পেটে ক্ষুধা, চোখে জল—অসহায় নারীর নীরব কান্না ছুঁয়ে গেছে হাজারো হৃদয়একবেলা ভাতের জন্য শাকপাতা সিদ্ধ করে বেঁচে থাকা অসহায় নারী, ঠিকানা খুঁজছে মানবিক মানুষ
দুনিয়াটা সত্যিই কত অদ্ভুত! কেউ যখন প্রতিদিন সকালে নাশতায় কী খাবেন, তা নিয়ে ভাবেন, তখন আমাদেরই সমাজের খুব কাছে কোনো কোনো মানুষকে দিন শুরু করতে হয়—আজ পেটে কিছু জুটবে কি না, সেই চিন্তা নিয়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক অসহায় নারী দিনের পর দিন চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। ঘরে নেই চাল-ডাল, নেই পর্যাপ্ত খাবার। কখনো মাঠ-ঘাট বা বন-জঙ্গল থেকে কুড়িয়ে আনা শাকপাতা সিদ্ধ করে খেয়েই কোনোমতে দিন কাটছে তাঁর।
পরনের পোশাকও ছেঁড়া। ভাঙাচোরা ঘরের এক কোণে পুরোনো গামছা জড়িয়ে বসে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়া সামান্য খাবারই তাঁর বেঁচে থাকার অবলম্বন।
ভিডিওতে তাঁর কষ্টের কথা জানতে চাইলে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। শুধু চোখের পানি ফেলেছেন। তাঁর সেই নীরব কান্না যেন অভাব আর অসহায়ত্বের গভীরতাই প্রকাশ করেছে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। কেউ চান খাবার দিতে, কেউ চান আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা—এই নারীর সঠিক পরিচয় ও ঠিকানা জানা যাচ্ছে না।
তাই মানবিক মানুষদের প্রতি অনুরোধ, ভিডিওটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। হয়তো কোনো একজন তাঁর প্রতিবেশী, স্বজন বা পরিচিত মানুষকে চেনেন। একটি শেয়ারের মাধ্যমেই হয়তো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে অসহায় এই নারীর ঠিকানা।
তাঁর পরিচয় ও ঠিকানা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে অন্তত একবেলা পেটভরে খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে—এই আশাতেই চলছে তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পেটে ক্ষুধা, চোখে জল—অসহায় নারীর নীরব কান্না ছুঁয়ে গেছে হাজারো হৃদয়একবেলা ভাতের জন্য শাকপাতা সিদ্ধ করে বেঁচে থাকা অসহায় নারী, ঠিকানা খুঁজছে মানবিক মানুষ
দুনিয়াটা সত্যিই কত অদ্ভুত! কেউ যখন প্রতিদিন সকালে নাশতায় কী খাবেন, তা নিয়ে ভাবেন, তখন আমাদেরই সমাজের খুব কাছে কোনো কোনো মানুষকে দিন শুরু করতে হয়—আজ পেটে কিছু জুটবে কি না, সেই চিন্তা নিয়ে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক অসহায় নারী দিনের পর দিন চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। ঘরে নেই চাল-ডাল, নেই পর্যাপ্ত খাবার। কখনো মাঠ-ঘাট বা বন-জঙ্গল থেকে কুড়িয়ে আনা শাকপাতা সিদ্ধ করে খেয়েই কোনোমতে দিন কাটছে তাঁর।
পরনের পোশাকও ছেঁড়া। ভাঙাচোরা ঘরের এক কোণে পুরোনো গামছা জড়িয়ে বসে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়া সামান্য খাবারই তাঁর বেঁচে থাকার অবলম্বন।
ভিডিওতে তাঁর কষ্টের কথা জানতে চাইলে কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনি। শুধু চোখের পানি ফেলেছেন। তাঁর সেই নীরব কান্না যেন অভাব আর অসহায়ত্বের গভীরতাই প্রকাশ করেছে।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। কেউ চান খাবার দিতে, কেউ চান আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা—এই নারীর সঠিক পরিচয় ও ঠিকানা জানা যাচ্ছে না।
তাই মানবিক মানুষদের প্রতি অনুরোধ, ভিডিওটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। হয়তো কোনো একজন তাঁর প্রতিবেশী, স্বজন বা পরিচিত মানুষকে চেনেন। একটি শেয়ারের মাধ্যমেই হয়তো খুঁজে পাওয়া যেতে পারে অসহায় এই নারীর ঠিকানা।
তাঁর পরিচয় ও ঠিকানা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে অন্তত একবেলা পেটভরে খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে—এই আশাতেই চলছে তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা।

আপনার মতামত লিখুন