ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

 ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

জাল দলিলের তদন্ত নিয়ে দ্বন্দ্ব, সোনাইমুড়ীতে সাব-রেজিস্ট্রার ও সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

জাল দলিলের তদন্ত নিয়ে দ্বন্দ্ব, সোনাইমুড়ীতে সাব-রেজিস্ট্রার ও সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ

কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ

প্রবাসের মাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ওপর নেমে এলো ভয়া'বহ বিপর্যয়।

প্রবাসের মাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ওপর নেমে এলো ভয়া'বহ বিপর্যয়।

টাকা চুরির অভিযোগে মা'রধর, খুঁটিতে বাঁধা যুবকের মিলল ম'রদেহ আটক ২

টাকা চুরির অভিযোগে মা'রধর, খুঁটিতে বাঁধা যুবকের মিলল ম'রদেহ আটক ২

দেবিদ্বারে বাড়িঘরে হাম'লা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

দেবিদ্বারে বাড়িঘরে হাম'লা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

পাটখড়ির ঘরে অনাহারে দিন কাটাতেন,

৯০ বছরের নামদার, ৮০ বছরের বুলু—অসহায় দুই জীবনের বুকফাটা আর্ত'নাদ

৯০ বছরের নামদার, ৮০ বছরের বুলু—অসহায় দুই জীবনের বুকফাটা আর্ত'নাদ

৯০ বছরের নামদার, ৮০ বছরের বুলু—অসহায় দুই জীবনের বুকফাটা আর্তনাদ

একটু ভেবে দেখুন—আপনার পরিবারের বৃদ্ধ বাবা-মা যদি জীবনের শেষ বয়সে এসে একটি জরাজীর্ণ পাটখড়ির ঘরে অনাহারে দিন কাটাতেন, তাহলে আপনার কেমন লাগত?

৯০ বছরের নামদার আলী আর ৮০ বছরের বুলু বেগমের জীবন যেন সেই নির্মম বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন দুজনই। অথচ জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসে তাদের প্রতিদিনের সবচেয়ে বড় চিন্তা—আজ খাবার জুটবে তো?

জরাজীর্ণ পাটখড়ির ঘরেই কোনোমতে দিন কাটছে তাদের। ঘরের অবস্থা এতটাই নাজুক যে নিরাপদে বসবাস করাটাও কঠিন। তার ওপর অভাব-অনটনের কারণে অনেক সময় জোটে না দুবেলা খাবারও।

সামান্য এক চিমটি লবণ আর সাদা ভাত—এইটুকুই যেন তাদের কাছে হয়ে উঠেছে বড় পাওয়া। বয়সের ভারে শরীর আর আগের মতো কাজ করে না। কিন্তু ক্ষুধার কষ্ট তো বয়স বোঝে না।

৯০ বছরের নামদার আলী এবং ৮০ বছরের বুলু বেগমের বুকফাটা আর্তনাদ কি আমাদের বিবেককে একটুও নাড়া দেয় না?

জীবনের যে বয়সে সন্তান-স্বজনের ভালোবাসা, একটু নিরাপদ আশ্রয় আর দুবেলা খাবার পাওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা অনিশ্চয়তা আর অভাবের সঙ্গে লড়াই করছেন।

হয়তো আমাদের কারও জন্য সামান্য কিছু অর্থ, এক বস্তা চাল, কিছু প্রয়োজনীয় খাবার কিংবা একটি নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা খুব বড় কিছু নয়। কিন্তু এই বৃদ্ধ দম্পতির জন্য সেটিই হতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।

আমাদের একটু সহানুভূতি, একটু সহযোগিতা হয়তো জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়ানো এই অসহায় দুই মানুষকে অনাহার আর কষ্টের হাত থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারে।

আসুন, শুধু খবরটি দেখে দুঃখ প্রকাশ না করে—সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াই।

মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


৯০ বছরের নামদার, ৮০ বছরের বুলু—অসহায় দুই জীবনের বুকফাটা আর্ত'নাদ

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

৯০ বছরের নামদার, ৮০ বছরের বুলু—অসহায় দুই জীবনের বুকফাটা আর্তনাদ

একটু ভেবে দেখুন—আপনার পরিবারের বৃদ্ধ বাবা-মা যদি জীবনের শেষ বয়সে এসে একটি জরাজীর্ণ পাটখড়ির ঘরে অনাহারে দিন কাটাতেন, তাহলে আপনার কেমন লাগত?

৯০ বছরের নামদার আলী আর ৮০ বছরের বুলু বেগমের জীবন যেন সেই নির্মম বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন দুজনই। অথচ জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসে তাদের প্রতিদিনের সবচেয়ে বড় চিন্তা—আজ খাবার জুটবে তো?

জরাজীর্ণ পাটখড়ির ঘরেই কোনোমতে দিন কাটছে তাদের। ঘরের অবস্থা এতটাই নাজুক যে নিরাপদে বসবাস করাটাও কঠিন। তার ওপর অভাব-অনটনের কারণে অনেক সময় জোটে না দুবেলা খাবারও।

সামান্য এক চিমটি লবণ আর সাদা ভাত—এইটুকুই যেন তাদের কাছে হয়ে উঠেছে বড় পাওয়া। বয়সের ভারে শরীর আর আগের মতো কাজ করে না। কিন্তু ক্ষুধার কষ্ট তো বয়স বোঝে না।

৯০ বছরের নামদার আলী এবং ৮০ বছরের বুলু বেগমের বুকফাটা আর্তনাদ কি আমাদের বিবেককে একটুও নাড়া দেয় না?

জীবনের যে বয়সে সন্তান-স্বজনের ভালোবাসা, একটু নিরাপদ আশ্রয় আর দুবেলা খাবার পাওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা অনিশ্চয়তা আর অভাবের সঙ্গে লড়াই করছেন।

হয়তো আমাদের কারও জন্য সামান্য কিছু অর্থ, এক বস্তা চাল, কিছু প্রয়োজনীয় খাবার কিংবা একটি নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা খুব বড় কিছু নয়। কিন্তু এই বৃদ্ধ দম্পতির জন্য সেটিই হতে পারে বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।

আমাদের একটু সহানুভূতি, একটু সহযোগিতা হয়তো জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়ানো এই অসহায় দুই মানুষকে অনাহার আর কষ্টের হাত থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারে।

আসুন, শুধু খবরটি দেখে দুঃখ প্রকাশ না করে—সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াই।

মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়।



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল