হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছালো পঞ্চমবারইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পঞ্চমবারের মতো পিছিয়ে দিয়েছেন আদালত। নতুন করে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত সংস্থা অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক ও সংশ্লিষ্ট আলামত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে সিআইডি সময়ের আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এর আগে চার দফা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারিত হলেও প্রতিবারই তা পিছিয়ে যায়। ফলে মামলার অগ্রগতি নিয়ে নিহতের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।এদিকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও ইনকিলাব মঞ্চ সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বারবার সময় পেছানোয় বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত তারিখে সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবে কি না, সে দিকেই এখন সবার নজর।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
রমজান ঘিরে সুখবর: গরুর মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধের দাম কমাল সরকারপবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে গরুর মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য পেতে পারবে।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রমজানকেন্দ্রিক ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মূল সিদ্ধান্তগুলো:গরুর মাংস: প্রতি কেজি ৬৫০ টাকামুরগির মাংস: প্রতি কেজি ২৫০ টাকাদুধ: প্রতি লিটার ৮০ টাকাডিম: প্রতি টি ৮ টাকাসরকার জানিয়েছে, এসব পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র ও মোবাইল টিমের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করা হবে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য রমজান মাসজুড়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের বাজারভাঙা দর থেকে স্বস্তি দেওয়া।গত রমজানেও সরকার একইভাবে মোবাইল সেলসের মাধ্যমে কম দামে গরু, মুরগি, ডিম ও দুধ বিক্রি করেছিল, যা দেশের বহু মানুষের কাছে সুবিধাজনক হয়েছিল।
বন্দর বিদেশীদের লিজ দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে- স্টুডেন্টস ফর সভরেস্টিনির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে তড়িঘড়ি করে কোন সিন্ডিকেটের স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হাতে কনসেশন চুক্তিতে লিজ দেয়া হচ্ছে এবং সরকারেক অবশ্যই দেশবিরোধী এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে মর্মে হুশিয়ার করেছে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি। চট্টগ্রাম বন্দরের শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন দমাতে সৈরাচারি কায়দায় শ্রমিক নেতাদের ট্রান্সফারসহ সরকারি নির্দেশে নানানভাবে দমন-পীড়নের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করে সংগঠনটি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আজ পহেলা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের একমাত্র বিশ্বমানের কনটেইনার টামিনাল 'নিউমুরিং টার্মিনাল' ইজরাইল-ইন্ডিয়ার ঘনিষ্ঠ পার্টনার আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্কের কাছে কনসেশন চুক্তিতে লিজ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর পূর্বে আওয়ামীলীগ একটি এবং ইন্টেরিম দুইটি এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুর্ভিক্ষ টেনে আনাসহ বাংলাদেশেকে সোমালিয়া-সোমলিল্যান্ড, ইউক্রেন ও সুদান-ইয়েমেন বানানোর চেষ্টা করছে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা।স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির নেতৃবৃন্দ বলেন,১. অন্তবর্তী সরকার বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কেবল 'টার্মিনাল অপারেটর' হিসেবে নয়, বরং আফ্রিকান মডেল অনুসরণ করে ৩০-৪০ বছরের জন্য 'কনসেশনিয়ার' হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তা, দেশীয় নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর বিদেশি কনসেশনিয়ারের নিয়ন্ত্রণে থাকলে অর্থনৈতিক মন্দা, দুর্ভিক্ষ এবং সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে।২. দেশীয় ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম বন্দরে যেখানে প্রতি কন্টেইনারে (TEUs) গড়ে প্রায় ১৬১-১৬৭ মার্কিন ডলার রেভিনিউ পাওয়া যায়, সেখানে বিদেশীদের কাছে কনসেশন চুক্তিতে আনুমানিক ২০-৩০ ডলার পাওয়া যায়, যেটা বছরে শুধু কনটেইনার হ্যান্ডিলিংয়েই কয়েকশো মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হবে দেশের।৩. উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়া ও দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে বিডের সুযোগ না দিয়ে আওয়ামী রেজিমের অনুসৃত পথে অনৈতিকভাবে চুক্তি সম্পাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে।৪. সিঙ্গাপুর পোর্টের মত চট্টগ্রাম বন্দরকে আমরা একটি রিজিয়নাল হাব বানাতে চাই। কিন্তু ডিপি ওয়ার্ল্ড, এপিএম টার্মিনালস, মেডলগ- এরা কখনই চায় না বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর রিজিয়নাল হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। রিজিয়নাল হাব হতে বাধা দিতেই দেশী-বিদেশী লবিস্টরা চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশী সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিতে চাচ্ছে।৫. ডিপি ওয়ার্ডের কাছে এনসিটি লিজ দেয়া ভারত-ইজরাইলের 'আইমেক করিডর' পরিকল্পনার অংশ। এতে একবার যুক্ত হয়ে গেলে চট্টগ্রাম বন্দর ইজরাইল-ইন্ডিয়ার সিন্ডিকেট থেকে আর বের হতে পারেবে না। এছাড়া 1202 (I ndi a, Israel, UAE, USA) মাস্টিলেটেরাল চুক্তির থাকায় ডিপি ওয়ার্ডের হাতে চট্টগ্রাম বন্দর চলে গেলে মাল্টিলেটেরাল পার্টনার হিসেবে আরব আমিরাতের ঘণিষ্ঠ মিত্র ভারত, ইজরাইল ও আমেরিকার পরোক্ষ উপস্থিতি, প্রভাব ও তাদের বাগেইনিং পাওয়ার আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরে নিশ্চিত হবে, যা বাংলাদেশের সাবভৌমত্বকে যে কোনো মুহূর্তে ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে।৭. সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বন্দরও বিদেশিরা চালায়' মর্মে প্রোপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে, অথচ বাস্তবে সিঙ্গাপুরের একটি কন্টেইনার টার্মিনালও বিদেশি অপারেটররা চালায় না। এমনকি ভিয়েতনামে কোনো টার্মিনাল এককভাবে কোনো বিদেশি কোম্পানিকে দেয়া হয় নি। এককভাবে বিদেশীদের দেয়া হয়েছে মূলত আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোতে।অতএব, সরকারকে অবশ্যই নিউমুরিং টার্মিনালকে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে লিজ প্রক্রিয়া থেকে অনতিবিলম্বে ফিরে আসতে হবে। নইলে তীব্র আন্দোলনের মুখোমুখি হতে হবে সরকারকে ইনশায়াল্লাহ।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির আহবায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক, যুগ্ম আহবায়ক মুহিউদ্দিন রাহাত, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, জুবায়েদুল ইসলাম শিহাব, জাবির বিন মাহবুব, আল আমিনসহ আরো অনেক শিক্ষার্থী।বার্তা প্রেরক,মো: সাইফুল ইসলামদপ্তর সদস্য, স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি।
৩০ জানুয়ারি ২০২৬প্রেস বিজ্ঞপ্তি *চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গ্রিন ও ক্লিন টাউনে রূপান্তর করা হবে - নূরুল ইসলাম বুলবুল*• কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে উত্তরবঙ্গের বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে - আধুনিক চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে ব্যাপক কর্মসূচি জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এমপি প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুলের। ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গ্রিন ও ক্লিন টাউনে রূপান্তর করা’- হবে উল্লেখ নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ হবে সবুজায়নের নগরী। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গ্রিন টাউনের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ক্লিন টাউনেও রূপান্তর করতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ নিমূলের মাধ্যমে সুখি-সমৃদ্ধ আধুনিক ক্লিন টাউন হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে একটি নিরাপদ ও মানবিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের পদ্মাপাড়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যসহ নারী–পুরুষ, হিন্দু–মুসলিম, কৃষক–শ্রমিক, প্রবাসী, সাংবাদিক, ডাক্তার, ছাত্র শিক্ষক ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৪.৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে প্রথম কাজ হবে ‘‘আত্মসামাজিক অবস্থানের পরিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দারিদ্র্যপীড়িত জেলার পরিবর্তন করে স্বনির্ভর চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে তোলা’, ‘প্রযুক্তি নির্ভর চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইসিটি ও ভিশন ২০৪০’, ‘শিল্প ও বাণিজ্য নগরীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ’, ‘সুশাসনের লক্ষ্যে স্বচ্ছ ও সেবামূলক প্রশাসন’, ‘সামাজিক নিরাপত্তায় নিরাপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে তোলা’, ‘চিকিৎসা সেবা স্বাস্থ্য ও মানবকল্যাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং চর অঞ্চলবাসীর জন্য নৌ-অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করা’, ‘ দিয়ার ও চর অঞ্চলকে নিয়ে দিয়ার উপজেলা গঠন’, ‘কর্মজীবি মহিলাদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা’, ‘আন্তঃনগর ও শাটল ট্রেন বৃদ্ধি করা; রেল স্টেশন আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ করা’, ‘ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করে বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিতকরণ’, ‘পদ্মা ও মহানন্দা নদীর তীরে রিভার ড্রাইভ নির্মাণ এবং পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা’, ‘যুবকদের বেকারত্ব দূরীকরণে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণের বিষয় ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা’, ‘নদী ভাঙ্গনরোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও সার্কেল রোড তৈরি করে শহরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন’, ‘ মা ও শিশু হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন’, ‘মসজিদ ভিত্তিক মক্তব ব্যবস্থা কার্যকর করা, বয়স্ক নারী-পুরুষের কুরআন শিক্ষা এবং মার্কেটে নারীদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা রাখা’, ‘কর্মসংস্থানের জন্য ম্যাংগো ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠা ও কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে উত্তরবঙ্গের বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা’, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথা, কুটির শিল্প, কাঁসা-পিতল শিল্প, তাঁতশিল্প ও মৃৎশিল্পসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করা’, ‘মেডিকেল কলেজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা’, ‘চরাঞ্চলে পশুপালনে সহযোগিতার জন্য পশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা’, ‘গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তার লক্ষ্যে শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গঠন’, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন, বজ্য অপসারণ ও মশা নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন’, ‘প্রবাসীদের সহযোগিতায় প্রবাসী কল্যাণ কেন্দ্র গঠন’, ‘ইউনিয়ন ভিত্তিক উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সেবার মান উন্নয়ন এবং আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন’, ‘জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ন্যায্য অধিকার ও নিারপত্তা নিশ্চিত করা’, ‘গ্রামীন অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ”। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ইশতেহার শুধুমাত্র ঘোষণা নয়, বাস্তবায়ন করাই তাঁর মূখ্য উদ্দেশ্যে। এসময় তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী মুখে যা বলে কাজে তার পরিণত করে। যেটি করতে পারবে না জামায়াতে ইসলামী সেটি কখনো বলে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান, জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান, জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক আবু বকরসহ জেলা, উপজেলা এবং পৌরসভার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বার্তা প্রেরক(আবদুস সাত্তার সুমন)সহকারী প্রচার সম্পাদকঢাকা মহানগরী দক্ষিণবাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দেশের সকল মহিলাকে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা তারেক রহমানেরবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের সকল মহিলাকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে দেশের সকল কৃষকের জন্য একটি করে কৃষি কার্ড চালু করা হবে।তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা এবং কৃষকদের সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হবে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও বিভিন্ন সামাজিক সুবিধা পেতে সক্ষম হবেন বলে জানান তিনি।তারেক রহমান আরও বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে কৃষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার ও প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কৃষি কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষকদের সার, বীজ, কৃষি উপকরণ ও অন্যান্য সরকারি সহায়তা স্বচ্ছভাবে বিতরণ করা যাবে।তিনি দাবি করেন, এই কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থাপনা দুর্নীতি কমাতে সহায়ক হবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা সরাসরি সুবিধা পাবেন। একইসঙ্গে এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের নারী ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যয় বাড়ল সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকাপাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় নতুন করে প্রায় ২৫,৫৯২ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়েছে। পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এই তথ্য জানিয়েছেন। ???? মূল তথ্যসমূহ:• রূপপুর প্রকল্পের পূর্বনির্ধারিত ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। তা ২৫,৫৯২ কোটি টাকা বাড়িয়ে এখন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা হয়েছে। �• ব্যয় বৃদ্ধির পুরো অর্থ প্রকল্প ঋণ থেকে সংগ্রহ হবে; ফলে ঋণের বোঝা বাড়বে। • এই প্রকল্পে সরকারের অংশীদারিত্ব কমেছে: সরকার আগে যে অর্থায়ন দিত, দ্রুত হিসাব পরিবর্তনের কারণে তা কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে এবং তা ঋণের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। �• একনেক সভায় মোট ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি অন্যতম। ???? কারণসমূহ ও প্রেক্ষাপট:পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে টাকার বিপরীতে ডলারের দর বাড়া এবং এর প্রভাবে আমদানি কার্যক্রমে খরচ বেড়ে যাওয়া। এতে প্রকল্পের স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব পরিবর্তিত হয়েছে—যদিও প্রকৃত বৈদেশিক (ডলার) ব্যয় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ???? সময়সীমা:রূপপুর প্রকল্পের সম্পাদনার সময়সীমা আগের পরিকল্পনার তুলনায় আড়াই বছর বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ???? প্রকল্প সম্পর্কে:রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সেখানে দুটি ইউনিটে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, রাশিয়ার সহযোগিতায়।
রাশিয়া ৩০,০০০ টন সার উপহার দিলো বাংলাদেশঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ — রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর আওতায় বাংলাদেশকে ৩০,০০০ টন পটাশ সার (Muriate of Potash) বিনামূল্যে উপহার হিসেবে দিয়েছে। এই সারটি সরবরাহ করেছে রাশিয়ার শীর্ষ সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উরালকেসোমবার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) মিলনায়তনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই সার হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি. খোজিন, এবং WFP‑র ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডেভিড থমাসসহ অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।???? উপহারের উদ্দেশ্য ও গুরুত্বরাশিয়া এই সার বন্ধুত্ব, আন্তর্জার্তিক সহযোগিতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উপহার দিয়েছে। WFP‑র ফ্রেমওয়ার্কে প্রদত্ত এই সহায়তা আন্তর্জাতিকভাবে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, বিশেষ করে সার সরবরাহের বৈশ্বিক অস্থিতিশিলতার এই সময়ে। ???? অনুষ্ঠানে বক্তারা যা বলেছেনজাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী: বর্তমানে বৈশ্বিক বাজার ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সার ও খাদ্য সরবরাহের চ্যালেঞ্জ দ্রুত বেড়ে গেছে। এর মধ্যে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত মূল্যবান। রাশিয়ার প্রতিনিধির বক্তব্য: সার নিশ্চিত করে খাদ্য উৎপাদনের স্থিতিশীলতা ও ফসলের বৃদ্ধি সম্ভব, যা বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য সহায়তা জোগাবে। ???? বাংলাদেশে সার মজুত ও কৃষিক্ষেত্রে প্রভাবসরকার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) কাছে বর্তমানে ১০.৩৫ লাখ টনের মতো নন‑ইউরিয়া সার মজুদ আছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই রাশিয়ার দেওয়া সার কৃষি উৎপাদনকে আরও সমর্থন করবে। গত তিন বছরের তুলনায় ২০২৪‑২৫ অর্থবছরে ধান, আলু, পেঁয়াজ, সবজি ও সরিষা উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিও হয়েছে। ???? সার সাহায্যের সম্ভাব্য প্রভাবসারটি আগামীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যার ফলে সারের অভাব কমে কৃষি উৎপাদন আরও বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।