বন্ধুর কাছে ৩ লাখ টাকা পাওনা, টাকা চাইতেই নির্মম হত্যার শিকার ব্যবসায়ী।৩ লাখ টাকা পাওনা চাওয়াই কাল হলো ব্যবসায়ীর, বন্ধুর বাসায় ডেকে হত্যার অভিযোগ
চট্টগ্রামের চকবাজারের প্লাস্টিক ব্যবসায়ী শেখ ওয়াসিম রনি বন্ধুর কাছে পাওনা ৩ লাখ টাকা চাইতে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে বন্ধুর বাসার নিচতলা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে পাওনা টাকা আনতে মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধু মাসুমের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন রনি। এরপর তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পুলিশ তদন্তে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখতে পায়, রনি গলির এক প্রান্ত দিয়ে মাসুমের বাসার দিকে প্রবেশ করছেন। কিন্তু গলির অপর প্রান্তের ক্যামেরায় তাঁকে আর বের হতে দেখা যায়নি। এরপর সন্দেহের ভিত্তিতে মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশকে হত্যার কথা স্বীকার করে বলে অভিযোগ।
পুলিশের বরাত দিয়ে জানা যায়, টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মাসুম রনিকে ঘুষি মারেন। রনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে মরদেহ গোপন করতে বাসার নিচতলার ফাঁকা জায়গায় বালি খুঁড়ে চাপা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রনির মোটরসাইকেলও লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনার তিন দিন পর মাসুমের বাসার নিচতলা থেকে বালিচাপা অবস্থায় রনির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বামীকে হারিয়ে রনির স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “তুমি না এই তিনদিন আমাদের লগে লগে আছিলা? আমার সাথে খাইলা, আমার সাথে উঠলা, আর তুমি এই কাজটা করলা?”
মাত্র ৩ লাখ টাকা পাওনা নিয়ে বন্ধুত্বের এমন পরিণতি ঘিরে এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বন্ধুর কাছে ৩ লাখ টাকা পাওনা, টাকা চাইতেই নির্মম হত্যার শিকার ব্যবসায়ী।৩ লাখ টাকা পাওনা চাওয়াই কাল হলো ব্যবসায়ীর, বন্ধুর বাসায় ডেকে হত্যার অভিযোগ
চট্টগ্রামের চকবাজারের প্লাস্টিক ব্যবসায়ী শেখ ওয়াসিম রনি বন্ধুর কাছে পাওনা ৩ লাখ টাকা চাইতে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরে বন্ধুর বাসার নিচতলা থেকে বালিচাপা অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে পাওনা টাকা আনতে মোটরসাইকেল নিয়ে বন্ধু মাসুমের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন রনি। এরপর তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পুলিশ তদন্তে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখতে পায়, রনি গলির এক প্রান্ত দিয়ে মাসুমের বাসার দিকে প্রবেশ করছেন। কিন্তু গলির অপর প্রান্তের ক্যামেরায় তাঁকে আর বের হতে দেখা যায়নি। এরপর সন্দেহের ভিত্তিতে মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশকে হত্যার কথা স্বীকার করে বলে অভিযোগ।
পুলিশের বরাত দিয়ে জানা যায়, টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মাসুম রনিকে ঘুষি মারেন। রনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে মরদেহ গোপন করতে বাসার নিচতলার ফাঁকা জায়গায় বালি খুঁড়ে চাপা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রনির মোটরসাইকেলও লুকিয়ে রাখা হয়।
ঘটনার তিন দিন পর মাসুমের বাসার নিচতলা থেকে বালিচাপা অবস্থায় রনির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বামীকে হারিয়ে রনির স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “তুমি না এই তিনদিন আমাদের লগে লগে আছিলা? আমার সাথে খাইলা, আমার সাথে উঠলা, আর তুমি এই কাজটা করলা?”
মাত্র ৩ লাখ টাকা পাওনা নিয়ে বন্ধুত্বের এমন পরিণতি ঘিরে এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।

আপনার মতামত লিখুন