ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বিশেষ প্রতিবেদন

গ্রামে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, ক্ষো'ভ সামলাতে ঢাকাতেও কমছে বিদ্যুৎ

গ্রামে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, ক্ষোভ সামলাতে ঢাকাতেও কমছে বিদ্যুৎঅতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিতে দেশের বিভিন্ন গ্রামের গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের ওপরও চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছে একযোগে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।গ্রামাঞ্চলে জনঅসন্তোষ বাড়তে থাকায় এবার নড়েচড়ে বসেছে সরকার। গ্রাম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে লোডশেডিং ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:3851]গত ১৫ দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। এলাকাভেদে দিনে ও রাতে মিলিয়ে ২ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বর্তমানে ঢাকা জোনে সর্বোচ্চ প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।অন্যদিকে, চলতি গরমে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে নিয়মিত ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হয়েছে। এর বড় অংশই গ্রামাঞ্চলের গ্রাহকদের ওপর পড়েছে। কোনো কোনো এলাকায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা, এমনকি ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে মানুষকে।এর মধ্যে গত ১০ আগস্ট দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের রেকর্ড হয়েছে। ওই দিন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট।বিদ্যুতের এই বৈষম্যপূর্ণ বণ্টন নিয়ে সমালোচনা করেছে ভোক্তা সংগঠনগুলোও। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ না রেখে শহরকেন্দ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখায় প্রান্তিক গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ছে।সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর গ্রাহকদেরও এখন লোডশেডিংয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে এতে গ্রামাঞ্চলের অতিরিক্ত ভোগান্তি ও জনঅসন্তোষ কতটা কমে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

গ্রামে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং, ক্ষো'ভ সামলাতে ঢাকাতেও কমছে বিদ্যুৎ