ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে বর্তমান উপাচার্য তাঁর যোগদানে সময় যে কথা দিয়েছিলেন এই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের সেশনজট যেন আর সৃষ্টি না হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছেন, বিভিন্ন প্রোগ্রামের পরীক্ষার কেন্দ্র সরাসরি পরিদর্শন করতেছেন এবং বিভিন্ন সময় ভিডিও বক্তব্যর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কে উৎসাহ দিয়ে সবাইকে পড়াশোনা করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন, এই বিষয় গুলো শিক্ষার্থীদের কে বাউবির পড়াশোনার প্রতি আরো আগ্রহ সৃষ্টি করছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গলাচিপা গ্রামে। তিনি মরহুম মো. আবদুল আজিজ খান ও বেগম হালিমা আজিজ দম্পতির পঞ্চম সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং উভয় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘নবাবী বাংলার রাজনীতি ও অভিজাত শ্রেণী’।তিনি ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বর্তমানে অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি কলা অনুষদের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এবং স্যার পি জে হারটগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ড. খানের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র আধুনিক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ক্রমবিকাশ। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিকাশধারা নিয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ রয়েছে। এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নালে তাঁর ৩৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৫টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৭২-২০১৪, নবাবী বাংলার অভিজাত শ্রেণী: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, উসমানী সালতানাত: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, মুঘল ভারতের ইতিহাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণায় শতবর্ষের অর্জন এবং আলোকচিত্রে শতবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।তিনি নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে সমকালীন বিষয়াবলি নিয়ে লেখালেখি করেন এবং বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সাধারণ সম্পাদক (২০১১–২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে ‘ইতিহাস’ গবেষণা জার্নালের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদ পত্রিকা ও The Arts Faculty Journal-এর সম্পাদক।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাপিডিয়ার ম্যানেজিং এডিটর হিসেবেও যুক্ত আছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্য, ইউনেস্কোর Memory of the World জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।অধ্যাপক খান স্পেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন।বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)আশা প্রকাশ করছেন যে, তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও দূরশিক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত, আধুনিক ও গতিশীল হবে।মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, (বউসা) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

বিশেষ প্রতিবেদন

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পা'চার

নোয়াখালী বেগমগঞ্জে জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পা'চার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে একটি জিপ গাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৮০ হাজার ৩৬০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি জিপ গাড়ি। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। ‎ ‎বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোরে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর এলাকার রূপসা শপিং কমপ্লেক্সে এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  ‎ ‎গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় বেহুলা ইউনিয়নের ইটমুনি হেতালিয়া পাড়ার মৃত মোজাফফর আহমদ সিকদারের ছেলে মো. পারভেজ (৪২) ও একই গ্রামের শেখ চাঁন মিয়ার ছেলে মো.বিপ্লব (৪৮)। ‎ ‎পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর এলাকার রূপসা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আসামিদের ব্যবহৃত কালো রঙের হার্ডজিপ গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের ডান পাশের দরজায় বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। সাদা স্কচটেপে মোড়ানো ৪১টি কাগজের প্যাকেটের মধ্যে ১৯৬টি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলি ব্যাগে এসব ইয়াবা রাখা ছিল। ‎ ‎নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। মাদক করাবরি পারভেজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নয়টি মামলা রয়েছে। ‎ ‎

১২ ঘন্টা আগে
বৈদেশিক উচ্চশিক্ষা পরামর্শদান খাতের সুশাসন, শিক্ষার্থী সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান

আইনসমাত নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা সময়ের অপরিহার্য দাবি। / বৈদেশিক উচ্চশিক্ষা পরামর্শদান খাতের সুশাসন, শিক্ষার্থী সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রণয়নের আহ্বান

১৪ ঘন্টা আগে
বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতেই চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। / বিশেষ দেশকে সুবিধা দিতেই চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৫ জুলাই ২০২৬
বর্তমান সংসদকে ‘ম'জলুমের মিলন মেলা’ বললেন জামায়াত আমির

একজন বলিষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে সংসদ পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন। / বর্তমান সংসদকে ‘ম'জলুমের মিলন মেলা’ বললেন জামায়াত আমির

১৫ জুলাই ২০২৬
সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে নোয়াখালীতে উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে নোয়াখালীতে উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৫ জুলাই ২০২৬

অপরাধ ও দুর্নীতি

মতলবে এতিমদের চাউল হরিলুট

মতলবে এতিমদের চাউল হরিলুট

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ৪৬টি এতীমখানার বরাদ্ধকৃত ৪৬ টন চালের মধ্যে ২৫ টনেরও অধিক চাউল হরিলুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতীমদের চাল হরিলুটের বিষয়টি নিয়ে এতীমখানা কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষরা চরমভাবে ক্ষুব্দ।সরেজমিনে উপজেলার বেশ ক’টি এতিমখানা ঘুরে এতিমখানাগুলোর চাল লোপাটের চিত্র উঠে আসে। উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের নেদায়ে ইসলাম আশিকে মানযুর (রাঃ) নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ১ টন চালের বাজামূল্য ৫০ হাজার টাকার অধিক হলেও তাদেরকে দিয়েছে মাত্র ১৫ হাজার টাকা। এছাড়াও বিনন্দপুর মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা, সাতবাড়িয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, সুজাতপুর দরবেশ বাড়ি মাদ্রাসা ও এতিমখানাকে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।অন্যদিকে, জিন নুরাইন ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, পশ্চিম ইসলামাবাদ মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ষাটনল আরাবিয়াতুল উম্মাহ মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ষাটনল হাফেজ আব্দুল লতিফ দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দারুল উলুম কাসেমিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, দশানী আল-আমিন আকরামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, সাড়ে পাঁচানী হোসাইনিয় মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মোহনপুর আল হেরা মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মুদাফর রহমানিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, মাথাভাঙ্গা মিলারচর মাদ্রাসা ও এতিমখানা, পাঁচআনী আমিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা সহ আরো কয়েকটি এতিমখানায় গিয়ে জানাগেলে এরা ১ হাজার কেজি (১টন) চালের স্থলে তারা পেয়েছে ৫শ থেকে ৬শ কেজি করে চাল। কোথাও কোথাও আবার, বসত ঘরে এতিমখানার নামে নতুন ডিজিটাল সাইনবোর্ড ঝুলতে থাকলেও ভিতরে ছোট বাচ্চাদের বসবাস বা লেখাপড়ার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। যদিও সেই এতিম খানাগুলো সরকারী বরাদ্ধকৃত ১ টন চাল পাওয়ার তালিকায় রয়েছে।এতিমদের জন্য বরাদ্ধকৃত চালের অর্ধেকচাল বা ২৩ মেট্রিক টন চাল আত্মসাৎ করার বিষয়ে উপজেলার ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজনের সাথে এবিষয়ে কথা হলে তারা এতিমদের চাল আত্মসাথের বিষয়টিতে খুবই দুঃখ প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এদের অনেকে জানান, স্থানীয় সাংসদ উদার মানুষ। তিনি এতিমদের চাল আত্মসাথের সাথে জড়িত থাকতে পারে তা আমরা বিশ্বাস করিনা। তবে তার কোন প্রতিনিধি বা কাছের লোকরা প্রভাব বিস্তার করে এমনটা ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তারা মনে করেন। তাদের কেউ কেউ মন্তব্য করে আরো বলেন, পিআইও অফিস ও উপজেলা প্রকৌশল অফিস সহ গুরুত্বপূর্ন আরো কিছু দপ্তরেও তাদের অনিয়ম-দুর্নীতির খবর আরো কিছুদিন আগের থেকেই শুনা যাচ্ছিল। তবে স্থানীয় সাংসদ তাঁর নিজের সম্মান ধরে রাখতে এখনই এগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে বলে আমরা আশা করি।এতিমখানায় সরকারি যে মানের চাল বিতরণ করা হয়েছে তার কেজি প্রতি বাজার মূল্য ৫০ থেকে ৬০ টাকা। সে হিসেব মতে, লোপাটকারীরা এতীমদের অন্তত ১৪ থেকে ১৫ লক্ষ টাকার চাল আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে জানা যায়।এদিকে সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি নুরুল আমিন মাস্টার অভিযোগ করে বলেন, “সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী এক টন চাল পাওয়ার কথা থাকলেও আমাকে মাত্র ৬০০ কেজি চাল দেওয়া হয়েছে। এতিমদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল আত্মসাৎ এর বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে অনেকের সঙ্গে কথা বলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাইনি।”মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সভাপতি (সভাপতি) বশির আহমেদ খান বলেন, “এতিমদের চাল আত্মসাতের অভিযোগটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ধরনের ঘটনার দায় আমরা নিতে চাই না। বিষয়টি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। আমি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলব এবং কীভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা দেখব।”উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওসমান গনি বলেন, “খাদ্য গুদাম থেকে এতিমখানার প্রতিনিধিদের চাল কখনো আমি নিজে দিয়েছি, কখনো আমার অফিসের স্টাফদের মাধ্যমে বিতরণ করেছি। তবে এখন পর্যন্ত চাল কম দেওয়ার বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এমদাদুল হক বলেন, “আমরা তালিকাভুক্ত প্রতিটি এতিমখানার নামে এক টন করে চালের ডিও (বরাদ্দপত্র) ইস্যু করেছি। এক টন চাল বরাদ্দের সব কাগজপত্র আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। বরাদ্দ দেওয়ার পর বাইরে কেউ কোনো অনিয়ম করে থাকলে সে বিষয়ে আমাদের জানা নেই।”মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, “এতিমখানাগুলোকে চাল দেওয়ার কথা, টাকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। চাল কম দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি আমি এখনই খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

১৬ জুলাই ২০২৬

শিল্প ও বানিজ্য

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

*ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হামলা: গুলিবিদ্ধ- ৫০, আহত- শতাধিক*ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে ব্যাংক লুটেরা এস আলমের লোকজনকে পূর্ণবাসন ও বোর্ড মিটিং ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে আওয়ামী দোশর খুরশিদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রতিবাদে আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে ব্যাংকটির হাজার-হাজার গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। গ্রাহকদের এই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশ অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে টিয়ারসেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং ব্যপক লাঠিচার্জ করে। এতে শতাধিক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার আহত হোন এবং প্রায় ৫০ জন গ্রাহক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।সরেজমিনে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১০ টায় ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, এপিসি কার সহ মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করে। সকাল ৯-৩০ মিনিটে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ করতে থাকে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। এসময় পুলিশের হামলায় ৫০ জন গুলিবিদ্ধ সহ শতাধিক গ্রাহক আহত হয়। পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে হাজার হাজার ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আবারও সংগঠিত হয়ে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান গ্রহণ করে। ফলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ ও সাধারণ গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে আছে। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক জানান, গত ২৪ মে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ঐদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। সাথে সাথে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আওয়ামী দোসর ব্যাংক লুটেরা এস আলমের তল্পিবাহক খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে স্ব পদে বহাল করার আহ্বান জানান। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের দাবি উপেক্ষা করে এস আলম গ্রুপের লোকজনকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের দিকে এগিয়ে যায়। এরই প্রতিবাদে আজ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করতে থাকে। এসময় তিনি আরও জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের একটি অংশ পতিত আওয়ামী দোসর এস আলম গ্রুপকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের চেষ্টা করে আসছে। এর প্রতিবাদে গত ২৪ মে সারাদেশে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শাখার সামনে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু সরকার ইসলামী ব্যাংকে নগ্ন হস্তক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে। ব্যাংকে কোনো টাকা নেই। গ্রাহকেরা চেক দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে পারছে না এমনকি এটিএম বুথেও টাকা পাওয়া যায় না। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের পক্ষে থেকে তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ও মালিকদের নিকট ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রদান করতে হবে।  বার্তা প্রেরক(মোতাছিম বিল্লাহ) সেক্রেটারি ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ।

ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়। / ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা। নতুন এই মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা আসে বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে, যেখানে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেল আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক দামের ওঠানামা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বাজারে তেলের সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজার তদারকি জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী, যাতে নির্ধারিত দামের বেশি দামে বিক্রির কোনো সুযোগ না থাকে।তবে নতুন এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে চাপে থাকা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য এই বৃদ্ধি আরও কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে রান্নার প্রধান উপকরণ হিসেবে সয়াবিন তেলের বিকল্প সীমিত হওয়ায় অনেক পরিবারকেই বাড়তি খরচ বহন করতে হবে।সরকারি পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম না কমা পর্যন্ত দেশে তেলের দামে স্থিতিশীলতা আসা কঠিন হতে পারে। ফলে আপাতত ভোক্তাদের এই বাড়তি দামের সঙ্গেই খাপ খাইয়ে নিতে হতে পারে।

জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। / রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিংএক দশকের দীর্ঘ প্রস্তুতি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জটিল প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পর অবশেষে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে আজ বিকালে শুরু হচ্ছে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং কার্যক্রম—যা দেশের জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।গত ১৬ এপ্রিল পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি প্রবেশ বা কমিশনিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পাওয়া যায়। এরপর থেকে সব ধরনের কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। অবশেষে আজ সেই প্রতীক্ষিত কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, যার মাধ্যমে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।এদিকে এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উপস্থিতিও থাকছে। কেন্দ্রটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোসাটম-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সকালে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, তিনি ঢাকায় এসে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।এরপর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হেলিকপ্টারে রূপপুর প্ল্যান্টে গিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বিকালেই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম লোডিং, যা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। / ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

দেশে কাঁচামরিচের দাম যখন ২৫০–৩০০ টাকায় পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় ভারত থেকে আমদানিকৃত মরিচের দাম কাগজে দেখানো হয়েছে মাত্র ২৮ টাকা কেজি—এমন তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে। একইভাবে আপেলের আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৩ টাকা কেজি, যা আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। এই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সন্দেহ করছে, এখানে “আন্ডার-ইনভয়েসিং” (কম দাম দেখিয়ে আমদানি) করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে বিদেশে অতিরিক্ত অর্থ পাচার হতে পারে। তদন্তে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে প্রায় ২৩১টি এলসি খুলে প্রায় ১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি দেখিয়েছে, যার মোট মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এসব পণ্য আমদানি দেখানো হয়েছে, তারা মূলত শাড়ি ও গহনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, কৃষিপণ্য নয়। এতে পুরো আমদানির সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর (স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়ার ও ইসলামী ব্যাংক) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেছেন, সব আমদানি বৈধভাবে করা হয়েছে এবং কম দামের কারণ হিসেবে তিনি নিম্নমানের পণ্য, পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার বিষয় উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, ঘটনাটি এখন একটি গুরুতর অর্থনৈতিক অনিয়ম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাজারদর, আমদানির ঘোষিত মূল্য এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। / ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ জোরদার করতে প্রায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’ বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার টনের বেশি জেট ফুয়েল রয়েছে, যা দেশের বিমান চলাচলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জাহাজটির গভীরতা বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে ছোট জাহাজের (লাইটার) মাধ্যমে ধাপে ধাপে তেল খালাস করা হচ্ছে। আংশিক খালাসের পর জাহাজটি জেটিতে আনা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পরিমাণ জেট ফুয়েল দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের মতো চাহিদা পূরণ সম্ভব। এদিকে একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাইওয়ান থেকে আরও কয়েকটি বড় জাহাজ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা মিলছে এবং আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে। সার্বিকভাবে, একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজের আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। / আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বারছেএর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশিএই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বাড়ে। এর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।দেখার বিষয়।

আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি: একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি: একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার"

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি: একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার"মোঃ হাসান মাহমুদ জয় স্টাফ রিপোর্টার বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমসম্মানিত পাইকেরছড়াবাসী, মুরুব্বিয়ান, তরুণ ভাই ও বোনেরা—আসসালামু আলাইকুম।আজ অত্যন্ত বিনয়ের সাথে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমি জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাইকেরছড়া ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আমি আপনাদের খেদমত করার সুযোগ প্রত্যাশী। আমি কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং আমাদের প্রাণের পাইকেরছড়াকে একটি আধুনিক ও আদর্শ ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আপনাদের সামনে এসেছি।আমার নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতিসমূহ:১. মাদকমুক্ত সমাজ ও যুবকল্যাণ: আমাদের তরুণ প্রজন্ম আজ মাদকের করাল গ্রাসে ধ্বংসের পথে। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো-টলারেন্স’ ঘোষণা করব। মাদকের অভিশাপ থেকে যুবসমাজকে ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করব। খেলাধুলার জন্য আমাদের ইউনিয়নে কোনো সুনির্দিষ্ট মাঠ নেই, আমি নির্বাচিত হলে সরকারি খাস জমি বা জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ নির্মাণের ব্যবস্থা করব।২. শিক্ষা ও বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন: শিক্ষার আলো ছাড়া একটি জাতি উন্নত হতে পারে না। আমাদের ইউনিয়নে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও একটি আদর্শ ‘বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’-এর অভাব রয়েছে। আমাদের কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে শিক্ষা অর্জন করতে পারে, সেজন্য আমি একটি মানসম্মত বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করব। পাশাপাশি, বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাথে সমন্বয় করে কাজ করব।৩. স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: আমাদের ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধ এবং যথাযথ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না। আমি নির্বাচিত হলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করব এবং ডাক্তারদের উপস্থিতিও নিয়মিত করব। এছাড়া, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে শক্তিশালী করে একটি ‘মডেল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র’ হিসেবে রূপান্তর করব, যাতে সাধারণ মানুষ সামান্য জ্বর-সর্দির জন্য দূরে না গিয়ে নিজ ইউনিয়নেই চিকিৎসা পায়।৪. অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন: রাস্তাঘাটের বেহাল দশা নিরসনে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব। কাঁচা রাস্তাগুলো পাকাকরণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করব। প্রতিটি গ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থাকে সহজতর করাই হবে আমার প্রথম কাজ।৫. ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ: আমাদের মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলো হলো সমাজের মূল কেন্দ্র। আমি নির্বাচিত হলে সব মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং আলেম-ওলামাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করব। মানুষের বিপদে-আপদে যেকোনো সময় যেন আমাকে পাশে পায়, সেই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।৬. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (কাবিখা, টিআর ও ভিজিডি): অতীতে অনেক সময় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্য হয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি, কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), টিআর, ভিজিডি কার্ডসহ সকল সরকারি অনুদান এবং প্রকল্পের সুবিধা কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে প্রকৃত দুস্থ ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছে দেব। এখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি কাজের হিসাব ইউনিয়ন পরিষদের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়া হবে।সম্মানিত এলাকাবাসী,আমি কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, আমি কাজে বিশ্বাসী। জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ অনুযায়ী সততা ও নিষ্ঠার সাথে পাইকেরছড়া ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, স্বনির্ভর ও আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আমি আপনাদের সকলের দোয়া ও মূল্যবান ভোট প্রার্থনা করছি।আমি আপনাদেরই সন্তান। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমি কেবল পদাধিকারী হিসেবে নয়, আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করব। আগামী নির্বাচনে আপনাদের মহামূল্যবান ভোটটি দিয়ে আমাকে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ দিন।আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমিন।ধন্যবাদান্তে,জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদসাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীপাইকেরছড়া ইউনিয়ন শাখা।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !