৫ হাজার টাকার বেতনে সংসার, ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীকে বাঁচাতে সর্বস্বান্ত মোয়াজ্জিন
মসজিদে আজান দিয়ে মাসে মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতন পান মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। এই সামান্য আয় দিয়ে কোনোভাবে দুজনের সংসার চললেও, স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের জীবনে নেমে এসেছে পাহাড়সম কষ্ট।
স্ত্রীকে বাঁচাতে একে একে বিক্রি করে দিয়েছেন ভিটেমাটি থেকে শুরু করে জীবনের শেষ সম্বলটুকুও। ধারদেনা করে এ পর্যন্ত ৮টি কেমোথেরাপি, সার্জারি ও ২৫টি রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসায় ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হলেও এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেননি সাবিনা।
চিকিৎসকদের মতে, জীবন বাঁচাতে আরও ১৭টি ইনজেকশন প্রয়োজন, যার প্রতিটির দাম প্রায় ৫০ হাজার টাকা। পুরো চিকিৎসা শেষ করতে আরও ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে পরিবারটি জানিয়েছে।
মোয়াজ্জিনের একমাত্র মেয়ে থাকলেও চরম দারিদ্র্যের কারণে মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পক্ষেও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সব হারিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন আব্দুল মতিন।
বগুড়া সদর থানার শেখপাড়া মন্ডলপাড়ার বাসিন্দা মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন। স্ত্রীকে বাঁচানোর আকুতি নিয়ে আজ জায়নামাজে বসে চোখের পানি ফেলছেন তিনি।
এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একজন মাকে এবং ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের হাসি।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫ হাজার টাকার বেতনে সংসার, ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীকে বাঁচাতে সর্বস্বান্ত মোয়াজ্জিন
মসজিদে আজান দিয়ে মাসে মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতন পান মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন। এই সামান্য আয় দিয়ে কোনোভাবে দুজনের সংসার চললেও, স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের জীবনে নেমে এসেছে পাহাড়সম কষ্ট।
স্ত্রীকে বাঁচাতে একে একে বিক্রি করে দিয়েছেন ভিটেমাটি থেকে শুরু করে জীবনের শেষ সম্বলটুকুও। ধারদেনা করে এ পর্যন্ত ৮টি কেমোথেরাপি, সার্জারি ও ২৫টি রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসায় ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হলেও এখনো সুস্থ হয়ে ওঠেননি সাবিনা।
চিকিৎসকদের মতে, জীবন বাঁচাতে আরও ১৭টি ইনজেকশন প্রয়োজন, যার প্রতিটির দাম প্রায় ৫০ হাজার টাকা। পুরো চিকিৎসা শেষ করতে আরও ১১ থেকে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে পরিবারটি জানিয়েছে।
মোয়াজ্জিনের একমাত্র মেয়ে থাকলেও চরম দারিদ্র্যের কারণে মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পক্ষেও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সব হারিয়ে এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন আব্দুল মতিন।
বগুড়া সদর থানার শেখপাড়া মন্ডলপাড়ার বাসিন্দা মোয়াজ্জিন মোহাম্মদ আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন। স্ত্রীকে বাঁচানোর আকুতি নিয়ে আজ জায়নামাজে বসে চোখের পানি ফেলছেন তিনি।
এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একজন মাকে এবং ফিরিয়ে দিতে পারে একটি পরিবারের হাসি।

আপনার মতামত লিখুন