ডি এস কে টিভি চ্যানেল
কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জ'ব্দ

জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। / কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জ'ব্দ

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষে'ধাজ্ঞা জারি

জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভ'য়াবহ হামলা: নি'হত ৫, আ'হত বহু

পরাজিত হয়েছেন আলোচিত যেসব প্রার্থী

প্রতিমন্ত্রীর গানম্যানের বে'পরো'য়া তা'ণ্ডব: সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হু'মকি।

১০

দেড় বছর পর না ফেরার দেশে আরও এক জুলাই যো'দ্ধা

জনপ্রিয় সব খবর

কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জ'ব্দ

মুফতি আমির হামজার বিরু'দ্ধে ১০০ কোটি টাকার মা'নহানি মাম'লা

মার্কিন সেনাদের ওপর ‘আ'গুনের বৃষ্টি’ ঝরানোর অপেক্ষায় ইরান

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

মতলবে খামারশ্রমিক হ'ত্যা, সীমান্ত থেকে হ'ত্যাকারী গ্রে'প্তার

যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে ‘আকর্ষণীয় প্রস্তাব’ দিয়েছে: ক্রেমলিন কর্মকর্তা

গোপালগঞ্জে চাঁদা'বাজি মাম'লায় শীর্ষ স'ন্ত্রাসী রাসেলের ৫ বছরের কা'রাদণ্ড ⚖️

৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

ঈদযাত্রায় দুর্ঘ'টনায় ৩৯৪ প্রাণহানি, সবচেয়ে বেশি সড়কে

১০

পারমাণবিক কর্মসূচি না ছাড়লে ‘ইরান থাকবে না’— ট্রাম্পের হুঁশি'য়ারি

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

জমি বন্টন নিয়ে ছেলে নিজ  মা বোনকে মে'রে মেডিকেলে ভর্তি

জমি বন্টন নিয়ে ছেলে নিজ মা বোনকে মে'রে মেডিকেলে ভর্তি

জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে মনোমালিন্য তারপর ছেলের  পিটুনিতে  মা  ও বোন মেডিকেলে ভর্তি। ২২ মার্চ( রবিবার)  বগুড়ার শিবগঞ্জের  মোকামতলা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।  সত মা ও বোনের সাথে জমির অংশ ভাগবাটোয়ারা নিয়ে অসন্তুষ্ট দুই ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), আপেল মিয়া (৩২) বৃদ্ধ সত মা(৬০) ও বোনকে (২৯)  মারধর করে। এতে মায়ের মাথা ফেটে গুরুতর আহত হলে গ্রামবাসী তাদেরকে  উদ্ধার করে শহীদ জিয়া মেডিকেলে ভর্তি করে।  জানা যায়, ঈদের পরদিনে দুপুর ১২ টায় দফায় দফায়  পিটুনিতে সত মা, বোন,ভাই,ছোট ভাগনেকে ইচ্ছে মতো নির্যাতন করতে থাকে। গ্রামবাসী বাঁধা দিলেও  তারা শুনে না। ঘটনা ঘটার পরে আইনের আশ্রয় নিতে যেতে ও বাঁধা প্রধান করে বলে জানা যায়। গ্রামবাসী জানায়, অন্যায়ভাবে এমন নির্যাতন অমানবিক একটি ঘটনা।  তারা চায় এমন অমানবিক ঘটনা যেন সমাজে না ঘটে। শিবগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগী মা বোন আইনের আশ্রয় চেয়ে জিডি করেছে।  

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধনআজ (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বনানী এলাকার কে ব্লক, ২৪ নং রোডের ১৮ নম্বর ভবনে একটি ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করেছেন **বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (BAWA) প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান। ???? এই ক্লিনিকটি বিশেষভাবে প্রাণীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য খোলা হয়েছে। ???? বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাণী ও প্রকৃতির সুরক্ষা, আহত ও অসুস্থ প্রাণীর চিকিৎসা ও উদ্ধারকাজে কাজ করছে এবং ঢাকা শহরে প্রাণীর জন্য বিনামূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পরিচালনা করছে। ???? সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, এই ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাণীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং সাধারণ মানুষকে প্রাণী রক্ষায় আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার উদ্দেশ্য রয়েছে।???? উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মীরা বলেন, “দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারা প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করবে।এটি বনানীর প্রাণীপ্রেমীদের জন্য আনন্দের সংবাদ এবং আহত, অসুস্থ বা বনজ প্রাণীদের চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

প্রেস বিজ্ঞপ্তিবরাবর ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বার্তা সম্পাদক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সুদৃঢ় সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সুস্থ জনগোষ্ঠীই পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কিন্তু ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা ব্যয় আমাদের জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয় ব্যক্তির সারাজীবনের সঞ্চয় এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা খাতে খরচ করে অনেক পরিবারই নি:স্ব হয়ে যাচ্ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আমাদের জীবনাচার ও খাদ্যাভাসে পরিবর্র্তনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা জরুরি। এই বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টসহ ২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে“কনফারেন্স অন হেলথ প্রমোশন -২০২৬” শীর্ষক একটি অনলাইন কনফারেন্স আয়োজিত হতে যাচ্ছে। উক্ত কনফারেন্সের আলোচ্য বিষয়বস্তু এবং লক্ষ্য - উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ১১.০০ টায় ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর কৈবর্ত সভাকক্ষে একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান এর সঞ্চালনায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র বণিক। অনলাইনে আরো যুক্ত ছিলেন, খুলনার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি রয় এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী হেলাল আহমেদ।উল্লেখ্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এবং ১৪ টি সংগঠন ও ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে ভার্চুয়াল কনফারেন্সটি আয়োজন করা হবে।ধন্যবাদান্তেগাউস পিয়ারীপরিচালকওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট

গা

গা"জায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়া'বহ ভাই'রাস, নজি'রবিহীন স্বাস্থ্য বিপ'র্যয়

গাজায় ভাইরাস সংক্রমণ ও স্বাস্থ্য✔️ গাজায় দ্রুত ছড়াচ্ছে এমন এক ধরনের শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস সম্পর্কে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।✔️ এই ভাইরাসটি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ সৃষ্টি করছে এবং মৃত্যুও ঘটাচ্ছে।✔️ এটি কোভিড-১৯ বা সাধারণ মৌসুমী সর্দি/ফ্লু বিশেষভাবে শনাক্ত করা হয়নি — বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী এটি অপরিচিত বা ভিন্ন ধরনের ভাইরাস হতে পারে কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্ট এখনও নিশ্চিত করা যাইনি। লক্ষণসমুহ:উচ্চ জ্বরঅত্যধিক ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টকাশি ও ফুসফুস জ্বালাপেট ও ডায়রিয়াগুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া পর্যন্ত progression হচ্ছে।✔️ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রচলিত শ্বাসনালীর ঔষধ কার্যকর হচ্ছে না। ???? স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন:উচ্চ সংক্রমণ এবং রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, অপর্যাপ্ত টিকাদান, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও বেসামরিক স্বাস্থ্য পরিবেশ দুর্বল অবস্থায় থাকা। ???? গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন কী অবস্থায়?গাজার প্রধান হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ প্রচণ্ডভাবে বাড়ছে।অনেক ক্ষেত্রে মানুষ ICU বা পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছে।হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা-ডায়াগনস্টিক সুবিধা সীমিত আছে, ফলে ভাইরাসের প্রকৃত কারণ পরিচয় করা যাচ্ছে না.শ্বাসনালীসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের বড় ঘাটতি চলছে। ????‍????‍???? কে সবচেয়ে ঝুঁকিতে????? শিশুরা, বয়স্ক লোক এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন যারা – তাদের মধ্যে মৃত্যু ও গুরুতর জটিলতার হার সবচেয়ে বেশি.???? তেমনকি যারা ইতোমধ্যেই অপুষ্টিকর পরিবেশে বসবাস করছেন, তারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। ???? কারণ ও পটভূমিইসরায়েলি অবরোধ ও যুদ্ধ চালিয়ে আসায় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপকরণের প্রবেশ ধারণাতেই কঠিন পরিবেশে রয়েছে।শীতল আবহাওয়া, ভাড়া-শিবিরের ভিড়, খোলা-বর্জিত বাসস্থান এবং অপুষ্টি পরিস্থিতি ভাইরাসের বিস্তারকে আরও সহজ করছে। ???? কি এটা বিশেষভাবে নতুন ও প্রাণহানি বেশি করে এমন ভাইরাস?এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা বা বৈজ্ঞানিক সংস্থা নির্দিষ্টভাবে কোন নতুন ভাইরাসের নাম বা পরিচয় শনাক্ত করে আলোকপাত করেনি — অর্থাৎ “নতুন ভাইরাস” বলে দাবি করা হলেও এই ভাইরাসের *জেনেটিক বা বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।“Unidentified severe respiratory outbreaks” হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রকাশিত তথ্য। �

বিশেষ প্রতিবেদন

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুমকির মুখে পড়বে — শিশির মনির ????মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করা হলে দেশের নির্বাচিত সংসদ আইনগত জটিলতার মুখে পড়তে পারে। তিনি দাবি করেন, গণভোট অধ্যাদেশ এবং জাতীয় নির্বাচনের তফসিল পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত—তাই একটি বাতিল হলে অন্যটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে হাইকোর্ট ভবন-এর এনেক্সের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-সমর্থিত আইনজীবীরা।গণভোট ও সংসদের বৈধতা নিয়ে সতর্কবার্তা ⚖️শিশির মনির বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচন সংক্রান্ত কাঠামো তৈরি হয়েছে। যদি সেই অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়, তাহলে নির্বাচনের আইনি ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর ফলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা আদালতে চ্যালেঞ্জ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।সরকারের বিরুদ্ধে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ ????সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তার দাবি অনুযায়ী, ২০টিরও বেশি অধ্যাদেশ কার্যকর না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।তিনি যেসব অধ্যাদেশের কথা উল্লেখ করেন, তার মধ্যে রয়েছে—গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশদুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার অধ্যাদেশমানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশসুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশতার মতে, এসব অধ্যাদেশ দেশের বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।সরকারের প্রতি আহ্বান ????শিশির মনির সরকারকে এসব অধ্যাদেশ বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংস্কারমূলক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করলে জনগণের আস্থা বাড়বে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।সম্ভাব্য প্রভাব কী?বিশ্লেষকদের মতে, গণভোট সংক্রান্ত আইনি কাঠামো নিয়ে বিতর্ক বাড়লে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে।সারসংক্ষেপ:গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে২০টির বেশি সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করার অভিযোগসরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বানসম্ভাব্য রাজনৈতিক ও আইনি অস্থিরতার সতর্কতাএই বক্তব্য এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামনে আরও বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৮ ঘন্টা আগে

কোটি টাকা খরচে নির্বাচনী লড়াই, অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী

২৯ মার্চ ২০২৬

হারানোর বেদনায় প্রতিটি পরিবারে চলছে আহাজারি। / ভূমধ্যসাগরে প্রাণ হারানো সুনামগঞ্জের ৬ যুবকের পরিচয় নিশ্চিত

২৯ মার্চ ২০২৬

২২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রিস কোস্টগার্ড। / ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবি: ভূমধ্যসাগরে ২২ জনের মৃ/ত্যু, ২১ বাংলাদেশি জীবিত উদ্ধার

২৮ মার্চ ২০২৬

যাত্রাবাড়ীতে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার / যাত্রাবাড়ীতে সাংবাদিকের ওপর হাম'লার মর্মান্তিক পরিণতি ছেলের র'ক্তাক্ত মুখ দেখে মায়ের মৃ'ত্যু

২৮ মার্চ ২০২৬

অপরাধ ও দুর্নীতি

কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জ'ব্দ

জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। / কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জ'ব্দ

???????? কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।কী জানা গেছে ????সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালায় বিজিবিজব্দ করা পণ্যগুলো ভারত থেকে চোরাইপথে আনা হচ্ছিলপণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকাপণ্যগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য ও বাণিজ্যিক সামগ্রী রয়েছেবিজিবির বক্তব্য ????বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।পরবর্তী ব্যবস্থা ⚖️জব্দ করা পণ্যগুলো স্থানীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্তও চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।???? সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির অভিযান জোরদার করা হয়েছে, ফলে বড় অংকের পণ্য জব্দের ঘটনা বাড়ছে।

৬ ঘন্টা আগে

শিল্প ও বানিজ্য

কোটি টাকা খরচে নির্বাচনী লড়াই, অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী

কোটি টাকা খরচে নির্বাচনী লড়াই, অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী।নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রচার-প্রচারণা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলকে সমর্থন দিতে ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় করেন এবং দিন-রাত পরিশ্রম করে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।নির্বাচন শেষে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন হুমায়ুন কবির চৌধুরী। পরবর্তীতে চিকিৎসা গ্রহণের পর বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।দলীয় নেতাকর্মীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং নির্বাচনে তার অবদানকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন।তার মানবিক কর্মকাণ্ড; বিশেষ করে দরিদ্র ও আসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শিক্ষা সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরিতে আন্তরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন জনহিতকর বিষয়ে আমরা আরো অবগত রয়েছি।‎‎তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মফস্বল থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ছাত্র, যুব, তরুণ ও সমাজসচেতন মহলে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলে দৃশ্যমান।‎‎সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক মহলে অপতথ্য কিংবা মনগড়া ট্যাগ লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া অন্যায্য ও প্রতিহিংসামূলক তথ্য প্রদর্শিত হওয়ায় উক্ত সমিতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া অন্যায্য ও প্রতিহিংসামূলক তথ্য প্রদর্শিত হওয়ায় উক্ত সমিতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে

বৃহত্তর নোয়াখালী যুব সমিতির একজন উপদেষ্টা জনাব মো: হুমায়ুন কবির চৌধুরী। তথ্যমতে তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে ঢাকায় ব্যবসা বাণিজ্যের সূচনা করেন, যার ফলশ্রুতিতে তিনি আজ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।‎এছাড়া আমরা তাকে একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক হিসেবে ব্যক্তিজীবনে একজন সফল মানুষ হিসেবে জানি। এসব তথ্য বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী এবং ঢাকাস্থ বৃহত্তর নোয়াখালীর বিভিন্ন শ্রেণীপেশার রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন এবং সকল সচেতন নাগরিক অবগত রয়েছে।‎তার মানবিক কর্মকাণ্ড; বিশেষ করে দরিদ্র ও আসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শিক্ষা সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরিতে আন্তরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন জনহিতকর বিষয়ে আমরা আরো অবগত রয়েছি।‎‎তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মফস্বল থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ছাত্র, যুব, তরুণ ও সমাজসচেতন মহলে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলে দৃশ্যমান।‎সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক মহলে অপতথ্য কিংবা মনগড়া ট্যাগ লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।একটি সুশৃঙ্খল ও রুচিশীল সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে বৃহত্তর নোয়াখালী যুব সমিতি বদ্ধ পরিকর। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা সকল পক্ষকে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, কলহের অবসান ঘটানোর প্রতি জোরালোভাবে উদার্ত আহ্বান জানাই।

কিন্তু ফলন ভালো হলেও আনন্দের হাসি নেই কৃষকের মুখে / মতলবে আলুর বাম্পার ফলন, দাম নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

 চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ২ টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নে চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়  আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ফলন ভালো হলেও আনন্দের হাসি নেই কৃষকের মুখে। গতবারের মতো এবারও ক্ষতির দুশ্চিন্তায় চাষীরা। দাম নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ কৃষক। এদিকে আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগারে পর্যাপ্ত জায়গা নেই বলে বেপারীদের জানিয়েছে হিমাগার কর্তৃপক্ষ। হিমাগারে সংরক্ষণ ও আলুর বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ক্ষতি কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর উপজেলার মতলব পৌরসভা, নারায়ণপুর পৌরসভা, উপাধি উত্তর ইউনিয়ন, উপাধি দক্ষিণ ইউনিয়ন, নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়ন, নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন ও খাদেরগাঁও ইউনিয়নে মোট আলু আবাদ হয়েছে ১৯০৭  হেক্টর জমিতে। গড় উৎপাদন হেক্টর প্রতি ২৮  টন। কৃষকরা দিনরাত পরিশ্রম করে  আলু ঘরে তুলছেন। আয়-রোজগার করার লক্ষ্যে রাত-বিরাত আলুভর্তি ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকাপ ও অটো দিয়ে পরিবহন করে হিমাগারে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা।উপজেলার ডিঙাভাঙা, দগরপুর,দিঘলদী, নারায়নপুর, আশ্বিনপুর, খরগপুর, পাঠন, পিতামবর্দ্দি, আধারা, খিদিরপুর, কাজিয়ারা, নায়েরগাঁও এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা এখন খেত থেকে আলু তুলে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেক কৃষক মাঠ থেকেই হিমাগারে সংরক্ষণের জন্য নিয়ে যাচ্ছে।  ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেলেও, দাম নিয়ে রয়েছেন ব্যাপক দুশ্চিন্তায়।  এছাড়াও উপজেলার তিনটি হিমাগারের মধ্যে বর্তমানে দুটি চালু থাকায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়ে বিপাকে কৃষকরা।মতলব দক্ষিণ উপজেলার দগরপুর গ্রামের আলুচাষি বিল্লাল হোসেন  বলেন,আলুর দাম আশানুরূপ নাই। আমাগো পুরা কপাল। কি করমু আমরা? গতবারের লোকসান টা এবার উঠে যাবে ভাবছিলাম। কিন্তু গত বছরের চেয়ে এবার আরও বেশি ক্ষতি হবে। আরেক কৃষক নায়েরগাঁও গ্রামের আলম প্রধান বলেন, আলুর ফলন ভালো হয়েছে। বছরে একবার আলু চাষ করি। এতেই আমাগো সারা বছর সংসার চলে। দিনরাত কষ্ট করছি খেতে। নিজেরা কাজ করছি,অন্যদের দিয়েও করাইছি। অনেক টাকা খরচ হইছে। এখন যদি দাম কম হয় আমাগো অবস্থা কি হইবো?কৃষক বশির মোল্লা,কালু বেপারী, দুলাল বেপারী ও রিহাদ হোসেন বলেন, আমাগো আলুর ফলন ভালো হইছে। পরিশ্রমও করেছি অনেক।এখন দাম ভালো পাইলে আলহামদুলিল্লাহ। মার্শাল কোল্ড স্টোরেজ এর ম্যানেজার জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের এই হিমাগারের ধারণক্ষমতা ১০ হাজার টন এবং উপজেলার নায়েরগাঁ হিমাগারের ধারন ক্ষমতা আমাদের মতোই। হিমাগার প্রায় ভরপুর হয়ে যাচ্ছে।মতলব দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চৈতন্য  বলেন, উপজেলার প্রায় সব এলাকায় বিভিন্ন জাতের আলু উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পোকামাকড় আক্রমণ না করায় আলুর ফলন ভালো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছি।

মতলবে আলুর বাম্পার ফলন, দাম নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। / ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার নির্দেশ

ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার নির্দেশচলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ছুটির দিনেও জ্বালানি সরবরাহ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান ডিপো খোলা রাখা হবে এবং সেখান থেকে নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।সরকারের এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং চলমান সংকটের কারণে পরিবহন ও শিল্প খাতে যাতে বড় ধরনের সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করা।বিপিসি জানিয়েছে, ডিপোগুলো খোলা থাকায় ডিলার ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটির দিনেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে বাজারে জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।জ্বালানি খাতে সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিভিন্ন জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার নির্দেশ

বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। / চীনের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূত

চীনের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূতবাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহায়তা চেয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen।সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী Amir Khasru Mahmud Chowdhury–এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।রাষ্ট্রদূত বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন। তবে বাংলাদেশ ঠিক কী ধরনের জ্বালানি সহায়তা চায়—তা স্পষ্টভাবে জানতে চেয়েছে বেইজিং। তিনি জানান, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে।বৈঠকে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে প্রস্তাবিত Teesta River Comprehensive Management and Restoration Project বাস্তবায়নেও চীনের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্পটি নতুন সরকার এবং চীনের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর একটি। এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রদূত আরও জানান, নতুন সরকার গঠনের পর গত তিন সপ্তাহে অন্তত চারটি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এসব বিনিয়োগ ও প্রকল্প নিয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।

চীনের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূত

রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সংকট / তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে, রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সংকটরাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।শনিবার রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও তেলের সরবরাহ সীমিত, আবার কোথাও পুরোপুরি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক চালকের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার রাত থেকেই তারা তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তাদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।তিনি বলেন, “সাধারণত তিন দিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হয়, গত একদিনেই সেই পরিমাণ বিক্রি হয়ে গেছে। তাই স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।”এদিকে তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক চালক আগেভাগেই তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।তবে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাময়িক চাপের কারণে কিছু এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে খুব দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

ইরানের সামনে আর ‘কোনো পথ খোলা ছিল না’, প্রতিবেশী দেশে হাম'লা প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান

তেহরানের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না। / ইরানের সামনে আর ‘কোনো পথ খোলা ছিল না’, প্রতিবেশী দেশে হাম'লা প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান

উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়া ছাড়া তেহরানের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে দাবি করেন, ইরান বরাবরই যুদ্ধ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজেছে। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার কারণে দেশটি কঠিন নিরাপত্তা সংকটে পড়ে। তার ভাষায়, “আত্মরক্ষার স্বার্থে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।”হামলার প্রেক্ষাপটইরানের দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। তেহরান অভিযোগ করছে, এসব হামলার পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যদিও ওয়াশিংটন ও তেলআবিব আনুষ্ঠানিকভাবে এসব অভিযোগ স্বীকার করেনি।এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।প্রতিবেশীদের প্রতি বার্তাপেজেশকিয়ান তার বার্তায় প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ইরানের লক্ষ্য কোনো আঞ্চলিক দেশকে অস্থিতিশীল করা নয়; বরং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। তিনি উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও সংলাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়াউপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে উত্তেজনা কমাতে সংযমের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কূটনৈতিক তৎপরতা না বাড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।সর্বশেষ পরিস্থিতি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মহল দুই পক্ষকেই উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানাচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ের সামরিক তৎপরতা ও পাল্টাপাল্টি বিবৃতি পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !