বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবিমধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রভাবশালী ইউনিট Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বাহরাইনের জুফায়র এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে।আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম এলাকায় একটি পানিশোধন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ওই মার্কিন হামলার ফলে আশপাশের প্রায় ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানান, কেশমের পানিশোধন অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেন, এ ধরনের হামলার জবাব দিতে ইরান বাধ্য হয়েছে।বাহরাইনের জুফায়র এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিটি মূলত United States Navy–এর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা পারস্য উপসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তবে হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা Bahrain কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে Iran, United States এবং Israel–এর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার দাবি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।বর্তমানে হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে, রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সংকটরাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।শনিবার রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও তেলের সরবরাহ সীমিত, আবার কোথাও পুরোপুরি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক চালকের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার রাত থেকেই তারা তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তাদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।তিনি বলেন, “সাধারণত তিন দিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হয়, গত একদিনেই সেই পরিমাণ বিক্রি হয়ে গেছে। তাই স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।”এদিকে তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক চালক আগেভাগেই তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।তবে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাময়িক চাপের কারণে কিছু এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে খুব দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সংকট তৈরির শঙ্কা নেই: জ্বালানিমন্ত্রীদেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু উদ্বেগ থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-এর সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাও সচল রয়েছে। আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছাবে, যা দেশের মজুত আরও শক্তিশালী করবে। ফলে জ্বালানি ঘাটতি বা সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।জ্বালানিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকার ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।তিনি বলেন, “আগেও বলেছি, গতকালও বলেছি— তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।”সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে নিয়মিত আমদানি, মজুত ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ চেইন সক্রিয় রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা গুজব ছড়ানোর কোনো কারণ নেই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি কয়েলের কারখানা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় চার ঘন্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার রাত ২ টার দিকে উপজেলার নায়েরগাঁও বাজারে এ দূর্ঘটনা ঘটে। মতলব দক্ষিণ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত দুইটার দিকে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে আগুন ও ধোঁয়া বের হতে থাকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো কারখানায়। আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় গোটা এলাকা। এলাকার লোকজন ছুটে এসে যে যার মতো পারছে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে দমকলকর্মীরা আসে। প্রায় চার ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরমধ্যেই কারখানাটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কারখানার মালিক মো. শাহজালাল বলেন, আগুনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে এসে দেখি সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমি নি:স্ব হয়ে গেছি। তিনি দাবি করে আরও বলেন, মালামাল, মেশিন,মোটর,কারখানা সবকিছু মিলে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। সহযোগিতার জন্য সরকারের কাছে জোড়ালো আবেদন জানিয়েছেন।মতলব দক্ষিণ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় চার ঘন্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি। কয়েলের পাউডার বানানো ৩ টি মেশিন,৪ টি মোটর,মজুদকৃত মালামাল, কারখানা পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঢাকা-৬ আসনের বাসাবাড়িতে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে বৈঠক করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে তিনি তিতাস গ্যাস এর আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক করেন।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৬ এর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন। রান্না ও দৈনন্দিন কাজের জন্য এ সমস্যা তাদের জন্য বিরাট ভোগান্তি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রী গ্যাস সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন।এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বাসাবাড়ির গ্যাস সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি ধারাবাহিকভাবে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সমস্যার সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রীমোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।
মোংলা বন্দর–এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: নৌমন্ত্রীদায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোংলায় পৌঁছে তিনি বন্দরের সভাকক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে জেটি ও অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।বৈঠকে বন্দরের বর্তমান কার্যক্রম, পণ্য হ্যান্ডলিং সক্ষমতা, জাহাজ আগমন-নির্গমন, ড্রেজিং পরিস্থিতি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বন্দরের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রী এসব সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে বন্দরের সঙ্গে জাতীয় ও আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সংযোগ আরও শক্তিশালী করা হবে। এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায়ীরা বিকল্প বন্দর সুবিধা আরও বেশি ব্যবহার করতে পারবেন।মন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর মাধ্যমে মোংলা বন্দরের কার্যকারিতা বাড়ানো হবে।পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।