ডি এস কে টিভি চ্যানেল
বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজার অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

সাধারণ ক্রেতা সেজে বাজারে অভিযান চালালেন তিনি / বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজার অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

সারাদেশ

ভিডিও সব ভিডিও

কোন ভিডিও নেই !

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজার অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

ঘুমের ওষুধ সেবন করে আ'ত্মহ'ত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে মেঘমল্লার বসু

রমজানের শুভেচ্ছা শুনে বিস্মিত হয়ে ফি'লি'স্তিনি বন্দির প্রশ্ন— ‘আজ কি রোজা?’

আব্বু আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ: জাইমা রহমান

যু'দ্ধবি'ধ্বস্ত গা'জায় স্টেডিয়াম বানাতে ৫ কোটি ডলার দেবে ফিফা

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: ধর্মমন্ত্রী

মাদ'ক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় শিক্ষামন্ত্রীর

রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রমজানে কাঁচাবাজারে আ'গুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

১০

সড়কে চাঁ'দাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধনআজ (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর বনানী এলাকার কে ব্লক, ২৪ নং রোডের ১৮ নম্বর ভবনে একটি ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করেছেন **বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (BAWA) প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান। ???? এই ক্লিনিকটি বিশেষভাবে প্রাণীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য খোলা হয়েছে। ???? বাংলাদেশ এনিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাণী ও প্রকৃতির সুরক্ষা, আহত ও অসুস্থ প্রাণীর চিকিৎসা ও উদ্ধারকাজে কাজ করছে এবং ঢাকা শহরে প্রাণীর জন্য বিনামূল্যের অ্যাম্বুলেন্স সেবাও পরিচালনা করছে। ???? সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন, এই ক্লিনিকের মাধ্যমে প্রাণীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং সাধারণ মানুষকে প্রাণী রক্ষায় আরও সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার উদ্দেশ্য রয়েছে।???? উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মীরা বলেন, “দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারা প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করবে।এটি বনানীর প্রাণীপ্রেমীদের জন্য আনন্দের সংবাদ এবং আহত, অসুস্থ বা বনজ প্রাণীদের চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স

প্রেস বিজ্ঞপ্তিবরাবর ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬বার্তা সম্পাদক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয়োজন করছে হেলথ প্রমোশন কনফারেন্স দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সুদৃঢ় সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সুস্থ জনগোষ্ঠীই পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কিন্তু ক্রমবর্ধমান চিকিৎসা ব্যয় আমাদের জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু তাই নয় ব্যক্তির সারাজীবনের সঞ্চয় এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা খাতে খরচ করে অনেক পরিবারই নি:স্ব হয়ে যাচ্ছে এবং জাতীয় অর্থনীতিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আমাদের জীবনাচার ও খাদ্যাভাসে পরিবর্র্তনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা জরুরি। এই বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টসহ ২২ টি প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে“কনফারেন্স অন হেলথ প্রমোশন -২০২৬” শীর্ষক একটি অনলাইন কনফারেন্স আয়োজিত হতে যাচ্ছে। উক্ত কনফারেন্সের আলোচ্য বিষয়বস্তু এবং লক্ষ্য - উদ্দেশ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সকাল ১১.০০ টায় ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর কৈবর্ত সভাকক্ষে একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান এর সঞ্চালনায় উক্ত সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক শাগুফতা সুলতানা, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র বণিক। অনলাইনে আরো যুক্ত ছিলেন, খুলনার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি রয় এবং বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী হেলাল আহমেদ।উল্লেখ্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এবং ১৪ টি সংগঠন ও ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত উদ্যোগে ভার্চুয়াল কনফারেন্সটি আয়োজন করা হবে।ধন্যবাদান্তেগাউস পিয়ারীপরিচালকওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট

গা

গা"জায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়া'বহ ভাই'রাস, নজি'রবিহীন স্বাস্থ্য বিপ'র্যয়

গাজায় ভাইরাস সংক্রমণ ও স্বাস্থ্য✔️ গাজায় দ্রুত ছড়াচ্ছে এমন এক ধরনের শ্বাসতন্ত্রজনিত ভাইরাস সম্পর্কে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।✔️ এই ভাইরাসটি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর সংক্রমণ সৃষ্টি করছে এবং মৃত্যুও ঘটাচ্ছে।✔️ এটি কোভিড-১৯ বা সাধারণ মৌসুমী সর্দি/ফ্লু বিশেষভাবে শনাক্ত করা হয়নি — বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী এটি অপরিচিত বা ভিন্ন ধরনের ভাইরাস হতে পারে কিন্তু নির্দিষ্ট ভ্যারিয়েন্ট এখনও নিশ্চিত করা যাইনি। লক্ষণসমুহ:উচ্চ জ্বরঅত্যধিক ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টকাশি ও ফুসফুস জ্বালাপেট ও ডায়রিয়াগুরুতর ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া পর্যন্ত progression হচ্ছে।✔️ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রচলিত শ্বাসনালীর ঔষধ কার্যকর হচ্ছে না। ???? স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন:উচ্চ সংক্রমণ এবং রোগের তীব্রতা বৃদ্ধির কারণগুলির মধ্যে রয়েছে দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, অপর্যাপ্ত টিকাদান, অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ও বেসামরিক স্বাস্থ্য পরিবেশ দুর্বল অবস্থায় থাকা। ???? গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখন কী অবস্থায়?গাজার প্রধান হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ প্রচণ্ডভাবে বাড়ছে।অনেক ক্ষেত্রে মানুষ ICU বা পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে মারা যাচ্ছে।হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা-ডায়াগনস্টিক সুবিধা সীমিত আছে, ফলে ভাইরাসের প্রকৃত কারণ পরিচয় করা যাচ্ছে না.শ্বাসনালীসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের বড় ঘাটতি চলছে। ????‍????‍???? কে সবচেয়ে ঝুঁকিতে????? শিশুরা, বয়স্ক লোক এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন যারা – তাদের মধ্যে মৃত্যু ও গুরুতর জটিলতার হার সবচেয়ে বেশি.???? তেমনকি যারা ইতোমধ্যেই অপুষ্টিকর পরিবেশে বসবাস করছেন, তারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। ???? কারণ ও পটভূমিইসরায়েলি অবরোধ ও যুদ্ধ চালিয়ে আসায় ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপকরণের প্রবেশ ধারণাতেই কঠিন পরিবেশে রয়েছে।শীতল আবহাওয়া, ভাড়া-শিবিরের ভিড়, খোলা-বর্জিত বাসস্থান এবং অপুষ্টি পরিস্থিতি ভাইরাসের বিস্তারকে আরও সহজ করছে। ???? কি এটা বিশেষভাবে নতুন ও প্রাণহানি বেশি করে এমন ভাইরাস?এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা বা বৈজ্ঞানিক সংস্থা নির্দিষ্টভাবে কোন নতুন ভাইরাসের নাম বা পরিচয় শনাক্ত করে আলোকপাত করেনি — অর্থাৎ “নতুন ভাইরাস” বলে দাবি করা হলেও এই ভাইরাসের *জেনেটিক বা বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।“Unidentified severe respiratory outbreaks” হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রকাশিত তথ্য। �

বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর আমাদের মাঝে নেই

বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর আমাদের মাঝে নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা মারা গেছেন। মঙ্গলবার মাথা ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর আজ বুধবার সকাল ৭টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার বয়স ৩৬ বছর।  তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তাঁর আসলে কী হয়েছিল তা এখনও জানতে পারিনি। তবে গতকাল তাঁর প্রচন্ড মাথা ব্যাথা উঠলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।’  ফেরদৌস আরা বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। সহকারী কমিশনার হিসেবে তাঁর প্রথম কর্মস্থল ছিল বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে যোগদান করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর। তবে তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। স্বামী পেশায় একজন শিক্ষক। ফেরদৌস আরার এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদন

বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজার অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজার অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর...

রমজানকে সামনে রেখে বাজারে অস্থিরতা ঠেকাতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এক অভিনব কৌশল নিলেন এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট—বোরকা পরে সাধারণ ক্রেতা সেজে বাজারে অভিযান চালালেন তিনি।ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা এলাকায়। রমজানকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বাজারের প্রকৃত চিত্র জানতে ম্যাজিস্ট্রেট ছদ্মবেশে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে নিত্যপণ্যের দাম যাচাই করেন। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি, মূল্য তালিকা না টানানো এবং ভোক্তা অধিকারবিরোধী নানা অনিয়মের প্রমাণ মেলে।অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোট ৭টি দোকানকে জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিত্যপণ্য কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে কঠোর নজরদারি চালানো হবে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ালে বা কারসাজি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।স্থানীয় ক্রেতারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের আশা, এমন তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজারে স্বস্তি ফিরবে এবং অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে।

৫ ঘন্টা আগে
ঘুমের ওষুধ সেবন করে আ'ত্মহ'ত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে মেঘমল্লার বসু

দুপুরে তাকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। / ঘুমের ওষুধ সেবন করে আ'ত্মহ'ত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে মেঘমল্লার বসু

৫ ঘন্টা আগে
আব্বু আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ: জাইমা রহমান

আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন। / আব্বু আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ: জাইমা রহমান

৮ ঘন্টা আগে
মাদ'ক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় শিক্ষামন্ত্রীর

এই পদক্ষেপ দেশের যুবসমাজকে সুষ্ঠু পথে গড়ে তুলবে / মাদ'ক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় শিক্ষামন্ত্রীর

১১ ঘন্টা আগে
রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। / রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১১ ঘন্টা আগে

অপরাধ ও দুর্নীতি

সড়কে চাঁ'দাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের ঘটনা সহ্য করা হবে না। / সড়কে চাঁ'দাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রীসারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, সরকার সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং কোথাও অনিয়ম বা জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের ঘটনা সহ্য করা হবে না।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে সড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, সড়কে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, কেউ যদি পরিবহন শ্রমিক, চালক বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় করে, তাহলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।তিনি আরও বলেন, সড়ক পরিবহন খাত দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পণ্য পরিবহন ও যাত্রী চলাচলে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা সরকারের অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানাতে আহ্বান জানান তিনি।এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, সরকার চায় পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হোক। কেউ যেন ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার উন্নয়ন ও শৃঙ্খলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

১৪ ঘন্টা আগে

শিল্প ও বানিজ্য

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: ধর্মমন্ত্রী

নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো কষ্ট না ভোগে। / রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না: ধর্মমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না—এমন আশ্বাস দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো কষ্ট না ভোগে।ধর্মমন্ত্রী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর। আমার বিশ্বাস, দ্রব্যমূল্য কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না।”এটি তার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের সংসদীয় আসনে প্রথম আগমন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা

রমজানে কাঁচাবাজারে আ'গুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

ইফতারকেন্দ্রিক চাহিদা, বাড়ছে চাপ / রমজানে কাঁচাবাজারে আ'গুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

রমজানে কাঁচাবাজারে আগুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি স্পষ্ট। ছোলা ও মুড়ির মতো কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য উপাদান—লেবু, কাঁচামরিচ ও শসার দামে লেগেছে ‘আগুন’। কোথাও কোথাও করলা ও কাঁচামরিচের কেজি দর ২০০ টাকার ঘর ছুঁয়েছে, যা ক্রেতাদের ভাষায় ‘ডাবল সেঞ্চুরি’।ইফতারকেন্দ্রিক চাহিদা, বাড়ছে চাপরমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে লেবু ও কাঁচামরিচ—যেগুলো প্রতিদিনের ইফতারে প্রয়োজন—সেগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। শসা ও বিভিন্ন ফলের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।কারও কারও অভিযোগ, আড়ত ও খুচরা পর্যায়ে একাধিক হাত বদলের ফলে দাম বাড়ছে। আবার অনেক বিক্রেতা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই খুচরা পর্যায়ে কমানোর সুযোগ নেই।ক্রেতাদের ক্ষোভবাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত ও কার্যকর বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। রমজানের মতো সংবেদনশীল সময়ে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি তাদের।একজন ক্রেতার ভাষায়, “রমজান এলেই কেন সবকিছুর দাম বাড়ে? নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে নিয়মিত অভিযান দরকার।”বিক্রেতাদের বক্তব্যখুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। এছাড়া মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাবেও সবজির দামে ওঠানামা হচ্ছে।করণীয় কী?ভোক্তারা মনে করছেন—নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট জোরদার করাপাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের দামের তালিকা প্রকাশপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করারমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাই করছেন অনেকেই।

সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক আছে। / বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রীরমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাজারে সম্ভাব্য অস্থিরতা নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগের মধ্যে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, রমজান মাসে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক আছে।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, রমজানে সাধারণত ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল, খেজুরসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এ বিষয়টি মাথায় রেখে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি প্রক্রিয়া সচল রাখা, গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ চেইন নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, বাজারে কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে বা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি চলছে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ টিম এবং মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত বাজার পরিদর্শনের মাধ্যমে মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার চায় রমজান মাসে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে নিত্যপণ্য কিনতে পারুক। এজন্য ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদেরও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে অস্থিরতার কোনো কারণ নেই।এদিকে ভোক্তাদের প্রত্যাশা, ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব বাজার পরিস্থিতির মিল থাকবে এবং কার্যকর তদারকির মাধ্যমে পণ্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। রমজান যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাজার পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।সরকারের দাবি—পর্যাপ্ত মজুদ ও সক্রিয় মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আসন্ন রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। এখন দেখার বিষয়, মাঠপর্যায়ে এসব পদক্ষেপ কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। / রমজান ও গরমে নির'বচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করাই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ

রমজান মাস ও আসন্ন তীব্র গরমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি, উৎপাদন সক্ষমতা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতার ও সেহরির সময় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। একই সময়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় গরমকালেও বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। ফলে এই দুই সময় একসঙ্গে পড়লে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।মন্ত্রী আরও জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা সচল রাখা, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ত্রুটি না থাকাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান।ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, লোডশেডিং কমিয়ে আনতে এবং গ্রাহকদের ভোগান্তি হ্রাস করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে।সরকারের লক্ষ্য—রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে জনগণ যেন স্বস্তিতে ইবাদত ও দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে পারে, সে জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

রমজান ও গরমে নির'বচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করাই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ

এবার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। / চট্টগ্রাম বন্দরের আ'ন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষে'ধাজ্ঞা

চট্টগ্রাম বন্দরের আন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাচট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল—এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আন্দোলনে জড়ানো ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ওই ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর আগে তাদের প্রশাসনিক শাস্তি হিসেবে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছিল।বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ওই কর্মচারীদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য যাচাই ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এদিকে কর্মচারীদের একাংশের দাবি, এনসিটি বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে তারা শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ করেছিলেন। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, কর্মস্থলে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখাই তাদের প্রধান দায়িত্ব।ঘটনাটি নিয়ে শ্রমিক মহল ও সংশ্লিষ্ট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ হিসেবে দেখলেও, আবার অনেকে বিষয়টিকে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায়, এই ইস্যু ঘিরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও তদন্তের দিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম বন্দরের আ'ন্দোলনকারী ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষে'ধাজ্ঞা

প্রয়োজনীয় সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” / চট্টগ্রাম বন্দর খুলছে আগামীকাল, বাধা দিলে ক'ঠোর ব্যবস্থার হুঁ'শিয়ারি

চট্টগ্রাম বন্দর খুলছে আগামীকাল, বাধা দিলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিচট্টগ্রাম, ৫ ফেব্রুয়ারি: দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আগামীকাল শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় খোলা হবে। বন্দরের সমস্ত অপারেশন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে বলে জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।নৌপরিবহন বিষয়ক উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কেউ যদি বন্দরের কার্যক্রমে বাধা দেয়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “বন্দরের কার্যক্রমে বাধা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনীয় সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আমদানি ও রপ্তানির মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বন্দরের বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। আগামীকাল থেকে পুনরায় খোলার ফলে পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে আশা করা হচ্ছে।উপদেষ্টা এম. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানিয়েছেন, বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমে কোনো প্রকার বিঘ্ন ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে। তিনি ব্যবসায়ীদেরও অনুরোধ করেছেন, তারা বন্দরের নিয়ম ও নিরাপত্তা মান বজায় রেখে কার্যক্রম চালাবেন।চট্টগ্রাম বন্দরের পুনরায় খোলার ফলে দেশের আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন উদ্যম ফিরে আসবে। সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল পর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর খুলছে আগামীকাল, বাধা দিলে ক'ঠোর ব্যবস্থার হুঁ'শিয়ারি

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

দাবি এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশনের / ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থীকে ক্যান্টনমেন্টে PNG ঘোষণা করার দাবি এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশনের। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, একটি রাজনৈতিক দলের ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রার্থী জনাব খালিদুজ্জামান ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। উক্ত প্রার্থী ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সদস্যদের দ্বারা অস্ত্রসহ প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হলে তিনি অত্যন্ত উদ্দতপূর্ণ আচরণ করেন এবং সেনাসদস্যদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন। এ ধরনের বক্তব্য ও আচরণ সামরিক বাহিনীর মনোবল, মর্যাদা এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি আঘাত। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন স্পষ্টভাবে বলতে চায় — রাজনৈতিক পরিচয় কখনোই কাউকে সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান দেওয়ার লাইসেন্স দেয় না। ক্যান্টনমেন্ট কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জায়গা নয়; এটি একটি সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এলাকা। এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন আরও স্পষ্টভাবে জানাতে চায় , উক্ত প্রার্থী যদি প্রকাশ্যে তার আচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা না চান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্দতপূর্ণ ও অবমাননাকর আচরণ বন্ধের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার না করেন, তাহলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ক্যান্টনমেন্টে PNG ঘোষণা করার জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি। রাষ্ট্রের আইন, সামরিক বাহিনীর মর্যাদা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন কোনো আপস করবে না। বার্তা প্রেরক, লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব:) প্রেসিডেন্ট এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
কোন ছবি নেই !

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !