ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষে'ধাজ্ঞা জারি

জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভ'য়াবহ হামলা: নি'হত ৫, আ'হত বহু

প্রতিমন্ত্রীর গানম্যানের বে'পরো'য়া তা'ণ্ডব: সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হু'মকি।

১০

পরাজিত হয়েছেন আলোচিত যেসব প্রার্থী

জনপ্রিয় সব খবর

রংপুর শাপলা সিনেমা হলে অনৈতিক কাজের অভিযোগ ১৬ জন তরুণী এবং ১৯ জন তরুণসহ মোট ৩৫&039জনকে আ/ট/ক করেছে মেট্রো ডিবি পুলিশ

৯নং চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন: মাদ'ক ও জুয়ামুক্ত আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার

কুড়িগ্রামে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চো'র চ'ক্রের ৯ সদস্য গ্রে'ফতার: ১০টি বাইক উদ্ধার

লিটল স্কলার্স হাইস্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধনা ও দোয়া মাহফিল

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার তিনি কে?

হরমুজে ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগও বন্ধ করল ইরান

এনসিপিতে জুলাই আন্দো'লনের ৩০ জনের যোগদান

বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

জমিতে সেচ দিতে চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের লাইনে দাঁড়িয়েছেন গৃহিনীরা

১০

কুড়িগ্রামে ছাত্রশিবিরের পলিটেকনিক সভাপতির ওপর ছাত্রদলের হামলার

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

মতলব সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি জালাল উদ্দিন

মতলব সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি জালাল উদ্দিন

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় আকস্মিক পরিদর্শন করেন চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য ড.মো. জালাল উদ্দিন। এসময় তিনি হাসপাতালের পুরুষ, মহিলা ও শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং ভর্তিকৃত রোগী ও রোগীর স্বজনদের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসা ব্যবস্থা, সরকারি ঔষধ সরবরাহ এবং খাবারের মান সম্পর্কে কোন ধরনের অভিযোগ আছে কিনা তা জানতে চান ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি। তবে চিকিৎসা সেবা নিয়ে রোগীদের  কোনো অভিযোগ না থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এমপি। পরে তিনি  হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, রোগীদের সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা এবং ওষুধের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে হবে।  নার্স ও টেকনোলজিস্টদের সময়মতো উপস্থিতি এবং রোগীদের সেবায় অবহেলা করা যাবে না। হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট এবং সামগ্রিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। রোগীদের বিনামূল্যে সরকারি ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।বহিঃবিভাগে  টিকিট কাউন্টারে এবং জরুরি বিভাগে সেবায় ভোগান্তি না হয় নিয়মিত মনিটরিং করতে হব।হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা সেবা পায় সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশী  গুরুত্ব দিয়েছেন। হাসপাতালে কোনো অনিয়ম হলে আপনার তুলে ধরবেন, পাশাপাশি ভাল দিকগুলোও প্রচার করবেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার গোলাম রায়হান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাজিব কিশোর বণিক সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ

শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে দেয়া হয়েছে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটেছে।ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এদিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার ৫ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন। উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ কর্তব্যরত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এই ঘটনায় রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে ঘটনাটি এক কান দু'কান হলে একাধিক গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি অবগত হন।এ ব্যাপারে উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আবু ইউসুফ জানান, একই সময়ে ওই দুই রোগী সেবা নিতে আসেন। ভুলবশত জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তবে এতে রোগীর কোনো সমস্যা নেই। আমি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। এ ভ্যাকসিনটি ভুলক্রমে দেওয়া হলেও রোগীর কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তারপরও দায়িত্বরত উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দায়িত্বে অবহেলা করেছে মর্মে তাকে বিধি-মোতাবেক শোকজ করা হবে।জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেন।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুদের হামের টিকার ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুদের হামের টিকার ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ

২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুদের হামের টিকার ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আইনি নোটিশমানবাধিকার কর্মী এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া বুধবার (১ এপ্রিল) সরকারের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের শিশুদের হামের টিকার ব্যবস্থা করার জন্য আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে উদ্দেশ্য করে জানানো হয়েছে যে, দেশে কিছুদিন ধরে হামের টিকার অভাবে শিশুদের মধ্যে হামে সংক্রমণ বেড়ে গেছে।দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে। অথচ, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এই সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া নোটিশে সতর্ক করেছেন, এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।তিনি সরকারের প্রতি তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে দেশের শিশুদের নিরাপদ রাখতে এবং হামে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানো যায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, টিকার তৎপর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শিশুরা মারাত্মকভাবে বিপদের মুখে পড়তে পারে।সরকার এই নোটিশ পাওয়ার পর কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে তা নজরদারির আওতায় রয়েছে। পরিস্থিতি দেখছে দেশবাসীও, যারা আশা করছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখনই তৎপর হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

