???????? কসবা সীমান্তে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিজিবি-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।কী জানা গেছে ????সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালায় বিজিবিজব্দ করা পণ্যগুলো ভারত থেকে চোরাইপথে আনা হচ্ছিলপণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকাপণ্যগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য ও বাণিজ্যিক সামগ্রী রয়েছেবিজিবির বক্তব্য ????বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।পরবর্তী ব্যবস্থা ⚖️জব্দ করা পণ্যগুলো স্থানীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্তও চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।???? সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির অভিযান জোরদার করা হয়েছে, ফলে বড় অংকের পণ্য জব্দের ঘটনা বাড়ছে।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী।নির্বাচন চলাকালীন সময়ে প্রচার-প্রচারণা ও বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলকে সমর্থন দিতে ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয় করেন এবং দিন-রাত পরিশ্রম করে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।নির্বাচন শেষে অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন হুমায়ুন কবির চৌধুরী। পরবর্তীতে চিকিৎসা গ্রহণের পর বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।দলীয় নেতাকর্মীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং নির্বাচনে তার অবদানকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন।তার মানবিক কর্মকাণ্ড; বিশেষ করে দরিদ্র ও আসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শিক্ষা সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরিতে আন্তরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন জনহিতকর বিষয়ে আমরা আরো অবগত রয়েছি।তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মফস্বল থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ছাত্র, যুব, তরুণ ও সমাজসচেতন মহলে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলে দৃশ্যমান।সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক মহলে অপতথ্য কিংবা মনগড়া ট্যাগ লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।
বৃহত্তর নোয়াখালী যুব সমিতির একজন উপদেষ্টা জনাব মো: হুমায়ুন কবির চৌধুরী। তথ্যমতে তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে ঢাকায় ব্যবসা বাণিজ্যের সূচনা করেন, যার ফলশ্রুতিতে তিনি আজ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।এছাড়া আমরা তাকে একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক হিসেবে ব্যক্তিজীবনে একজন সফল মানুষ হিসেবে জানি। এসব তথ্য বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী এবং ঢাকাস্থ বৃহত্তর নোয়াখালীর বিভিন্ন শ্রেণীপেশার রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন এবং সকল সচেতন নাগরিক অবগত রয়েছে।তার মানবিক কর্মকাণ্ড; বিশেষ করে দরিদ্র ও আসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্নভাবে শিক্ষা সহায়তা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরিতে আন্তরিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন জনহিতকর বিষয়ে আমরা আরো অবগত রয়েছি।তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের মফস্বল থেকে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত ছাত্র, যুব, তরুণ ও সমাজসচেতন মহলে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলে দৃশ্যমান।সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক মহলে অপতথ্য কিংবা মনগড়া ট্যাগ লাগিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।একটি সুশৃঙ্খল ও রুচিশীল সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যে বৃহত্তর নোয়াখালী যুব সমিতি বদ্ধ পরিকর। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা সকল পক্ষকে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, কলহের অবসান ঘটানোর প্রতি জোরালোভাবে উদার্ত আহ্বান জানাই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ২ টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নে চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ফলন ভালো হলেও আনন্দের হাসি নেই কৃষকের মুখে। গতবারের মতো এবারও ক্ষতির দুশ্চিন্তায় চাষীরা। দাম নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ কৃষক। এদিকে আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগারে পর্যাপ্ত জায়গা নেই বলে বেপারীদের জানিয়েছে হিমাগার কর্তৃপক্ষ। হিমাগারে সংরক্ষণ ও আলুর বিকল্প ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে ক্ষতি কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর উপজেলার মতলব পৌরসভা, নারায়ণপুর পৌরসভা, উপাধি উত্তর ইউনিয়ন, উপাধি দক্ষিণ ইউনিয়ন, নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়ন, নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়ন ও খাদেরগাঁও ইউনিয়নে মোট আলু আবাদ হয়েছে ১৯০৭ হেক্টর জমিতে। গড় উৎপাদন হেক্টর প্রতি ২৮ টন। কৃষকরা দিনরাত পরিশ্রম করে আলু ঘরে তুলছেন। আয়-রোজগার করার লক্ষ্যে রাত-বিরাত আলুভর্তি ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকাপ ও অটো দিয়ে পরিবহন করে হিমাগারে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা।উপজেলার ডিঙাভাঙা, দগরপুর,দিঘলদী, নারায়নপুর, আশ্বিনপুর, খরগপুর, পাঠন, পিতামবর্দ্দি, আধারা, খিদিরপুর, কাজিয়ারা, নায়েরগাঁও এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা এখন খেত থেকে আলু তুলে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেক কৃষক মাঠ থেকেই হিমাগারে সংরক্ষণের জন্য নিয়ে যাচ্ছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেলেও, দাম নিয়ে রয়েছেন ব্যাপক দুশ্চিন্তায়। এছাড়াও উপজেলার তিনটি হিমাগারের মধ্যে বর্তমানে দুটি চালু থাকায় আলু সংরক্ষণ করা নিয়ে বিপাকে কৃষকরা।মতলব দক্ষিণ উপজেলার দগরপুর গ্রামের আলুচাষি বিল্লাল হোসেন বলেন,আলুর দাম আশানুরূপ নাই। আমাগো পুরা কপাল। কি করমু আমরা? গতবারের লোকসান টা এবার উঠে যাবে ভাবছিলাম। কিন্তু গত বছরের চেয়ে এবার আরও বেশি ক্ষতি হবে। আরেক কৃষক নায়েরগাঁও গ্রামের আলম প্রধান বলেন, আলুর ফলন ভালো হয়েছে। বছরে একবার আলু চাষ করি। এতেই আমাগো সারা বছর সংসার চলে। দিনরাত কষ্ট করছি খেতে। নিজেরা কাজ করছি,অন্যদের দিয়েও করাইছি। অনেক টাকা খরচ হইছে। এখন যদি দাম কম হয় আমাগো অবস্থা কি হইবো?কৃষক বশির মোল্লা,কালু বেপারী, দুলাল বেপারী ও রিহাদ হোসেন বলেন, আমাগো আলুর ফলন ভালো হইছে। পরিশ্রমও করেছি অনেক।এখন দাম ভালো পাইলে আলহামদুলিল্লাহ। মার্শাল কোল্ড স্টোরেজ এর ম্যানেজার জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের এই হিমাগারের ধারণক্ষমতা ১০ হাজার টন এবং উপজেলার নায়েরগাঁ হিমাগারের ধারন ক্ষমতা আমাদের মতোই। হিমাগার প্রায় ভরপুর হয়ে যাচ্ছে।মতলব দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চৈতন্য বলেন, উপজেলার প্রায় সব এলাকায় বিভিন্ন জাতের আলু উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পোকামাকড় আক্রমণ না করায় আলুর ফলন ভালো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে আসছি।
ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার নির্দেশচলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ছুটির দিনেও জ্বালানি সরবরাহ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার বিপিসির অধীনস্থ বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান ডিপো খোলা রাখা হবে এবং সেখান থেকে নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।সরকারের এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং চলমান সংকটের কারণে পরিবহন ও শিল্প খাতে যাতে বড় ধরনের সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করা।বিপিসি জানিয়েছে, ডিপোগুলো খোলা থাকায় ডিলার ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটির দিনেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে বাজারে জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।জ্বালানি খাতে সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বিভিন্ন জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চীনের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রদূতবাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহায়তা চেয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen।সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী Amir Khasru Mahmud Chowdhury–এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।রাষ্ট্রদূত বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন। তবে বাংলাদেশ ঠিক কী ধরনের জ্বালানি সহায়তা চায়—তা স্পষ্টভাবে জানতে চেয়েছে বেইজিং। তিনি জানান, এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে।বৈঠকে নতুন সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে প্রস্তাবিত Teesta River Comprehensive Management and Restoration Project বাস্তবায়নেও চীনের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্পটি নতুন সরকার এবং চীনের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর একটি। এ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রদূত আরও জানান, নতুন সরকার গঠনের পর গত তিন সপ্তাহে অন্তত চারটি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এসব বিনিয়োগ ও প্রকল্প নিয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।
তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে, রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সংকটরাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেল চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।শনিবার রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও তেলের সরবরাহ সীমিত, আবার কোথাও পুরোপুরি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক চালকের অভিযোগ, নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীও তেল দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।রাজধানীর আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার রাত থেকেই তারা তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, অতিরিক্ত চাহিদার কারণে তাদের মজুত দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।তিনি বলেন, “সাধারণত তিন দিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হয়, গত একদিনেই সেই পরিমাণ বিক্রি হয়ে গেছে। তাই স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে।”এদিকে তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেক চালক আগেভাগেই তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।তবে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সাময়িক চাপের কারণে কিছু এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তবে খুব দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।