ডি এস কে টিভি চ্যানেল
ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলা'র উদ্দেশ্য কী ছিল, মুখ খুললেন হাম'লাকারী

বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে আছেন। / ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলা'র উদ্দেশ্য কী ছিল, মুখ খুললেন হাম'লাকারী

সারাদেশ

আর্কাইভআর্কাইভ

কোন পোস্ট নেই !

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

কে আপনার পছন্দের ব্যক্তি ভোট দিয়ে মতামত দিন

  তারেক রহমান । বিএনপি
  ড: এসএম খালিদুজ্জামান। জামাত জোট
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামানকে

পদ্মায় বাসডুবিতে রানা প্লাজার সেই নাসিমার মৃ/ত্যু

১০ দফা দাবি মেনে নিলেন ট্রাম্প, চুক্তিতে বিজয় ইরান

ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শো'ক ঘোষণা

হা'দীকে হ"ত্যার জন্য খু"নি ফয়সালকে মীর্জা আব্বাস ৫০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন

দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করল বিআরটিএ

জুমার নামাজের সময় মসজিদে ভ'য়াবহ হামলা: নি'হত ৫, আ'হত বহু

সংসদ নির্বাচন: ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষে'ধাজ্ঞা জারি

প্রতিমন্ত্রীর গানম্যানের বে'পরো'য়া তা'ণ্ডব: সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হু'মকি।

১০

পরাজিত হয়েছেন আলোচিত যেসব প্রার্থী

জনপ্রিয় সব খবর

ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলা'র উদ্দেশ্য কী ছিল, মুখ খুললেন হাম'লাকারী

লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

ভূরুঙ্গামারীতে ড্রেজার দিয়ে অ'বৈধ বালু উত্তোলন: হু'মকির মুখে ১২ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধ

বিদ্যুৎ অফিস বো'মা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, অতঃপর..

যু'দ্ধবি'ধ্বস্ত গা'জায় একদিনে ৩০০ যুগলের বিয়ে

ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

মারা গেছেন মুক্তিযুদ্ধের ছবি তোলা কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার রঘু রাই

আমাদের মেধাস্বত্ব বিদেশে গিয়ে নিবন্ধন ও ট্রেডমার্ক পাচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর হ'ত্যার ঘটনায় যথাযথ তদন্ত ও বিচার চায় বাংলাদেশ

১০

মতলব দক্ষিণ প্রশাসন ও মতলব উত্তর প্রশাসনের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ সব খবর

স্বাস্থ্য

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম: আরও ৫ মৃ/ত্যু, আক্রা/ন্ত ছাড়ালো ২৮ হাজার

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম: আরও ৫ মৃ/ত্যু, আক্রা/ন্ত ছাড়ালো ২৮ হাজার

দেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামে একজন এবং হাম সন্দেহে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ নিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৫ মার্চ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে সারা দেশে সন্দেহভাজন হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৩৩৪ জনে। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো সংক্রামক রোগ সাধারণত টিকা-সুরক্ষা দুর্বল হলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ার পেছনে টিকা গ্রহণে ঘাটতি, স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের। একই সঙ্গে টিকাদান কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।হাম সাধারণত একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। প্রাথমিকভাবে জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এটি নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মস্তিষ্কের জটিল সংক্রমণের মতো মারাত্মক সমস্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি ভিত্তিতে ব্যাপক টিকাদান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শিশুদের টিকা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগ জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

পিরোজপুরের জিয়ানগরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন সোমবার (২০ এপ্রিল) জিয়ানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার  হাসান মো.হাফিজুর রহমানঅনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ননী গোপাল রায়।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ৭ হাজার ৭৪০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে মোট ৫ হাজার  ভ্যাকসিন সরবরাহ করা আছে । পুরো উপজেলায় ১১ টি অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত করা হবে।প্রথম দিনে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আজকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে  ৫৫১জন শিশুকে টিকা প্রদান।টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মো.হাফিজুর রহমান ,বক্তব্যে বলেন  হাম ও রুবেলা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমে এসব রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। তাই সকল অভিভাবককে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তাদের শিশুদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ধাপে ধাপে পুরো উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ক্যাম্পেইনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডাঃ আকাস সাহা, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মারুফুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তারা।

মতলব সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি জালাল উদ্দিন

মতলব সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি জালাল উদ্দিন

মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় আকস্মিক পরিদর্শন করেন চাঁদপুর -২ আসনের সংসদ সদস্য ড.মো. জালাল উদ্দিন। এসময় তিনি হাসপাতালের পুরুষ, মহিলা ও শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং ভর্তিকৃত রোগী ও রোগীর স্বজনদের সাথে কথা বলেন। চিকিৎসা ব্যবস্থা, সরকারি ঔষধ সরবরাহ এবং খাবারের মান সম্পর্কে কোন ধরনের অভিযোগ আছে কিনা তা জানতে চান ড.মো.জালাল উদ্দিন এমপি। তবে চিকিৎসা সেবা নিয়ে রোগীদের  কোনো অভিযোগ না থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এমপি। পরে তিনি  হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, রোগীদের সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা এবং ওষুধের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে হবে।  নার্স ও টেকনোলজিস্টদের সময়মতো উপস্থিতি এবং রোগীদের সেবায় অবহেলা করা যাবে না। হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট এবং সামগ্রিক পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। রোগীদের বিনামূল্যে সরকারি ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।বহিঃবিভাগে  টিকিট কাউন্টারে এবং জরুরি বিভাগে সেবায় ভোগান্তি না হয় নিয়মিত মনিটরিং করতে হব।হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যেন সঠিক চিকিৎসা সেবা পায় সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশী  গুরুত্ব দিয়েছেন। হাসপাতালে কোনো অনিয়ম হলে আপনার তুলে ধরবেন, পাশাপাশি ভাল দিকগুলোও প্রচার করবেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার গোলাম রায়হান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাজিব কিশোর বণিক সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ

শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়ার অভিযোগ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের রোগীকে দেয়া হয়েছে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটেছে।ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, এদিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার ৫ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন। উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ কর্তব্যরত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এই ঘটনায় রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে ঘটনাটি এক কান দু'কান হলে একাধিক গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি অবগত হন।এ ব্যাপারে উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আবু ইউসুফ জানান, একই সময়ে ওই দুই রোগী সেবা নিতে আসেন। ভুলবশত জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। তবে এতে রোগীর কোনো সমস্যা নেই। আমি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। এ ভ্যাকসিনটি ভুলক্রমে দেওয়া হলেও রোগীর কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তারপরও দায়িত্বরত উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার দায়িত্বে অবহেলা করেছে মর্মে তাকে বিধি-মোতাবেক শোকজ করা হবে।জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেন।

বিশেষ প্রতিবেদন

লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

ঘন ঘন লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে অবস্থানও উত্তেজনা সহ কর্মকর্তারদের অপসারণ দাবি করছে বিক্ষুব্ধ গ্রাহক বিএনপি যুবদলের ও জামাতের নেতাকর্মীরা। আজ শনিবার দুপুরে  নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন  উন্নয়ন বোর্ডের এর জেলা অফিসে গিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি র প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বিএনপি. জামাত নেতাকর্মী ও যুবদল নেতা কর্মীরা। এছাড়া টেন্ডার কাজে অনিয়মের অভিযানে  জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান ও যুবদল নেতা মোস্তাক আহমদ স্বপন দলীয় নেতা কর্মীদেরকে  শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারাও অভিযোগ করেন এই বিদ্যুৎ অফিস মিনি টঙ্গী হিসেবে পরিচিত।৫ আগস্টের পর এখনো  বিভিন্ন রুমের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি এখনো সংরক্ষিত আছে। এবং পুরাতন বিভিন্ন মালামাল অনিয়ম ভাবে টেন্ডার  দিয়েছে বলে তারা জানান। তারা এর জন্য নির্বাহী কে প্রকৌশলী দায়ী করেন। এবং তার অপসারণ দাবি করেন। নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী এই নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাও বাক বিতান্ডা হয়। পরে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান  মুস্তাক আহমেদ স্বপন পরিস্থিতি শান্ত করেন নেতাকর্মীদেরকে নির্বাহী প্রকৌশলী রুম থেকে বের করে দেন।পরে বিএনপির ও যুবদল নেতাকর্মীরা সিবিএ  এর ওই রুমটি তাদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এবং ওই রুমের তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়াই লোডশেডিং হচ্ছে। নিয়ম মোতাবেক টেন্ডার হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া পাঁচ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সিবিএ নেতারা  একটি রুম বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার ছবিগুলো রেখেছে। আমরা ঐ রুমটাতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। মূলত তারা টেন্ডার বিষয় নিয়ে  সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে  এই অভিযোগ তুলেছেন।।

১৫ মিনিট আগে

অপরাধ ও দুর্নীতি

ভূরুঙ্গামারীতে ড্রেজার দিয়ে অ'বৈধ বালু উত্তোলন: হু'মকির মুখে ১২ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধ

ভূরুঙ্গামারীতে ড্রেজার দিয়ে অ'বৈধ বালু উত্তোলন: হু'মকির মুখে ১২ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধ

ভূরুঙ্গামারীতে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: হুমকির মুখে ১২ কোটি টাকার তীর রক্ষা বাঁধনিজস্ব প্রতিবেদক, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সরকারি আইন অমান্য করে দুধকুমার নদ থেকে অবৈধভাবে ও নির্বিচারে বালু উত্তোলন করছে একটি শক্তিশালী চক্র। উপজেলার চর-ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় তিনটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলায় হুমকির মুখে পড়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নবনির্মিত তীর রক্ষা বাঁধ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী বর্ষায় বাঁধ ধসে ব্যাপক জনবসতি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।নিয়মনীতির তোয়াক্কা নেইসরেজমিনে জানা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের হামিদ মোল্লার দুই ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও মাইদুল ইসলাম এবং তিলাই ইউনিয়নের খোঁচ বাড়ি এলাকার আসাদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো প্রকার ইজারা বা অনুমতি ছাড়াই তারা নদীর বুক থেকে বালু তুলে বিক্রি করছেন। দৈনিক ৮ থেকে ১০টি ভটভটিতে করে এসব বালু পরিবহন করা হচ্ছে, যা প্রতি গাড়ি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়।ঝুঁকিতে ১২ কোটি টাকার প্রকল্পকুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় ৫শ মিটার দীর্ঘ একটি তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করছে। অথচ ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০’ অনুযায়ী বাঁধ বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও, ড্রেজার মালিকরা বাঁধের একদম কোল ঘেঁষেই বালু তুলছেন।স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল ও মিজানুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,"নদীর ভাঙন ঠেকাতে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ব্লক বসাচ্ছে, আর এই বালু ব্যবসায়ীরা ব্লকের পাশ থেকেই বালু সরাচ্ছে। এতে ব্লকের নিচের মাটি সরে গিয়ে বাঁধটি ধসে যাবে। আমরা বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালীদের ভয়ে কথা বলতে পারি না।"প্রশাসনের নিরবতা নিয়ে প্রশ্নবালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে ড্রেজার মালিক জাহাঙ্গীর আলম স্বীকার করেন যে, তাদের কোনো প্রশাসনিক অনুমতি নেই। তবে তারা মানুষের ভিটে উঁচু করার জন্য বালু তুলছেন বলে দাবি করেন।চর-ভূরুঙ্গামারী ইউপি চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন জানান, "বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।"তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্য দিবালোকে এই ধ্বংসযজ্ঞ চললেও পাউবো বা স্থানীয় প্রশাসন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, "এ বিষয়ে পুলিশের সরাসরি কিছু করার নেই। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা বা বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য ইউএনও বা এসিল্যান্ড মহোদয়ের নির্দেশনা প্রয়োজন।"উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলিজনিত কারণে না থাকায় বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এক ধরণের প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, যার সুযোগ নিচ্ছে বালু খেকো চক্রটি। অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

১৭ মিনিট আগে

শিল্প ও বানিজ্য

ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। / ভারত থেকে ২৮ টাকা কেজি দরে মরিচ আমদানি, বিক্রি ৩০০ টাকায়

দেশে কাঁচামরিচের দাম যখন ২৫০–৩০০ টাকায় পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় ভারত থেকে আমদানিকৃত মরিচের দাম কাগজে দেখানো হয়েছে মাত্র ২৮ টাকা কেজি—এমন তথ্য উঠে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে। একইভাবে আপেলের আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৩ টাকা কেজি, যা আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম। এই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সন্দেহ করছে, এখানে “আন্ডার-ইনভয়েসিং” (কম দাম দেখিয়ে আমদানি) করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে বিদেশে অতিরিক্ত অর্থ পাচার হতে পারে। তদন্তে দেখা গেছে, পুরান ঢাকার গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে প্রায় ২৩১টি এলসি খুলে প্রায় ১ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি দেখিয়েছে, যার মোট মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—যে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এসব পণ্য আমদানি দেখানো হয়েছে, তারা মূলত শাড়ি ও গহনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, কৃষিপণ্য নয়। এতে পুরো আমদানির সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর (স্ট্যান্ডার্ড, প্রিমিয়ার ও ইসলামী ব্যাংক) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেছেন, সব আমদানি বৈধভাবে করা হয়েছে এবং কম দামের কারণ হিসেবে তিনি নিম্নমানের পণ্য, পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার বিষয় উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, ঘটনাটি এখন একটি গুরুতর অর্থনৈতিক অনিয়ম হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাজারদর, আমদানির ঘোষিত মূল্য এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

 ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। / ৩৪ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ

বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ জোরদার করতে প্রায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চীনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’ বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙর করে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার টনের বেশি জেট ফুয়েল রয়েছে, যা দেশের বিমান চলাচলের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জাহাজটির গভীরতা বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে ছোট জাহাজের (লাইটার) মাধ্যমে ধাপে ধাপে তেল খালাস করা হচ্ছে। আংশিক খালাসের পর জাহাজটি জেটিতে আনা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পরিমাণ জেট ফুয়েল দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের মতো চাহিদা পূরণ সম্ভব। এদিকে একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তাইওয়ান থেকে আরও কয়েকটি বড় জাহাজ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা মিলছে এবং আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে। সার্বিকভাবে, একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজের আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। / আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বারছেএর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেশে জ্বালানি সংকট ও ভোগান্তির মধ্যে আজ (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা বৃদ্ধি, দীর্ঘ লাইন এবং বাজারে অস্থিরতা কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্তে ডিজেল ও পেট্রোলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ১৩ হাজার ৪৮ টন ডিজেল, ১ হাজার ৫১১ টন পেট্রোল এবং ১ হাজার ৪২২ টন অকটেন বাজারে সরবরাহ করা হবে, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশিএই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিতে গিয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি। বিশেষ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পাম্পে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেওয়ায় চাপ বাড়ে। এর আগে সরকার জ্বালানি তেলের দামও বাড়িয়েছে, যার ফলে বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সরবরাহ বাড়ালেই পুরো সমস্যা সমাধান হবে না—সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, মজুদদারি ও কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সব মিলিয়ে, আজ থেকে বাড়তি সরবরাহ চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, তবে বাস্তবে এর প্রভাব কতটা দ্রুত পড়বে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।দেখার বিষয়।

আজ থেকে দেশে বাড়ছে জ্বালানি সরবরাহ

সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। / বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে—এই সিদ্ধান্তটি ইচ্ছাকৃত নয়, বরং পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়েই নেওয়া হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়া এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের ওপর। আগে সরকার ভর্তুকি দিয়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করলেও, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ভর্তুকি দেওয়া অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। ফলে টেকসই সমাধানের জন্যই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই মূল্যবৃদ্ধি সাময়িক চাপ সৃষ্টি করলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎস, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।তবে বাস্তবে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনে পড়তে শুরু করেছে। পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।এ অবস্থায় সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে মূল্য পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে আপাতত আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে যৌক্তিক বলে মনে করছে সরকার।

 বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। / জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারকে সাধুবাদ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দেশের জ্বালানি দামের যে পার্থক্য তৈরি হয়েছিল, তা ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধরনের চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে সরকারের সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়কে তারা বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।সমিতির নেতারা বলছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামা করলেও দেশে তা অনেক সময় সমন্বয় করা হতো না, ফলে আমদানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং পরিচালন ব্যয়ের সঙ্গে বিক্রয়মূল্যের মিল থাকত না। এতে পেট্রোল পাম্প মালিকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট খাতের অন্যান্য অংশীদাররাও আর্থিক চাপে পড়তেন। নতুন মূল্য নির্ধারণের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও কমবে বলে তারা আশা করছেন।তাদের মতে, জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হলে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। এতে করে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক থাকবে এবং হঠাৎ করে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। বিশেষ করে, পাম্প পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতি বা অনিশ্চয়তা তৈরি না হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ—এ দিক থেকেও এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।তবে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি স্বীকার করেছে, এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা কষ্টের কারণ হতে পারে। পরিবহন ব্যয় বাড়ার মাধ্যমে এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপরও পড়তে পারে। তারপরও তারা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল।এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এই বাড়তি খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে সরকার যদি পরিবহন খাত ও নিত্যপণ্যের বাজার তদারকি জোরদার করে, তাহলে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও বিকল্প জ্বালানির দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকতেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।সব মিলিয়ে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, এর প্রভাব যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, সেদিকেও সমানভাবে নজর দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারকে সাধুবাদ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির

স্বাভাবিক চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। / দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে সরকার এখন তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের মজুদ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। তাঁর ভাষায়, এই মজুদ দিয়ে দেশের স্বাভাবিক চাহিদা নিরবচ্ছিন্নভাবে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ওঠানামা করলেও বাংলাদেশ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত। সরকার সময়মতো আমদানি পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করার কারণে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি অনেকটা কমে এসেছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিবেচনায় অন্তত প্রায় দুই মাসের জ্বালানি মজুদ রয়েছে, যা একটি নিরাপদ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, শুধু আমদানি নির্ভরতা নয়, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অপচয় কমানো, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বিকল্প জ্বালানি উৎস নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমান মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প উৎপাদনের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে। পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে জ্বালানির ধারাবাহিক সরবরাহ বজায় থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।সবশেষে তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই খাতে আরও বিনিয়োগ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

দেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুদ রয়েছে:জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা

সকল জেলার খবর

নির্বাচিত খবর

ঢাকা

আর্কাইভ

জাতীয়

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বস্তায় পাওয়া গেল ৩ কেজি গাঁজা, নারী মা'দক ব্যবসায়ী আ'টক

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বস্তায় পাওয়া গেল ৩ কেজি গাঁজা, নারী মা'দক ব্যবসায়ী আ'টক

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বস্তায় পাওয়া গেল ৩ কেজি গাঁজা, নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক( কুড়িগ্রাম জেলা  প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী বাসটার্মিনাল এলাকায় সুপারি ভর্তি বস্তার আড়ালে গাঁজা পাচারের সময় এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুন্তাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল অভিযান চালায়। অভিযানে বাসটার্মিনাল এলাকায় অটোরিকশাযোগে গাঁজা পাচারের সময় ওই নারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।আটককৃত নারী মোছাঃ মমতা বেগম (৫৫), তিনি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার বেগুনতলা গ্রামের তাহের আলীর স্ত্রী বলে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, তিনি পাথরডুবী সীমান্ত এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে সুপারি বস্তার মধ্যে লুকিয়ে ঢাকাগামী একটি নৈশ কোচে ঢাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। অভিযানকালে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয় এবং সহযোগী হিসেবে এর অটোরিকশার চালককে আটক করা হয়।ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুন্তাসির মামুন মুন জানান, আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন

পডকাস্ট পডকাস্ট

    কোন পডকাস্ট নেই !