মায়ের মৃত্যুর রহস্য ঘিরে নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ছেলে সিফাত
‘যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সেও আজ বেঁচে নেই’; মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন সিফাত
মায়ের মৃত্যুকে ঘিরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন সিফাত। তিনি জানান, যে ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে-ও বর্তমানে জীবিত নেই। তবে কী উদ্দেশ্যে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সিফাত বলেন, “যে এই অঘটন ঘটিয়েছে, সে-ও দুনিয়াতে নেই। কী উদ্দেশ্যে এমন করেছে, সেটি এখনো জানি না। পরে জানতে পেরেছি, সে প্রায় দেড় বছর আগে আমাদের বাসার ছাদে ভাড়া থাকত। ঘটনার আগে কয়েকদিন তাকে আশপাশে দেখা যায়নি বলেও শুনেছি।”
ঘটনার পেছনে আর্থিক কোনো কারণ ছিল কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সিফাত জানান, তাদের বাসার মালিক এলাকার বাইরে থাকায় ভাড়া সংগ্রহের দায়িত্ব তার মায়ের ওপর ছিল। বাসার ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত তার মায়ের কাছেই ভাড়া জমা দিতেন এবং পরে তিনি সব টাকা একসঙ্গে বাড়িওয়ালার কাছে পৌঁছে দিতেন।
তিনি বলেন, “আমরা যে বাসায় থাকি, সেই বাসার বাড়িওয়ালা আম্মুর কাছে সব দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। এখানে যত ভাড়াটিয়া ছিল, সবাই আম্মুর কাছেই টাকা জমা দিত।”
ঘটনার সময়ের স্মৃতিচারণ করে সিফাত বলেন, তার মা তাকে ফোন করার সুযোগও পাননি। এমনকি পরে মায়ের ফোনটিও খুঁজে পাননি তিনি।
“আম্মু আমাকে কল দেয়নি, হয়তো কল দেওয়ার সময়ও পায়নি। পরে আম্মুর ফোনটাও খুঁজে পাইনি। ঘটনার পর শুধু আম্মুকে হাসপাতালে নেওয়ার চিন্তাই ছিল। লকারে কী ছিল বা কোনো টাকা-পয়সা নিখোঁজ হয়েছে কি না, সেগুলো দেখার মতো পরিস্থিতি তখন ছিল না,” বলেন তিনি।
তবে পুরো ঘটনার পেছনে অর্থনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন সিফাত। তিনি বলেন, “সে টাকা-পয়সার জন্য এমন করেছে কি না, সেটাও আমি জানি না।”
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
মায়ের মৃত্যুর রহস্য ঘিরে নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ছেলে সিফাত
‘যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সেও আজ বেঁচে নেই’; মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন সিফাত
মায়ের মৃত্যুকে ঘিরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন সিফাত। তিনি জানান, যে ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সে-ও বর্তমানে জীবিত নেই। তবে কী উদ্দেশ্যে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সিফাত বলেন, “যে এই অঘটন ঘটিয়েছে, সে-ও দুনিয়াতে নেই। কী উদ্দেশ্যে এমন করেছে, সেটি এখনো জানি না। পরে জানতে পেরেছি, সে প্রায় দেড় বছর আগে আমাদের বাসার ছাদে ভাড়া থাকত। ঘটনার আগে কয়েকদিন তাকে আশপাশে দেখা যায়নি বলেও শুনেছি।”
ঘটনার পেছনে আর্থিক কোনো কারণ ছিল কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সিফাত জানান, তাদের বাসার মালিক এলাকার বাইরে থাকায় ভাড়া সংগ্রহের দায়িত্ব তার মায়ের ওপর ছিল। বাসার ভাড়াটিয়ারা নিয়মিত তার মায়ের কাছেই ভাড়া জমা দিতেন এবং পরে তিনি সব টাকা একসঙ্গে বাড়িওয়ালার কাছে পৌঁছে দিতেন।
তিনি বলেন, “আমরা যে বাসায় থাকি, সেই বাসার বাড়িওয়ালা আম্মুর কাছে সব দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন। এখানে যত ভাড়াটিয়া ছিল, সবাই আম্মুর কাছেই টাকা জমা দিত।”
ঘটনার সময়ের স্মৃতিচারণ করে সিফাত বলেন, তার মা তাকে ফোন করার সুযোগও পাননি। এমনকি পরে মায়ের ফোনটিও খুঁজে পাননি তিনি।
“আম্মু আমাকে কল দেয়নি, হয়তো কল দেওয়ার সময়ও পায়নি। পরে আম্মুর ফোনটাও খুঁজে পাইনি। ঘটনার পর শুধু আম্মুকে হাসপাতালে নেওয়ার চিন্তাই ছিল। লকারে কী ছিল বা কোনো টাকা-পয়সা নিখোঁজ হয়েছে কি না, সেগুলো দেখার মতো পরিস্থিতি তখন ছিল না,” বলেন তিনি।
তবে পুরো ঘটনার পেছনে অর্থনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন সিফাত। তিনি বলেন, “সে টাকা-পয়সার জন্য এমন করেছে কি না, সেটাও আমি জানি না।”
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন