ডি এস কে টিভি চ্যানেল
সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হাম'লা, হ'ত্যাচে'ষ্টার অভিযোগে যুবক আট'ক

যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। / সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হাম'লা, হ'ত্যাচে'ষ্টার অভিযোগে যুবক আট'ক

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভ'য়াবহ হামলা: নি'হত ৫, আ'হত বহু

প্রতিমন্ত্রীর গানম্যানের বে'পরো'য়া তা'ণ্ডব: সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হু'মকি।

বিএনপি'র স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বলে চাঁ'দা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার,গাজী জুয়েল

১০

সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষে'ধাজ্ঞা জারি

জনপ্রিয় সব খবর

মতলবে ইয়া'বা-গাঁ'জাসহ আর্জেন্টিনা সমর্থক গ্রেফ'তার

ভূরুঙ্গামারীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে স্কুল মাঠে ‘পিয়ার টু পিয়ার’ সেশন অনুষ্ঠিত

ভূরুঙ্গামারীতে সোনার হাট ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণে চরম অনিয়ম ও দু'র্নীতি, অল্প বৃষ্টিতেই ব্ল'ক ধ্ব'সে বিপন্ন রাস্তা!

সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হাম'লা, হ'ত্যাচে'ষ্টার অভিযোগে যুবক আট'ক

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী নবাগত পুলিশ সুপার এর সাথে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় ছাত্রশক্তি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন: মা'দক ও দুর্নী'তিমুক্ত মেধাভিত্তিক ছাত্রসমাজ গড়ার প্রত্যয়

চলন্ত অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে প্রাণ গেল শিক্ষিকা অপর্ণা ধরের

ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যানের সুইচ অন করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ইউপি সদস্যের মর্মা'ন্তিক মৃ'ত্যু

১০

মতলব দক্ষিণে জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী সদর হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তত্ত্বাবধায়ক প্রত্যাহার

নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সেই সময় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, নোংরা পরিবেশ ও চিকিৎসকদের দেরিতে উপস্থিতির প্রমাণ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। ‎ ‎আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মোবাইল ফোনে তিনি তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের করার নির্দেশ দেন। ‎ ‎ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন জানান, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আজ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি হাসপাতালের পুরুষ, নারী, শিশু ও ডায়রিয়া ওয়ার্ড এবং জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। ‎ ‎তিনি আরও জানান, এ সময় হাসপাতালের ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নোংরা টয়লেট দেখে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ চিকিৎসককে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে হাসপাতালে আসতে দেখা যায়। এতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এই হাসপাতালের সার্বিক অব্যবস্থাপনা দূর করতে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেন। ‎‎স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। চিকিৎসকরা সময়মতো আসবেন না, হাসপাতাল নোংরা থাকবে এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তাদের পদে থাকার কোনো অধিকার নেই। ‎‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত না হলে এবং চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা না গেলে আরও বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক  মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার  এন এম নাসির উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

সেশনজট মুক্তি ও মানসম্মত শিক্ষার কারিগর: উপাচার্য ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান যোগদান দেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রামের উন্নয়নের জন্য সরাসরি শিকার্থীদের পড়াশোনায় তদারকির ভুমিকার প্রসংশায় বাউবির ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর উপাচার্য হিসেবে ইতিমধ্যেই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছিলো। তিনি ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ পূর্বাহ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তখনকার বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তাঁর নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।তিনি যোগদানের সময় বলেছিলেন “বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা একযোগে কাজ করব।” এ লক্ষ্যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। যাঁর ফলস্বরূপ দেখা যাচ্ছে বর্তমান উপাচার্য তাঁর যোগদানে সময় যে কথা দিয়েছিলেন এই লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের সেশনজট যেন আর সৃষ্টি না হয় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছেন, বিভিন্ন প্রোগ্রামের পরীক্ষার কেন্দ্র সরাসরি পরিদর্শন করতেছেন এবং বিভিন্ন সময় ভিডিও বক্তব্যর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কে উৎসাহ দিয়ে সবাইকে পড়াশোনা করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন, এই বিষয় গুলো শিক্ষার্থীদের কে বাউবির পড়াশোনার প্রতি আরো আগ্রহ সৃষ্টি করছে। অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গলাচিপা গ্রামে। তিনি মরহুম মো. আবদুল আজিজ খান ও বেগম হালিমা আজিজ দম্পতির পঞ্চম সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং উভয় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল ‘নবাবী বাংলার রাজনীতি ও অভিজাত শ্রেণী’।তিনি ১৯৯৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বর্তমানে অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি কলা অনুষদের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এবং স্যার পি জে হারটগ ইন্টারন্যাশনাল হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ড. খানের গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র আধুনিক মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ক্রমবিকাশ। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিকাশধারা নিয়ে তাঁর গভীর আগ্রহ রয়েছে। এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য জার্নালে তাঁর ৩৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৫টি। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৭২-২০১৪, নবাবী বাংলার অভিজাত শ্রেণী: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, উসমানী সালতানাত: রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, মুঘল ভারতের ইতিহাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণায় শতবর্ষের অর্জন এবং আলোকচিত্রে শতবর্ষের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।তিনি নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে সমকালীন বিষয়াবলি নিয়ে লেখালেখি করেন এবং বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সাধারণ সম্পাদক (২০১১–২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে ‘ইতিহাস’ গবেষণা জার্নালের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদ পত্রিকা ও The Arts Faculty Journal-এর সম্পাদক।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাপিডিয়ার ম্যানেজিং এডিটর হিসেবেও যুক্ত আছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল কারিকুলাম অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্য, ইউনেস্কোর Memory of the World জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।অধ্যাপক খান স্পেন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ইরান, মালয়েশিয়া, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেছেন।বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা)আশা প্রকাশ করছেন যে, তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও দূরশিক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত, আধুনিক ও গতিশীল হবে।মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, (বউসা) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম: আরও ৫ মৃ/ত্যু, আক্রা/ন্ত ছাড়ালো ২৮ হাজার

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম: আরও ৫ মৃ/ত্যু, আক্রা/ন্ত ছাড়ালো ২৮ হাজার

দেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামে একজন এবং হাম সন্দেহে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ নিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে সারা দেশে সন্দেহভাজন হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৩৩৪ জনে। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো সংক্রামক রোগ সাধারণত টিকা-সুরক্ষা দুর্বল হলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ার পেছনে টিকা গ্রহণে ঘাটতি, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের। একই সঙ্গে টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।হাম সাধারণত একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। প্রাথমিকভাবে জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কের জটিল সংক্রমণের মতো মারাত্মক সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যাপক টিকাদান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

পিরোজপুরের জিয়ানগরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন সোমবার (২০ এপ্রিল) জিয়ানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার  হাসান মো.হাফিজুর রহমানঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ননী গোপাল রায়।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ৭ হাজার ৭৪০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে মোট ৫ হাজার  ভ্যাকসিন সরবরাহ করা আছে । পুরো উপজেলায় ১১ টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত করা হবে।প্রথম দিনে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আজকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে  ৫৫১জন শিশুকে টিকা প্রদান।টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মো.হাফিজুর রহমান ,বক্তব্যে বলেন  হাম ও রুবেলা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমে এসব রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। তাই সকল অভিভাবককে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদের শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ধাপে ধাপে পুরো উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ক্যাম্পেইনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডাঃ আকাস সাহা, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তারা।

বিশেষ প্রতিবেদন

নোয়াখালী নবাগত পুলিশ সুপার এর সাথে  সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী নবাগত পুলিশ সুপার এর সাথে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

‎নোয়াখালীকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন নবাগত পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন।‎‎মঙ্গলবার এক  মতবিনিময় সভা  অনুষ্ঠানে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে তিনি তাঁর কর্মপরিকল্পনা ও রূপরেখা তুলে ধরেন। ‎অনুষ্ঠানের শুরুতে পুলিশ সুপার মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের এবং বাংলাদেশ পুলিশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। নোয়াখালী জেলা পুলিশকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক, জনবান্ধব এবং সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। ‎‎তিনি পুলিশকে ভীতি বা আতঙ্কের নাম নয়; বরং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক, বিপদের সময় নির্ভরতার প্রথম আশ্রয়স্থল এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অন্যতম সহায়ক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নোয়াখালী জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে তিনি পাঁচটি বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ‎‎মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক ব্যবসায়ী, কারবারি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ‎কিশোর গ্যাং ও ইভটিজিং নির্মূল এবং নারী-শিশুর নিরাপত্তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ‎থানাকে আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা দালালচক্র বা অযাচিত প্রভাব ছাড়াই থানায় এসে সাধারণ মানুষ যেন আইনি সহায়তা পান, তা নিশ্চিত করা হবে। থানাকে প্রকৃত সেবার স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। ‎‎সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, প্রতারণা, সাইবার বুলিং ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধ মোকাবিলায় জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্ট ইউনিটকে আরও কার্যকর করা হবে। ‎‎প্রবাসীবান্ধব পুলিশি সেবা: নোয়াখালী একটি প্রবাসীবহুল জেলা। প্রবাসীদের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করবে। ‎সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ ও রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিতামূলক ও সুশাসনভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন যেমন জনগণকে সচেতন করে, তেমনি পুলিশের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সাংবাদিকদের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক বজায় রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা আগ্রহী। ‎‎তিনি যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করার এবং প্রয়োজনে জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের বিনীত অনুরোধ জানান। পুলিশ সুপার স্পষ্ট করে বলেন, “অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা ব্যক্তিগত পরিচয় নেই অপরাধী শুধু অপরাধী। পেশাদারিত্ব, সততা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। ‎পুলিশ সুপার নোয়াখালীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসেবা বিস্তারের বর্তমান উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পুলিশ–সাংবাদিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করে জননিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে এ ধরনের মতবিনিময় সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিঁনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ), নোয়াখালী। আহমেদ পেয়ার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), নোয়াখালী। মোঃ লিয়াকত আকবর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল)।

১৬ জুন ২০২৬

অপরাধ ও দুর্নীতি

সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হাম'লা, হ'ত্যাচে'ষ্টার অভিযোগে যুবক আট'ক

যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। / সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হাম'লা, হ'ত্যাচে'ষ্টার অভিযোগে যুবক আট'ক

সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে মা-মেয়ের ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগে যুবক আটকসৌদি আরব প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা ও মেয়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুজনই। স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।জানা যায়, ঘটনার সময় বাড়িতে থাকা গৃহবধূর ওপর হঠাৎ হামলা চালায় অভিযুক্ত। মায়ের চিৎকার শুনে মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয়। তাদের আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে হামলাকারীকে আটক করেন।পরে আহত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৮ ঘন্টা আগে

শিল্প ও বানিজ্য

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হা'মলা গু'লিবিদ্ধ-৫০আ'হত শতাধিক

*ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশের হামলা: গুলিবিদ্ধ- ৫০, আহত- শতাধিক*ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে ব্যাংক লুটেরা এস আলমের লোকজনকে পূর্ণবাসন ও বোর্ড মিটিং ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে আওয়ামী দোশর খুরশিদ আলমকে চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রতিবাদে আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে ব্যাংকটির হাজার-হাজার গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। গ্রাহকদের এই শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে পুলিশ অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে টিয়ারসেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং ব্যপক লাঠিচার্জ করে। এতে শতাধিক গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার আহত হোন এবং প্রায় ৫০ জন গ্রাহক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।সরেজমিনে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ১০ টায় ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জলকামান, এপিসি কার সহ মারমুখী অবস্থান গ্রহণ করে। সকাল ৯-৩০ মিনিটে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং এলোপাতাড়ি লাঠিচার্জ করতে থাকে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। এসময় পুলিশের হামলায় ৫০ জন গুলিবিদ্ধ সহ শতাধিক গ্রাহক আহত হয়। পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে হাজার হাজার ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আবারও সংগঠিত হয়ে মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান গ্রহণ করে। ফলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ ও সাধারণ গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করে আছে। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নুর নবী মানিক জানান, গত ২৪ মে সরকারের অবৈধ হস্তক্ষেপে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়। ঐদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিতাড়িত সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। সাথে সাথে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা আওয়ামী দোসর ব্যাংক লুটেরা এস আলমের তল্পিবাহক খুরশিদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান এবং এমডি ওমর ফারুক খানকে স্ব পদে বহাল করার আহ্বান জানান। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের দাবি উপেক্ষা করে এস আলম গ্রুপের লোকজনকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের দিকে এগিয়ে যায়। এরই প্রতিবাদে আজ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে গেলে সরকারের নির্দেশে পুলিশ জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করতে থাকে। এসময় তিনি আরও জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারের একটি অংশ পতিত আওয়ামী দোসর এস আলম গ্রুপকে ইসলামী ব্যাংকে পূর্ণবাসনের চেষ্টা করে আসছে। এর প্রতিবাদে গত ২৪ মে সারাদেশে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি শাখার সামনে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু সরকার ইসলামী ব্যাংকে নগ্ন হস্তক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকটে রয়েছে। ব্যাংকে কোনো টাকা নেই। গ্রাহকেরা চেক দিয়ে টাকা উত্তোলন করতে পারছে না এমনকি এটিএম বুথেও টাকা পাওয়া যায় না। ইসলামী ব্যাংক ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের পক্ষে থেকে তিনি দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ও মালিকদের নিকট ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ প্রদান করতে হবে।  বার্তা প্রেরক(মোতাছিম বিল্লাহ) সেক্রেটারি ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ।

ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়। / ভোজ্যতেলের দাম আবারও বাড়ল—লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি

দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা। নতুন এই মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা আসে বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে, যেখানে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেল আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক দামের ওঠানামা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং হঠাৎ সংকট তৈরি না হয়।সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বাজারে তেলের সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজার তদারকি জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী, যাতে নির্ধারিত দামের বেশি দামে বিক্রির কোনো সুযোগ না থাকে।তবে নতুন এই দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে চাপে থাকা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য এই বৃদ্ধি আরও কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে রান্নার প্রধান উপকরণ হিসেবে সয়াবিন তেলের বিকল্প সীমিত হওয়ায় অনেক পরিবারকেই বাড়তি খরচ বহন করতে হবে।সরকারি পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম না কমা পর্যন্ত দেশে তেলের দামে স্থিতিশীলতা আসা কঠিন হতে পারে। ফলে আপাতত ভোক্তাদের এই বাড়তি দামের সঙ্গেই খাপ খাইয়ে নিতে হতে পারে।

জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। / রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিংএক দশকের দীর্ঘ প্রস্তুতি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জটিল প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পর অবশেষে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে আজ বিকালে শুরু হচ্ছে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং কার্যক্রম—যা দেশের জ্বালানি খাতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।গত ১৬ এপ্রিল পরমাণু চুল্লিতে জ্বালানি প্রবেশ বা কমিশনিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পাওয়া যায়। এরপর থেকে সব ধরনের কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। অবশেষে আজ সেই প্রতীক্ষিত কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, যার মাধ্যমে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।এদিকে এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উপস্থিতিও থাকছে। কেন্দ্রটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোসাটম-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে সকালে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, তিনি ঢাকায় এসে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।এরপর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হেলিকপ্টারে রূপপুর প্ল্যান্টে গিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বিকালেই শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম লোডিং, যা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

রূপপুরে ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আজ শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং

আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। / ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

দেশে কাঁচামরিচের দাম যখন ২৫০–৩০০ টাকায় পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় ভারত থেকে আমদানিকৃত মরিচের দাম কাগজে দেখানো হয়েছে মাত্র ২৮ টাকা কেজি—এমন তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে। একইভাবে আপেলের আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৩ টাকা কেজি, যা আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। এই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সন্দেহ করছে, এখানে “আন্ডার-ইনভয়েসিং” (কম দাম দেখিয়ে আমদানি) করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে বিদেশে অতিরিক্ত অর্থ পাচার হতে পারে। তদন্তে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে প্রায় ২৩১টি এলসি খুলে প্রায় ১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি দেখিয়েছে, যার মোট মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এসব পণ্য আমদানি দেখানো হয়েছে, তারা মূলত শাড়ি ও গহনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, কৃষিপণ্য নয়। এতে পুরো আমদানির সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর (স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়ার ও ইসলামী ব্যাংক) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেছেন, সব আমদানি বৈধভাবে করা হয়েছে এবং কম দামের কারণ হিসেবে তিনি নিম্নমানের পণ্য, পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার বিষয় উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, ঘটনাটি এখন একটি গুরুতর অর্থনৈতিক অনিয়ম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাজারদর, আমদানির ঘোষিত মূল্য এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। / ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ জোরদার করতে প্রায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’ বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার টনের বেশি জেট ফুয়েল রয়েছে, যা দেশের বিমান চলাচলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জাহাজটির গভীরতা বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে ছোট জাহাজের (লাইটার) মাধ্যমে ধাপে ধাপে তেল খালাস করা হচ্ছে। আংশিক খালাসের পর জাহাজটি জেটিতে আনা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পরিমাণ জেট ফুয়েল দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের মতো চাহিদা পূরণ সম্ভব। এদিকে একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাইওয়ান থেকে আরও কয়েকটি বড় জাহাজ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা মিলছে এবং আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে। সার্বিকভাবে, একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজের আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। / আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বারছেএর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশিএই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বাড়ে। এর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।দেখার বিষয়।

আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

ভূরুঙ্গামারীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে স্কুল মাঠে ‘পিয়ার টু পিয়ার’ সেশন অনুষ্ঠিত

ভূরুঙ্গামারীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে স্কুল মাঠে ‘পিয়ার টু পিয়ার’ সেশন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয় কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, জেন্ডার সহিংসতা রোধ এবং শিশু অধিকার রক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক ব্যতিক্রমী ‘পিয়ার টু পিয়ার’ (সমবয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়) সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সেশনের আয়োজন করা হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমৃত দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান আলোচক এবং অন্যতম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা ও নেতৃত্ব দিয়ে অনুষ্ঠানটিকে সফল করে তোলেন। বাল্যবিয়ে মুক্ত সমাজ গঠনে নারী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য উপস্থিত সকলের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এএস খোকন এবং সাংবাদিক বৃন্দ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের সুপারভাইজার আবুল হোসেন।অপরাজেয় বাংলাদেশের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সমন্বয়কারী মোমেনা খাতুনের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় সেশনে শিশু কারা, শিশুর বয়স ও অধিকার, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের আইনি ও সামাজিক উপায়, জেন্ডার সহিংসতা, শিশু নির্যাতন, বাল্যবিবাহের কুফল এবং জরুরি হেল্প ডেস্ক নম্বরসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ বলেন, "এই পিয়ার টু পিয়ার সেশনের মাধ্যমে সমপর্যায়ের বা সমবয়সী অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মধ্যে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও কৌশল বিনিময় করে বাল্যবিয়েসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। এতে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।" তিনি আরও জানান, আগামী মাস থেকে সকল কিশোর-কিশোরীদের নিয়ে এই সেশনগুলো সরাসরি কমিউনিটি পর্যায়ে আয়োজন করা হবে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’ স্পেস টু লিড প্রজেক্টের কর্মীবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী এবং স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নূর আলম সিদ্দিকী শান্ত ও সানজিদা রায়ান সাধনা উপস্থিত ছিলেন।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !