জন্মের পর বলা হয়েছিল হাঁটতেই পারবেন না, আজ বিশ্বকাপে নায়ক; বায়ার্নে যাচ্ছেন ইসমাইল সাইবেরি
জন্মের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, বাঁকানো পায়ের কারণে তিনি হয়তো কোনোদিন স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবেন না। কিন্তু সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করে আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকায় পরিণত হয়েছেন মরক্কোর মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবেরি।
শৈশবে দীর্ঘদিন বিশেষ চিকিৎসার মাধ্যমে হাঁটা শেখেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে ছোটবেলায় স্পেন ছেড়ে বেলজিয়ামে পাড়ি জমাতে হয়। সেখানেও সহজ ছিল না পথচলা। অতিরিক্ত ওজনের কারণে একাডেমি থেকে বাদ পড়ার মতো হতাশাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি। তবে সব বাধা পেছনে ফেলে কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসে নিজের ক্যারিয়ার নতুন করে গড়ে তোলেন।
পরবর্তীতে নেদারল্যান্ডসের ক্লাব পিএসভি আইনহোভেনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ইউরোপের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলার হিসেবে পরিচিতি পান। স্পেন ও বেলজিয়ামের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার সুযোগ থাকলেও বাবা-মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে নিজের শিকড়ের দেশ মরক্কোকেই বেছে নেন তিনি।
চলমান বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ইসমাইল সাইবেরি। ব্রাজিলের বিপক্ষে অসাধারণ এক গোল, বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে মরক্কোকে শেষ ষোলোতে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যের কারণে অনেকেই তাকে 'মরক্কোর ম্যারাডোনা' বলেও আখ্যায়িত করছেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিতে যাচ্ছেন এই মরক্কান তারকা।
ইসমাইল সাইবেরির জীবনের গল্প প্রমাণ করে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দারিদ্র্য কিংবা বারবার প্রত্যাখ্যান—কোনো বাধাই মানুষের স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলা যায়।
প্রয়োজনে এটিকে আরও আবেগঘন বা ৩ মিনিটের ভিডিও নিউজ স্ক্রিপ্টের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
জন্মের পর বলা হয়েছিল হাঁটতেই পারবেন না, আজ বিশ্বকাপে নায়ক; বায়ার্নে যাচ্ছেন ইসমাইল সাইবেরি
জন্মের পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, বাঁকানো পায়ের কারণে তিনি হয়তো কোনোদিন স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবেন না। কিন্তু সেই ভবিষ্যদ্বাণীকে ভুল প্রমাণ করে আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকায় পরিণত হয়েছেন মরক্কোর মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবেরি।
শৈশবে দীর্ঘদিন বিশেষ চিকিৎসার মাধ্যমে হাঁটা শেখেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে ছোটবেলায় স্পেন ছেড়ে বেলজিয়ামে পাড়ি জমাতে হয়। সেখানেও সহজ ছিল না পথচলা। অতিরিক্ত ওজনের কারণে একাডেমি থেকে বাদ পড়ার মতো হতাশাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি। তবে সব বাধা পেছনে ফেলে কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসে নিজের ক্যারিয়ার নতুন করে গড়ে তোলেন।
পরবর্তীতে নেদারল্যান্ডসের ক্লাব পিএসভি আইনহোভেনে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে ইউরোপের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলার হিসেবে পরিচিতি পান। স্পেন ও বেলজিয়ামের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার সুযোগ থাকলেও বাবা-মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে নিজের শিকড়ের দেশ মরক্কোকেই বেছে নেন তিনি।
চলমান বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন ইসমাইল সাইবেরি। ব্রাজিলের বিপক্ষে অসাধারণ এক গোল, বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে মরক্কোকে শেষ ষোলোতে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যের কারণে অনেকেই তাকে 'মরক্কোর ম্যারাডোনা' বলেও আখ্যায়িত করছেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিতে যাচ্ছেন এই মরক্কান তারকা।
ইসমাইল সাইবেরির জীবনের গল্প প্রমাণ করে, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দারিদ্র্য কিংবা বারবার প্রত্যাখ্যান—কোনো বাধাই মানুষের স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারে না। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলা যায়।
প্রয়োজনে এটিকে আরও আবেগঘন বা ৩ মিনিটের ভিডিও নিউজ স্ক্রিপ্টের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি।

আপনার মতামত লিখুন