সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ বি এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, সরকারের বহুল আলোচিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি একটি ইউনিভার্সাল সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে প্রথম ধাপে দেশের তিন শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই কার্ড পাবেন—হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকার ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, “এটি কোনো সীমিত প্রকল্প নয়। এটি একটি ইউনিভার্সাল কার্ড। ধাপে ধাপে দেশের সব নাগরিককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। তবে যাদের আর্থিক অবস্থা সবচেয়ে নাজুক, তাদের দিয়েই কার্যক্রম শুরু করা হবে।” তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ, রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রকৃত উপকারভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।অগ্রাধিকারভিত্তিক তিন শ্রেণিসরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে যে তিন শ্রেণির নাগরিক কার্ড পাবেন, তারা হলেন—হতদরিদ্র পরিবারদরিদ্র পরিবারনিম্নবিত্ত পরিবারসরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়-ব্যয়ের তথ্য ও সামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।উদ্বোধন ১০ মার্চমন্ত্রী জানান, আগামী ১০ মার্চ দেশের ১৪টি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের পর পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।কী সুবিধা মিলবে?যদিও এখনো বিস্তারিত সুবিধা প্যাকেজ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে—ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যসামগ্রী, নির্দিষ্ট আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার সুবিধা দেওয়া হতে পারে। এছাড়া ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সহায়তা ও জরুরি দুর্যোগ সহায়তাও এই কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আশ্বাসসমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, উপকারভোগী নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ডাটাবেইস তৈরি করা হচ্ছে। যাতে একই ব্যক্তি একাধিক সুবিধা না পান এবং প্রকৃত দরিদ্ররা বঞ্চিত না হন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সরকারের দাবি, ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে দেশের নিম্নআয়ের মানুষ একটি সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর আওতায় আসবেন। এতে দারিদ্র্য হ্রাস ও জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
আর্কাইভ
অনলাইন জরিপ
ঢাকা-৬ আসনের বাসাবাড়িতে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নিরসনে বৈঠক করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে তিনি তিতাস গ্যাস এর আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক করেন।বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৬ এর বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছেন। রান্না ও দৈনন্দিন কাজের জন্য এ সমস্যা তাদের জন্য বিরাট ভোগান্তি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় প্রতিমন্ত্রী গ্যাস সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন।এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বাসাবাড়ির গ্যাস সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি ধারাবাহিকভাবে তিতাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন এবং সমস্যার সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রীমোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ–এর বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বন্দরটিকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে বর্তমান সরকার।নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করা হবে। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তিনি জানান, বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে কাস্টমস কার্যক্রম সহজীকরণ, জেটি ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংযোগ অবকাঠামো—সড়ক, রেল ও নৌপথ—আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে করে পণ্য খালাসের সময় কমবে এবং পরিবহন ব্যয় হ্রাস পাবে।মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক। এই বন্দরকে আঞ্চলিক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।সরকারের প্রত্যাশা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে মোংলা বন্দরের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।
মোংলা বন্দর–এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: নৌমন্ত্রীদায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মোংলায় পৌঁছে তিনি বন্দরের সভাকক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে জেটি ও অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।মন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের ভৌগোলিক অবস্থান ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।বৈঠকে বন্দরের বর্তমান কার্যক্রম, পণ্য হ্যান্ডলিং সক্ষমতা, জাহাজ আগমন-নির্গমন, ড্রেজিং পরিস্থিতি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বন্দরের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রী এসব সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সড়ক, রেল ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে বন্দরের সঙ্গে জাতীয় ও আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কের সংযোগ আরও শক্তিশালী করা হবে। এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায়ীরা বিকল্প বন্দর সুবিধা আরও বেশি ব্যবহার করতে পারবেন।মন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর মাধ্যমে মোংলা বন্দরের কার্যকারিতা বাড়ানো হবে।পরিদর্শন শেষে তিনি সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ–এ পণ্যজট নিরসনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ইয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে পণ্য খালাস নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও অংশীজনকে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের প্রতিনিধি, শীর্ষ ব্যবসায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস–এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক স্ক্যানিং মেশিন অচল থাকার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি দ্রুত এসব যন্ত্রপাতি সচল করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “এত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি কীভাবে দিনের পর দিন অচল থাকে? এ ধরনের গাফিলতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”তিনি আরও বলেন, স্ক্যানিং মেশিন অচল থাকায় পণ্য খালাস প্রক্রিয়া ধীরগতির হচ্ছে, যা পণ্যজট সৃষ্টি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং বাজার ব্যবস্থায়ও প্রভাব পড়ছে।অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করে দ্রুত পণ্যজট নিরসন ও বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনতে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না—এমন আশ্বাস দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো কষ্ট না ভোগে।ধর্মমন্ত্রী শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বদ্ধপরিকর। আমার বিশ্বাস, দ্রব্যমূল্য কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না।”এটি তার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের সংসদীয় আসনে প্রথম আগমন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা
রমজানে কাঁচাবাজারে আগুন, করলা-কাঁচামরিচের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি স্পষ্ট। ছোলা ও মুড়ির মতো কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য উপাদান—লেবু, কাঁচামরিচ ও শসার দামে লেগেছে ‘আগুন’। কোথাও কোথাও করলা ও কাঁচামরিচের কেজি দর ২০০ টাকার ঘর ছুঁয়েছে, যা ক্রেতাদের ভাষায় ‘ডাবল সেঞ্চুরি’।ইফতারকেন্দ্রিক চাহিদা, বাড়ছে চাপরমজানে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ থাকলেও খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে লেবু ও কাঁচামরিচ—যেগুলো প্রতিদিনের ইফতারে প্রয়োজন—সেগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। শসা ও বিভিন্ন ফলের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।কারও কারও অভিযোগ, আড়ত ও খুচরা পর্যায়ে একাধিক হাত বদলের ফলে দাম বাড়ছে। আবার অনেক বিক্রেতা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই খুচরা পর্যায়ে কমানোর সুযোগ নেই।ক্রেতাদের ক্ষোভবাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন, নিয়মিত ও কার্যকর বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। রমজানের মতো সংবেদনশীল সময়ে প্রশাসনের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি তাদের।একজন ক্রেতার ভাষায়, “রমজান এলেই কেন সবকিছুর দাম বাড়ে? নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে নিয়মিত অভিযান দরকার।”বিক্রেতাদের বক্তব্যখুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। এছাড়া মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাবেও সবজির দামে ওঠানামা হচ্ছে।করণীয় কী?ভোক্তারা মনে করছেন—নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট জোরদার করাপাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের দামের তালিকা প্রকাশপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করারমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাই করছেন অনেকেই।