মুসলিম ফুটবলারদের সম্মানে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে অ্যালকোহল ব্র্যান্ডিং সরাচ্ছে ফিফা
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। এ উদ্যোগের আওতায় মুসলিমসহ কিছু খেলোয়াড়ের জন্য ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার প্রদানের সময় অ্যালকোহল সংশ্লিষ্ট স্পন্সর ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করা হচ্ছে না।
ফিফা সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত খেলোয়াড়দের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুরস্কার মঞ্চ, ট্রফি কিংবা আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে অ্যালকোহল ব্র্যান্ডের দৃশ্যমান উপস্থিতি সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মুসলিম খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হচ্ছে, কারণ ইসলামে মদ্যপান ও মদ-সংক্রান্ত প্রচারণা নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি মনে করছে, আন্তর্জাতিক আসরে বিভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ক্রীড়ার অন্তর্ভুক্তিমূলক চেত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে। এ পদক্ষেপকে অনেকেই বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে খেলোয়াড়দের ধর্মীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়ার এই উদ্যোগ ফুটবল অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, এটি কেবল মুসলিম খেলোয়াড়দের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন বিশ্বাস ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
মুসলিম ফুটবলারদের সম্মানে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে অ্যালকোহল ব্র্যান্ডিং সরাচ্ছে ফিফা
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। এ উদ্যোগের আওতায় মুসলিমসহ কিছু খেলোয়াড়ের জন্য ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার প্রদানের সময় অ্যালকোহল সংশ্লিষ্ট স্পন্সর ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করা হচ্ছে না।
ফিফা সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচিত খেলোয়াড়দের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে পুরস্কার মঞ্চ, ট্রফি কিংবা আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে অ্যালকোহল ব্র্যান্ডের দৃশ্যমান উপস্থিতি সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মুসলিম খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রয়োগ করা হচ্ছে, কারণ ইসলামে মদ্যপান ও মদ-সংক্রান্ত প্রচারণা নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি মনে করছে, আন্তর্জাতিক আসরে বিভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ক্রীড়ার অন্তর্ভুক্তিমূলক চেত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে। এ পদক্ষেপকে অনেকেই বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে খেলোয়াড়দের ধর্মীয় পরিচয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়ার এই উদ্যোগ ফুটবল অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকের মতে, এটি কেবল মুসলিম খেলোয়াড়দের জন্য নয়, বরং বিভিন্ন বিশ্বাস ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

আপনার মতামত লিখুন