জমি বন্টন নিয়ে ছেলে নিজ  মা বোনকে মে'রে মেডিকেলে ভর্তি

জমি বন্টন নিয়ে ছেলে নিজ মা বোনকে মে'রে মেডিকেলে ভর্তি

জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে মনোমালিন্য তারপর ছেলের  পিটুনিতে  মা  ও বোন মেডিকেলে ভর্তি। ২২ মার্চ( রবিবার)  বগুড়ার শিবগঞ্জের  মোকামতলা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।  সত মা ও বোনের সাথে জমির অংশ ভাগবাটোয়ারা নিয়ে অসন্তুষ্ট দুই ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), আপেল মিয়া (৩২) বৃদ্ধ সত মা(৬০) ও বোনকে (২৯)  মারধর করে। এতে মায়ের মাথা ফেটে গুরুতর আহত হলে গ্রামবাসী তাদেরকে  উদ্ধার করে শহীদ জিয়া মেডিকেলে ভর্তি করে।  জানা যায়, ঈদের পরদিনে দুপুর ১২ টায় দফায় দফায়  পিটুনিতে সত মা, বোন,ভাই,ছোট ভাগনেকে ইচ্ছে মতো নির্যাতন করতে থাকে। গ্রামবাসী বাঁধা দিলেও  তারা শুনে না। ঘটনা ঘটার পরে আইনের আশ্রয় নিতে যেতে ও বাঁধা প্রধান করে বলে জানা যায়। গ্রামবাসী জানায়, অন্যায়ভাবে এমন নির্যাতন অমানবিক একটি ঘটনা।  তারা চায় এমন অমানবিক ঘটনা যেন সমাজে না ঘটে। শিবগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগী মা বোন আইনের আশ্রয় চেয়ে জিডি করেছে।  

বিশেষ প্রতিবেদন

এনসিপিতে জুলাই আন্দো'লনের ৩০ জনের যোগদান

এনসিপিতে জুলাই আন্দো'লনের ৩০ জনের যোগদান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে নতুন করে রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়ছে, যেখানে এবার যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ‘আপ বাংলাদেশ’-এর ৩০ জন নেতাকর্মী। রোববার দুপুরে দলের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন।জুলাই আন্দোলনের এই অংশগ্রহণকারীরা মূলত তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, শিক্ষা ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় ছিলেন। তাদের এই যোগদানকে এনসিপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও মাঠপর্যায়ের সংগঠনকে আরও গতিশীল করার ক্ষেত্রে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা জানান, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি বিকল্প শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যেই তারা এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তাদের মতে, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।এনসিপির পক্ষ থেকেও নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানানো হয় এবং বলা হয়, তরুণদের এই সম্পৃক্ততা দলকে আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত করতে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আরও নতুন মুখ ও আন্দোলনকর্মীদের দলে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ছাত্র ও নাগরিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তরুণদের রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে, যা দেশের রাজনীতিতে নতুন ধারা তৈরি করতে পারে।

১৪ ঘন্টা আগে

অপরাধ ও দুর্নীতি

 নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বি'রুদ্ধে মা'মলা, পলা'তক

নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বি'রুদ্ধে মা'মলা, পলা'তক

নাগেশ্বরীতে ছাত্রকে বলাৎকার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা, পলাতকনিজস্ব প্রতিবেদক, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ওমর ফারুক (৪০) উপজেলার আনছারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং ‘তালেপের হাট সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুল’-এর পরিচালক। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।মামলার বিবরণ ও লোমহর্ষক ঘটনামামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ রাত ৯টার দিকে শিক্ষক ওমর ফারুক নাগেশ্বরী পৌরসভার টিএনটি মোড়স্থ তার নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে সঙ্গে নিয়ে যান। পথিমধ্যে ছাত্রটিকে পান-সিগারেট খাওয়ার প্রস্তাব দিলে সে তা প্রত্যাখ্যান করে। রাত পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রটিকে নিয়ে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান না থাকার সুযোগে গভীর রাতে ওই ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়ন শুরু করেন তিনি।ছাত্রটি অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হলে তাকে মারধর এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হলে ছাত্রটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতভর পাশবিক নির্যাতনের পর ভোর ৫টার দিকে ছাত্রটিকে গোসল করিয়ে আবারও স্কুলের আবাসিকে রেখে সটকে পড়েন শিক্ষক ওমর ফারুক।ভুক্তভোগীর আকুতি ও বর্তমান অবস্থাভুক্তভোগী ছাত্রটি সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের ধনী গাগলা এলাকার বাসিন্দা। নির্যাতনের পর সে কৌশলে তার বাবাকে অসুস্থতার কথা জানিয়ে বাড়িতে চলে যায় এবং পরিবারের কাছে বিস্তারিত খুলে বলে। বর্তমানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, তবে সে প্রচণ্ড আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।স্কুল ও এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়াএই ঘটনার পর থেকে ‘সৃষ্টি পাবলিক মডেল স্কুল’ শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক ওমর ফারুক এর আগেও এ ধরণের একাধিক অনৈতিক ঘটনা ঘটিয়েছেন। স্থানীয় শিক্ষক নুর ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একজন শিক্ষকের এমন আচরণে আমরা লজ্জিত। এমন শিক্ষককে কঠিন শাস্তি না দিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় ঘটবে।"মামলা তুলে নিতে হুমকিভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে ওমর ফারুকের অনুসারীরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং মামলা তুলে নিতে তাদের প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে আসছে। ফলে বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।প্রশাসনের বক্তব্যউপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান জানান: "অভিযোগ পাওয়ার পর সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দিয়ে তদন্ত করানো হয়েছে। বর্তমানে বৃত্তি পরীক্ষা চলমান থাকায় রিপোর্টটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো সম্ভব হয়নি। পরীক্ষা শেষ হলেই দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।"নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান বলেন: "এ ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

১৮ এপ্রিল ২০২৬

শিল্প ও বানিজ্য

 বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। / বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে—এই সিদ্ধান্তটি ইচ্ছাকৃত নয়, বরং পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়েই নেওয়া হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের ওপর। আগে সরকার ভর্তুকি দিয়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করলেও, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ভর্তুকি দেওয়া অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। ফলে টেকসই সমাধানের জন্যই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই মূল্যবৃদ্ধি সাময়িক চাপ সৃষ্টি করলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎস, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।তবে বাস্তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনে পড়তে শুরু করেছে। পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।এ অবস্থায় সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে মূল্য পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে আপাতত আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যৌক্তিক বলে মনে করছে সরকার।

  জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারকে সাধুবাদ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির

বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। / জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারকে সাধুবাদ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দেশের জ্বালানি দামের যে পার্থক্য তৈরি হয়েছিল, তা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়কে তারা বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।সমিতির নেতারা বলছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশে তা অনেক সময় সমন্বয় করা হতো না, ফলে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের মিল থাকত না। এতে পেট্রোল পাম্প মালিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট খাতের অন্যান্য অংশীদাররাও আর্থিক চাপে পড়তেন। নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে তারা আশা করছেন।তাদের মতে, জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। এতে করে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক থাকবে এবং হঠাৎ করে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। বিশেষ করে, পাম্প পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি বা অনিশ্চয়তা তৈরি না হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ—এ দিক থেকেও এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।তবে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি স্বীকার করেছে, এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কষ্টের কারণ হতে পারে। পরিবহন ব্যয় বাড়ার মাধ্যমে এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপরও পড়তে পারে। তারপরও তারা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এই বাড়তি খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সরকার যদি পরিবহন খাত ও নিত্যপণ্যের বাজার তদারকি জোরদার করে, তাহলে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও বিকল্প জ্বালানির দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকতেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।সব মিলিয়ে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, এর প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, সেদিকেও সমানভাবে নজর দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাভাবিক চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। / দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে সরকার এখন তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের মজুদ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। তাঁর ভাষায়, এই মজুদ দিয়ে দেশের স্বাভাবিক চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ওঠানামা করলেও বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত। সরকার সময়মতো আমদানি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করার কারণে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি অনেকটা কমে এসেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিবেচনায় অন্তত প্রায় দুই মাসের জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যা একটি নিরাপদ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু আমদানি নির্ভরতা নয়, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অপচয় কমানো, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বিকল্প জ্বালানি উৎস নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প উৎপাদনের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে। পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে জ্বালানির ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।সবশেষে তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই খাতে আরও বিনিয়োগ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

নাগালের বাইরে চলে গেছে এবারের বর্ষবরণের ইলিশ। / পহেলা বৈশাখে চাঁদপুরের ইলিশের মন ৩ লাখ টাকা

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ইলিশের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহ কম থাকায় প্রতি মণ ইলিশের দাম ৩ লাখ টাকারও বেশি হয়ে গেছে। আর ইলিশের দাম এত অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে এবারের বর্ষবরণের ইলিশ।সরে জমিনে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৩ এপ্রিল সোমবার সকাল ও তার আগের দিন রোববার বিকাল থেকে উপজেলার মেঘনা নদীপাড়ের মাছের আড়তগুলোতে ইলিশের দাম অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আড়তদাররা জানায় এর মূল কারণ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত পাইকাররা। তাদের কারনেই ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৬০০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি মণ ইলিশের দাম দাঁড়াচ্ছে ৩ লাখ থেকে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকায়।অন্যদিকে, ৪শ' থেকে ৬শ' গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪শ থেকে ২ হাজার ৬শ টাকায়, যা মণপ্রতি ৯৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৪ হাজার টাকার মতো।স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে তারা জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ হওয়ায় উচ্চমূল্য সত্ত্বেও তারা ইলিশ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।অন্যদিক, স্থানীয় মাছের আড়তদার ও খচরা ব্যবসায়ীরা জানান, এ সময় ইলিশের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ তুলনামূলক অনেক কম। এর অন্যতম কারণ হিসেবে মেঘনা নদীতে দুই মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করছেন তারা। যদিও কিছু জেলে রাতের আঁধারে মাছ ধরছেন এবং কিছু জেলে সাগর থেকেও ইলিশ এনে মতলবের আড়ত ও বাজারে বিক্রি করছেন।আড়তদারদের মতে, মতলবের নদীতীরবর্তী বাজারগুলো থেকে অধিকাংশ বড় ইলিশ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দির পাইকাররা বেশি দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ আরও কমে যাচ্ছে এবং দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।আড়তদাররা জানান, নববর্ষের পর ইলিশের দাম আবার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।

পহেলা বৈশাখে চাঁদপুরের ইলিশের মন ৩ লাখ টাকা

সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে। / চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছে

চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছেমালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি ফুয়েল ট্যাংকার বুধবার রাতে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। এই ট্যাংকারগুলো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে নোঙর করবে। সেখানে পুরো জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।বন্দর সূত্র জানায়, নতুন এই সরবরাহ দেশের জ্বালানি সঙ্কট প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অকটেন মূলত যানবাহনের জন্য, আর ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয় শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে। পূর্ববর্তী কয়েক মাসে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক মূল্য ওঠানামার কারণে দেশে যোগান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ প্রবেশ ও খালাস নিশ্চিত করতে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের নৌপরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সরবরাহ সরকারের জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।সরবরাহের পরে জ্বালানি তেল বিতরণ পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন শক্তিশালী কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের নিয়মিত আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত জরুরি।

চট্টগ্রাম বন্দরে ৫১ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল পৌঁছেছে

জাহাজটি বঙ্গোপসাগর–এর কুতুবদিয়া উপকূল এলাকায় নোঙর করে। / ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ফুয়েল ট্যাংকার

মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে একটি ফুয়েল ট্যাংকার Shan Gang Fa Jian এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দর–এর বহির্নোঙরে। শুক্রবার রাতে জাহাজটি বঙ্গোপসাগর–এর কুতুবদিয়া উপকূল এলাকায় নোঙর করে। ⛴️স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস–এর ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর এটি ডিজেল নিয়ে আসা দশম জাহাজ।কী পরিমাণ জ্বালানি আছেজাহাজটিতে রয়েছে ৩৪ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেলএর মধ্যে ৫–৬ হাজার টন ডিজেল বহির্নোঙরে ছোট জাহাজে খালাস (লাইটারিং) করা হবেঅন্তত দুই ট্রিপে এই লাইটারিং সম্পন্ন করা সম্ভবলাইটারিং শেষ হলে রবিবার জাহাজটি পতেঙ্গা ডলফিন জেটি–তে ভিড়বে। সেখানে বাকি ডিজেল খালাস শেষে ট্যাংকারটি ফিরে যাবে। ????এর আগে শুক্রবারই আরও ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছেছিল, ফলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ⚡মালয়েশিয়া থেকে নতুন চালানমোট ~৩৪ হাজার টন ডিজেলআংশিক লাইটারিং বহির্নোঙরেরবিবার জেটিতে পূর্ণ খালাস

৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ফুয়েল ট্যাংকার

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনার থানায় অবস্থান

ছবি আছে২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার ঠিক কয়েকদিন আগ মুহূর্তে এসএসসি পরীক্ষার্থী তহমিনা আক্তার নামের এক মেধাবী শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে অবস্থান নিয়েছেন জিয়ানগর থানায়।শনিবার (১৮এপ্রিল) পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ১নং চাড়াখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের মেয়ে জিয়ানগর সরকারী সেতারা স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেতে  জিয়ানগর থানায় দুই দফায় হাজির হয়ে বিয়ে ঠেকাতে প্রাণ পন চেষ্টা করে যাচ্ছে। তহমিনার স্কুল সহপাঠি সূত্রে জানা যায়, তাহমিনা আক্তার একজন মেধাবী শিক্ষার্থী, সে লেখাপড়ায় খুব ভালো। সে নিয়মিত ক্লাস করা সহ স্কুলে যাওয়া-আসা করে। আমরা চাই আমাদের বান্ধী লেখা পড়া করুক। শিক্ষিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক।  ও বাল্য বিবাহের শিকার হোক সেটা আমরা কেউ চাইনা।স্থানীয় সূত্র জানা যায়, চাড়াখালী গ্রামের বড় ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আলম হাওলাদার একজন কৃষক শ্রেণীর মানুষ। অর্থনৈতিকভাবে তার অবস্থা তেমন একটা ভালো না। তবে তার মেয়েটা লেখাপড়ায় ভালো। প্রতিবেশী তাজুল ইসলাম জানান, শুনেছি অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে নাকি তার মেয়েটাকে সে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। তবে আমরাও চাই বাল্যবিবাহ হয়ে কোন মেয়ের জীবন যেন ধ্বংস না হয়। বাল্যবিবাহের বিষয়ে তাহমিনা জানান,  আমার বাবা ভাই ভাবি মিলে আমাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। আমি এই মুহূর্তে বিয়ে করতে চাচ্ছি না। আর কয়েকদিন পরে আমার এসএসসি পরীক্ষা আমি পরীক্ষা দিতে চাই। আমি লেখাপড়া করে নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে চাই। এই বয়সে আমার বিয়ে হয়ে গেলে আমার জীবনটা ধ্বংস হয়ে যাবে।  আমার বিয়ে ঠেকাতে আমি এই দুইবার থানায় এসেছি। সবার কাছে অনুরোধ আমার বিয়েটা আপনারা ঠেকান। এ বিষয়ে তহমিনার বাবা আলম হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার মেয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস হয়েছে। আমরা তহমিনার জন্য সব সময় ভালো ছেলের খোঁজ পাই না। এইবার একটা ভালো বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বিধায় আমরা রাজি হয়েছি। এবং এখানে বিয়ের কথা ঠিক করেছি। তাহমিনা বাল্য বিয়েতে রাজি না তারপরও তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে এ বিষয়ে তার কাছে  জানতে চাইলে আলম হাওলাদার জানান, আমরা চাই ওকে বিয়ে দিয়ে সংসারী করে জীবনটা দাঁড় করাতে। আর তাহামিনা চাচ্ছে লেখাপড়া করে চাকরি করতে। একটা অবিবাহিত মেয়ে চাকরি করলে মানুষজন কি বলবে।এ বিষয়ে তাহমিনার স্কুল শিক্ষক নাকির হোসেন জানান, তাহমিনাকে আমরা বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। আমরা এই বিবাহ যে কোন মূল্যে ঠেকাবো। কোন শিক্ষার্থীকেই আমরা ঝড়ে পড়তে দিবো না।জিয়ানগর থানা'র দ্বায়িত্বরত এস আই সাইদুর রহমান জানান, মেয়েটা কে আমরা বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করব। ওর অভিভাব কে ডাকা হয়েছে। বাল্যবিবাহ দিবে না এই শর্তে লিখিত আকারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে মেয়েটাকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !