মতলব পৌরসভায় ভিজিএফ চাল নিতে গিয়ে স্টোর কিপারের মারধরের শিকার গৃহবধূচাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে সরকারি অনুদান ভিজিএফের চাল সংগ্রহ করতে গিয়ে এক গৃহবধূ মারধরের শিকার। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মতলব দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নবকলস (প্রধানিয়া বাড়ী) এলাকার বাসিন্দা মোসাঃ শাহিনুর বেগম (৪০) গত বুধবার (১১ মার্চ) সকাল আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে সরকারি অনুদানের ১০ কেজি চাল সংগ্রহ করতে মতলব দক্ষিণ পৌরসভার মাঠে যান। চাল সংগ্রহ করে বের হওয়ার সময় নলুয়া এলাকার মোঃ কাউছার (৩৫) নামে এক ব্যক্তির সাথে তার ধাক্কা লাগে। এ সময় অভিযুক্ত কাউছার ক্ষিপ্ত হয়ে শাহিনুর বেগমকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন।শাহিনুর বেগম গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে কাউছার উত্তেজিত হয়ে তার হাতে থাকা সরকারি অনুদানের চালের বস্তা ছিনিয়ে ফেলে দেন এবং তাকে মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি শাহিনুর বেগমকে টেনে-হিঁচড়ে চুল ধরে ফেলে দেন এবং এলোপাতাড়ি লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।এ সময় তার চিৎকার শুনে উপস্থিত লোকজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি মতলব পৌরসভার স্টোর কিপার বলে জানা যায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে ভুক্তভোগীকে মারধর ও হুমকি ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন।পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় শাহিনুর বেগমকে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করে মতলব দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।জানা যায়, পৌরসভার স্টোর কিপার কাউছার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে মেয়র আওলাদ হোসেন লিটনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলো। এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
চীনের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূতবাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহায়তা চেয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen।সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী Amir Khasru Mahmud Chowdhury–এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।রাষ্ট্রদূত বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন। তবে বাংলাদেশ ঠিক কী ধরনের জ্বালানি সহায়তা চায়—তা স্পষ্টভাবে জানতে চেয়েছে বেইজিং। তিনি জানান, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে।বৈঠকে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে প্রস্তাবিত Teesta River Comprehensive Management and Restoration Project বাস্তবায়নেও চীনের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্পটি নতুন সরকার এবং চীনের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর একটি। এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রদূত আরও জানান, নতুন সরকার গঠনের পর গত তিন সপ্তাহে অন্তত চারটি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এসব বিনিয়োগ ও প্রকল্প নিয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।
তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে, রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সংকটরাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।শনিবার রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও তেলের সরবরাহ সীমিত, আবার কোথাও পুরোপুরি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক চালকের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার রাত থেকেই তারা তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তাদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।তিনি বলেন, “সাধারণত তিন দিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হয়, গত একদিনেই সেই পরিমাণ বিক্রি হয়ে গেছে। তাই স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।”এদিকে তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক চালক আগেভাগেই তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।তবে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাময়িক চাপের কারণে কিছু এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে খুব দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সংকট তৈরির শঙ্কা নেই: জ্বালানিমন্ত্রীদেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু উদ্বেগ থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-এর সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও সচল রয়েছে। আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছাবে, যা দেশের মজুত আরও শক্তিশালী করবে। ফলে জ্বালানি ঘাটতি বা সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।জ্বালানিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকার ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।তিনি বলেন, “আগেও বলেছি, গতকালও বলেছি— তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।”সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত আমদানি, মজুত ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ চেইন সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা গুজব ছড়ানোর কোনো কারণ নেই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কয়েলের কারখানা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় চার ঘন্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে উপজেলার নায়েরগাঁও বাজারে এ দূর্ঘটনা ঘটে। মতলব দক্ষিণ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে আগুন ও ধোঁয়া বের হতে থাকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো কারখানায়। আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় গোটা এলাকা। এলাকার লোকজন ছুটে এসে যে যার মতো পারছে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে দমকলকর্মীরা আসে। প্রায় চার ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরমধ্যেই কারখানাটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কারখানার মালিক মো. শাহজালাল বলেন, আগুনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে এসে দেখি সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি নি:স্ব হয়ে গেছি। তিনি দাবি করে আরও বলেন, মালামাল, মেশিন,মোটর,কারখানা সবকিছু মিলে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহযোগিতার জন্য সরকারের কাছে জোড়ালো আবেদন জানিয়েছেন।মতলব দক্ষিণ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় চার ঘন্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি। কয়েলের পাউডার বানানো ৩ টি মেশিন,৪ টি মোটর,মজুদকৃত মালামাল, কারখানা পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঢাকা-৬ আসনের বাসাবাড়িতে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে বৈঠক করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে তিনি তিতাস গ্যাস এর আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক করেন।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৬ এর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন। রান্না ও দৈনন্দিন কাজের জন্য এ সমস্যা তাদের জন্য বিরাট ভোগান্তি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রী গ্যাস সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন।এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বাসাবাড়ির গ্যাস সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি ধারাবাহিকভাবে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সমস্যার সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রীমোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।