ইমাম হোসেইনের (আ.) লাল পতাকায় বিদায় জানানো হচ্ছে খামেনিকে
খামেনির কফিনে কারবালার লাল পতাকা, শুরু হচ্ছে ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী হোসেইনি খামেনির কফিনের ওপর স্থাপন করা হয়েছে হযরত ইমাম হোসেইন (আ.)-এর পবিত্র মাজারের রক্তরাঙা লাল পতাকা। শিয়া মুসলিমদের কাছে এই লাল পতাকা কারবালার শাহাদাত এবং প্রতিশোধহীন রক্তের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তেহরানে নিজের বাসভবনে নিহত হন আয়াতুল্লাহ খামেনি। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কয়েক মাস স্থগিত থাকার পর অবশেষে শুরু হচ্ছে তার রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য। ইরানের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৪ জুলাই তেহরানে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হবে। এরপর ৬ জুলাই শোকমিছিল, ৭ জুলাই কোমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, ৮ জুলাই ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় বিশেষ কর্মসূচি এবং সবশেষে ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশক ইরানের নেতৃত্বে থাকা খামেনির এই বহুধাপের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও প্রতীকী শোকানুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
ইমাম হোসেইনের (আ.) লাল পতাকায় বিদায় জানানো হচ্ছে খামেনিকে
খামেনির কফিনে কারবালার লাল পতাকা, শুরু হচ্ছে ইরানের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী হোসেইনি খামেনির কফিনের ওপর স্থাপন করা হয়েছে হযরত ইমাম হোসেইন (আ.)-এর পবিত্র মাজারের রক্তরাঙা লাল পতাকা। শিয়া মুসলিমদের কাছে এই লাল পতাকা কারবালার শাহাদাত এবং প্রতিশোধহীন রক্তের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় তেহরানে নিজের বাসভবনে নিহত হন আয়াতুল্লাহ খামেনি। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কয়েক মাস স্থগিত থাকার পর অবশেষে শুরু হচ্ছে তার রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য। ইরানের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৪ জুলাই তেহরানে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হবে। এরপর ৬ জুলাই শোকমিছিল, ৭ জুলাই কোমে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা, ৮ জুলাই ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় বিশেষ কর্মসূচি এবং সবশেষে ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশক ইরানের নেতৃত্বে থাকা খামেনির এই বহুধাপের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও প্রতীকী শোকানুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন