ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে শংকর চন্দ্র দাসকে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং মো. আপন মিয়াকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া জাইনুর ইসলাম, মো. আসিফ, মো. মাসুদ, মোস্তাকিম, উজ্জ্বল মিয়া, মো. নয়ন, মো. সজিব মিয়া, শেখ শামিম ও ইব্রাহিমকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১১ জনকেই ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—শংকর চন্দ্র দাস, মো. আপন মিয়া, জাইনুর ইসলাম, মো. আসিফ, মো. মাসুদ, মোস্তাকিম, উজ্জ্বল মিয়া, মো. নয়ন, মো. সজিব মিয়া, শেখ শামিম ও ইব্রাহিম।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আখাউড়াকে মাদকমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ। অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে শংকর চন্দ্র দাসকে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং মো. আপন মিয়াকে পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া জাইনুর ইসলাম, মো. আসিফ, মো. মাসুদ, মোস্তাকিম, উজ্জ্বল মিয়া, মো. নয়ন, মো. সজিব মিয়া, শেখ শামিম ও ইব্রাহিমকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১১ জনকেই ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—শংকর চন্দ্র দাস, মো. আপন মিয়া, জাইনুর ইসলাম, মো. আসিফ, মো. মাসুদ, মোস্তাকিম, উজ্জ্বল মিয়া, মো. নয়ন, মো. সজিব মিয়া, শেখ শামিম ও ইব্রাহিম।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, আখাউড়াকে মাদকমুক্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন