৯নং চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন: মাদক ও জুয়ামুক্ত আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার **নিজস্ব প্রতিবেদক, :** কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৯নং চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়ন শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৩১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী মোঃ আলাউদ্দিন মন্ডল ও সদস্য সচিব প্রভাষক মোঃ শহিদুল ইসলাম আকন্দ এই কমিটির স্বাক্ষরকৃত অনুমোদন প্রদান করেন। নবনির্বাচিত এই কমিটিতে **মোঃ আবুল কাশেমকে** আহ্বায়ক এবং **মোঃ মতিয়ার রহমানকে** সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। ### নেতৃবৃন্দের বিশেষ অঙ্গীকার ও জনগণের প্রতি বার্তা কমিটি গঠনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মোঃ আবুল কাশেম বলেন, *"আলহামদুলিল্লাহ, দল আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছে, আমরা তা আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা স্পষ্ট ঘোষণা দিচ্ছি—এই ইউনিয়ন থেকে মাদক ও জুয়া নির্মূল করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না।"* সদস্য সচিব মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, *"আমরা সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই। শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা একটি আলোকিত সমাজ গড়তে চাই। বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা আমাদের অগ্রাধিকার। কোনো সাধারণ মানুষ যেন প্রশাসনিক বা সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে আমাদের তীক্ষ্ণ নজর থাকবে।"* ### জনকল্যাণে নতুন প্রতিশ্রুতি কমিটির পক্ষ থেকে সামাজিক উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়: * **মাদক ও জুয়া নির্মূল:** ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডকে মাদক ও জুয়ামুক্ত করতে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে কোনো আপস করা হবে না। * **শিক্ষার মানোন্নয়ন:** চরাঞ্চলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে বিএনপি। * **ইনসাফ কায়েম:** গ্রাম্য সালিশে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হবে না। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ যেন ন্যায্য বিচার পায় তা নিশ্চিত করা হবে। * **দুর্নীতি ও হয়রানি রোধ:** সরকারি-বেসরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ যেন দালালের খপ্পরে না পড়ে, সে বিষয়ে কমিটি অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে। * **সামাজিক ঐক্য:** রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুলে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের উন্নয়নে সবাইকে সাথে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ও মানবিক সমাজ গঠন করাই হবে এই কমিটির মূল লক্ষ্য। পরিশেষে, নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আশা করছেন, এই শক্তিশালী কমিটির মাধ্যমে ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটবে।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে—এই সিদ্ধান্তটি ইচ্ছাকৃত নয়, বরং পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়েই নেওয়া হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের ওপর। আগে সরকার ভর্তুকি দিয়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করলেও, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ভর্তুকি দেওয়া অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। ফলে টেকসই সমাধানের জন্যই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই মূল্যবৃদ্ধি সাময়িক চাপ সৃষ্টি করলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎস, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।তবে বাস্তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনে পড়তে শুরু করেছে। পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।এ অবস্থায় সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে মূল্য পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে আপাতত আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যৌক্তিক বলে মনে করছে সরকার।
বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দেশের জ্বালানি দামের যে পার্থক্য তৈরি হয়েছিল, তা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়কে তারা বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।সমিতির নেতারা বলছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশে তা অনেক সময় সমন্বয় করা হতো না, ফলে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের মিল থাকত না। এতে পেট্রোল পাম্প মালিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট খাতের অন্যান্য অংশীদাররাও আর্থিক চাপে পড়তেন। নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে তারা আশা করছেন।তাদের মতে, জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। এতে করে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক থাকবে এবং হঠাৎ করে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। বিশেষ করে, পাম্প পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি বা অনিশ্চয়তা তৈরি না হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ—এ দিক থেকেও এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।তবে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি স্বীকার করেছে, এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কষ্টের কারণ হতে পারে। পরিবহন ব্যয় বাড়ার মাধ্যমে এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপরও পড়তে পারে। তারপরও তারা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এই বাড়তি খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সরকার যদি পরিবহন খাত ও নিত্যপণ্যের বাজার তদারকি জোরদার করে, তাহলে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও বিকল্প জ্বালানির দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকতেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।সব মিলিয়ে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, এর প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, সেদিকেও সমানভাবে নজর দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে সরকার এখন তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের মজুদ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। তাঁর ভাষায়, এই মজুদ দিয়ে দেশের স্বাভাবিক চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ওঠানামা করলেও বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত। সরকার সময়মতো আমদানি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করার কারণে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি অনেকটা কমে এসেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিবেচনায় অন্তত প্রায় দুই মাসের জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যা একটি নিরাপদ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু আমদানি নির্ভরতা নয়, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অপচয় কমানো, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বিকল্প জ্বালানি উৎস নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প উৎপাদনের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে। পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে জ্বালানির ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।সবশেষে তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই খাতে আরও বিনিয়োগ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় প্রতি মণ ইলিশের দাম ৩ লাখ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। আর ইলিশের দাম এত অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে এবারের বর্ষবরণের ইলিশ।সরে জমিনে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ও তার আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের মাছের আড়তগুলোতে ইলিশের দাম অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আড়তদাররা জানায় এর মূল কারণ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত পাইকাররা। তাদের কারনেই ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৬০০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।অন্যদিকে, ৪শ' থেকে ৬শ' গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪শ থেকে ২ হাজার ৬শ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মতো।স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।অন্যদিক, স্থানীয় মাছের আড়তদার ও খচরা ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু জেলে সাগর থেকেও ইলিশ এনে মতলবের আড়ত ও বাজারে বিক্রি করছেন।আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।আড়তদাররা জানান, নববর্ষের পর ইলিশের দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছেমালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই ট্যাংকারগুলো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে নোঙর করবে। সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।বন্দর সূত্র জানায়, নতুন এই সরবরাহ দেশের জ্বালানি সঙ্কট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অকটেন মূলত যানবাহনের জন্য, আর ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। পূর্ববর্তী কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ওঠানামার কারণে দেশে যোগান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ প্রবেশ ও খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহ সরকারের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।সরবরাহের পরে জ্বালানি তেল বিতরণ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের নিয়মিত আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি।
মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একটি ফুয়েল ট্যাংকার Shan Gang Fa Jian এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দর–এর বহির্নোঙরে। শুক্রবার রাতে জাহাজটি বঙ্গোপসাগর–এর কুতুবদিয়া উপকূল এলাকায় নোঙর করে। ⛴️স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস–এর ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর এটি ডিজেল নিয়ে আসা দশম জাহাজ।কী পরিমাণ জ্বালানি আছেজাহাজটিতে রয়েছে ৩৪ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেলএর মধ্যে ৫–৬ হাজার টন ডিজেল বহির্নোঙরে ছোট জাহাজে খালাস (লাইটারিং) করা হবেঅন্তত দুই ট্রিপে এই লাইটারিং সম্পন্ন করা সম্ভবলাইটারিং শেষ হলে রবিবার জাহাজটি পতেঙ্গা ডলফিন জেটি–তে ভিড়বে। সেখানে বাকি ডিজেল খালাস শেষে ট্যাংকারটি ফিরে যাবে। ????এর আগে শুক্রবারই আরও ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছিল, ফলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ⚡মালয়েশিয়া থেকে নতুন চালানমোট ~৩৪ হাজার টন ডিজেলআংশিক লাইটারিং বহির্নোঙরেরবিবার জেটিতে পূর্ণ খালাস