যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Oman সাইয়িদ বদর বিন হামাদ আল-বুসাইদির সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বহিরাগত হস্তক্ষেপ নয়, বরং আঞ্চলিক দেশগুলোর সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগই সবচেয়ে কার্যকর পথ।ইরানের মতে, Iran এবং অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার হলে উত্তেজনা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।আলোচনায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় প্রতি মণ ইলিশের দাম ৩ লাখ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। আর ইলিশের দাম এত অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে এবারের বর্ষবরণের ইলিশ।সরে জমিনে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ও তার আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের মাছের আড়তগুলোতে ইলিশের দাম অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আড়তদাররা জানায় এর মূল কারণ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত পাইকাররা। তাদের কারনেই ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৬০০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।অন্যদিকে, ৪শ' থেকে ৬শ' গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪শ থেকে ২ হাজার ৬শ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মতো।স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।অন্যদিক, স্থানীয় মাছের আড়তদার ও খচরা ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু জেলে সাগর থেকেও ইলিশ এনে মতলবের আড়ত ও বাজারে বিক্রি করছেন।আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।আড়তদাররা জানান, নববর্ষের পর ইলিশের দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছেমালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই ট্যাংকারগুলো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে নোঙর করবে। সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।বন্দর সূত্র জানায়, নতুন এই সরবরাহ দেশের জ্বালানি সঙ্কট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অকটেন মূলত যানবাহনের জন্য, আর ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। পূর্ববর্তী কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ওঠানামার কারণে দেশে যোগান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ প্রবেশ ও খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহ সরকারের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।সরবরাহের পরে জ্বালানি তেল বিতরণ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের নিয়মিত আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি।
মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একটি ফুয়েল ট্যাংকার Shan Gang Fa Jian এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দর–এর বহির্নোঙরে। শুক্রবার রাতে জাহাজটি বঙ্গোপসাগর–এর কুতুবদিয়া উপকূল এলাকায় নোঙর করে। ⛴️স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস–এর ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর এটি ডিজেল নিয়ে আসা দশম জাহাজ।কী পরিমাণ জ্বালানি আছেজাহাজটিতে রয়েছে ৩৪ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেলএর মধ্যে ৫–৬ হাজার টন ডিজেল বহির্নোঙরে ছোট জাহাজে খালাস (লাইটারিং) করা হবেঅন্তত দুই ট্রিপে এই লাইটারিং সম্পন্ন করা সম্ভবলাইটারিং শেষ হলে রবিবার জাহাজটি পতেঙ্গা ডলফিন জেটি–তে ভিড়বে। সেখানে বাকি ডিজেল খালাস শেষে ট্যাংকারটি ফিরে যাবে। ????এর আগে শুক্রবারই আরও ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছিল, ফলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ⚡মালয়েশিয়া থেকে নতুন চালানমোট ~৩৪ হাজার টন ডিজেলআংশিক লাইটারিং বহির্নোঙরেরবিবার জেটিতে পূর্ণ খালাস
সিঙ্গাপুর থেকে ডিজেলভর্তি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে ⛽????দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উৎস থেকে আমদানি কার্যক্রম জোরদার করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সিঙ্গাপুর থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।জানা গেছে, চীনা পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ MT Yuan Jing He প্রায় ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে Chittagong Port-এর ডলফিন জেটিতে নোঙর করে। জ্বালানি তেল দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।সরকারি সূত্র বলছে, বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহের অনিশ্চয়তা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। তাই মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি বিকল্প উৎস—বিশেষ করে Singapore—থেকে তেল আমদানি বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্মকর্তারা জানান, জাহাজ থেকে ডিজেল খালাসের পর তা দ্রুত দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হবে। এতে পরিবহন, কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে জ্বালানি সংকট কমবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিতভাবে বিকল্প উৎস থেকে আমদানি বাড়ানো গেলে হঠাৎ সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি কমবে এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। ⚖️????
দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে একদিকে মাঠপর্যায়ে ভোগান্তি, অন্যদিকে সরকারের আশ্বাস—এই দুই বিপরীত চিত্র এখন স্পষ্ট। সংক্ষেপে বিষয়টি এমন: ⛽????????সংকটের বাস্তব চিত্রতেলচালিত যানবাহনের মালিক ও চালকরা তীব্র সমস্যায় পড়েছেন।অনেক পেট্রোল পাম্প দিন-রাতের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে।তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই তেল পাচ্ছেন না।ঢাকা ও আশপাশে যানবাহন চলাচল কমে গেছে, ভোগান্তি বেড়েছে। ????সরকারের দাবিদেশে প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার টন জ্বালানি তেলের মজুত আছে।আরও প্রায় দেড় লাখ টন আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।গত বছরের তুলনায় ২৫% বেশি তেল আমদানি করা হচ্ছে বলে দাবি।সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যে ব্যবধানবাস্তবে পাম্পে তেল না পাওয়া ও যান চলাচল কমে যাওয়া সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবে সরকার বলছে—এটি সরবরাহ ব্যবস্থাপনার সাময়িক সমস্যা, মজুতের ঘাটতি নয়। অর্থাৎ, কাগজে-কলমে তেল থাকলেও তা সময়মতো মাঠে পৌঁছাচ্ছে না—এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে। ⚖️
বগুড়ায় আলুর কেজিতে ৫–৬ টাকা লোকসানবাম্পার ফলন হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে গিয়ে প্রতি কেজিতে প্রায় ৫–৬ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।চাষাবাদের তথ্যচলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা: ৫৫,৭৫০ হেক্টরআবাদ হয়েছে: ৫৪,৪৬৫ হেক্টরলক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম: ১,২৮৫ হেক্টররোপণ সময়: নভেম্বর–ডিসেম্বরউত্তোলন: জানুয়ারি–মার্চচাষ হওয়া প্রধান জাতলাল পাকড়িএস্টারিক্সকার্ডিনালডায়মন্ডগ্র্যানোলাসহ প্রায় ২০টি জাত কেন লোকসান?বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহ (বাম্পার ফলন)পাইকারি বাজারে কম দামসংরক্ষণ (হিমাগার) খরচ বেশিপরিবহন খরচ বৃদ্ধিচাষিদের আশঙ্কাঅনেকেই আগামী মৌসুমে আলু চাষ কমানোর কথা ভাবছেনএতে ভবিষ্যতে সরবরাহ কমে দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে