ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

আমার চার সন্তান কিন্তু,আমাকে দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি

আমার চার সন্তান কিন্তু,আমাকে দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি

হাতিয়া প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক ও সাহিত্যিক এম.দিলদার উদ্দিন আর নেই ‎

হাতিয়া প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক ও সাহিত্যিক এম.দিলদার উদ্দিন আর নেই ‎

স্বামী ছেড়ে গেলেন, চাকরি হারালেন, বাবাকেও হারালেন—হার না মেনে কফির দোকানেই বদলে দিলেন জীবন

স্বামী ছেড়ে গেলেন, চাকরি হারালেন, বাবাকেও হারালেন—হার না মেনে কফির দোকানেই বদলে দিলেন জীবন

ফুটবল খেলতে গিয়ে গোলপোস্ট ভে'ঙে প্রাণ গেল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র এনায়েতের

ফুটবল খেলতে গিয়ে গোলপোস্ট ভে'ঙে প্রাণ গেল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র এনায়েতের

তুমি আমাকে অ্যাফোর্ড করতে পারবে না'—প্রেমিকার সেই কথার জবাব দিলেন সাফল্য দিয়ে ইসমাঈল সাইবারি!

তুমি আমাকে অ্যাফোর্ড করতে পারবে না'—প্রেমিকার সেই কথার জবাব দিলেন সাফল্য দিয়ে ইসমাঈল সাইবারি!

বাবা-ভাইয়ের চিকিৎসায় নিঃস্ব পরিবার, কলেজছাত্রী সুমাইয়ার আকুতি

বাবা-ভাইয়ের চিকিৎসায় নিঃস্ব পরিবার, কলেজছাত্রী সুমাইয়ার আকুতি

জন্মের পর বলা হয়েছিল হাঁটতেই পারবেন না, আজ বিশ্বকাপে নায়ক; বায়ার্নে যাচ্ছেন ইসমাইল সাইবেরি

জন্মের পর বলা হয়েছিল হাঁটতেই পারবেন না, আজ বিশ্বকাপে নায়ক; বায়ার্নে যাচ্ছেন ইসমাইল সাইবেরি

পাত্রী দেখতে যাওয়ার পথেই মর্মা'ন্তিক মৃ'ত্যু, শো'কে ভে'ঙে পড়েছে

পাত্রী দেখতে যাওয়ার পথেই মর্মা'ন্তিক মৃ'ত্যু, শো'কে ভে'ঙে পড়েছে

চার সন্তানের অবহেলায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ, শয্যাশায়ী স্ত্রীকে একাই দেখাশোনা করেন

আমার চার সন্তান কিন্তু,আমাকে দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি

আমার চার সন্তান কিন্তু,আমাকে দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি

আমাক দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আবেদন ঘিরে আলোড়ন

চার সন্তানের অবহেলায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ, শয্যাশায়ী স্ত্রীকে একাই দেখাশোনা করেন  

৯০ বছর বয়সী আব্দুর রশিদের জীবনের শেষ অধ্যায় কাটছে চরম অসহায়ত্বে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যায় নিজেই প্রায় অক্ষম। তবুও দীর্ঘ ছয় বছর ধরে শয্যাশায়ী স্ত্রীকে একাই দেখাশোনা করছেন তিনি। অথচ চার সন্তানের কেউ তার খোঁজ নেয় না, বরং বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি মারধরেরও অভিযোগ করেছেন এই বৃদ্ধ।

আব্দুর রশিদ জানান, নিজের রান্না নিজেই করেন, খাবারও নিজেই জোগাড় করেন। তিনি বলেন, “সব আমি নিজেই করি। রান্নাও আমি করি। ছেলেরা কেউ দেখে না, কেউ আসে না।”

তিনি আরও জানান, শয্যাশায়ী স্ত্রীর পায়খানা-প্রস্রাব পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সব দায়িত্বই তার কাঁধে। প্রতিবেশীরা মাঝে মাঝে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করলেও নিজের সন্তান কিংবা পুত্রবধূদের কাছ থেকে কোনো খোঁজখবর পান না।

চোখের চিকিৎসার আশায় সম্প্রতি তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি আবেদন করেন। সেখানে আবেগঘন ভাষায় লিখেছেন, “আমাকে দেখার মতো এই ভবের জগতে কেউ নেই।”

জীবনের শেষ সময়ে স্ত্রীকে ফেলে কোথাও যেতে চান না আব্দুর রশিদ। তার একমাত্র আক্ষেপ, যাদের মানুষ করতে সারাজীবন পরিশ্রম করেছেন, তারাই আজ তাকে অবহেলা করছে।

এ ঘটনায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া বিষয়টি আমলে নিয়ে চার ছেলেকে ডেকে জবাবদিহির নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সন্তানেরা দায়িত্ব পালন না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধ দম্পতির ভরণপোষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬


আমার চার সন্তান কিন্তু,আমাকে দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

আমাক দেখার মতো কেউ নেই’—৯০ বছরের বৃদ্ধের আবেদন ঘিরে আলোড়ন

চার সন্তানের অবহেলায় ৯০ বছরের বৃদ্ধ, শয্যাশায়ী স্ত্রীকে একাই দেখাশোনা করেন  

৯০ বছর বয়সী আব্দুর রশিদের জীবনের শেষ অধ্যায় কাটছে চরম অসহায়ত্বে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যায় নিজেই প্রায় অক্ষম। তবুও দীর্ঘ ছয় বছর ধরে শয্যাশায়ী স্ত্রীকে একাই দেখাশোনা করছেন তিনি। অথচ চার সন্তানের কেউ তার খোঁজ নেয় না, বরং বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি মারধরেরও অভিযোগ করেছেন এই বৃদ্ধ।

আব্দুর রশিদ জানান, নিজের রান্না নিজেই করেন, খাবারও নিজেই জোগাড় করেন। তিনি বলেন, “সব আমি নিজেই করি। রান্নাও আমি করি। ছেলেরা কেউ দেখে না, কেউ আসে না।”

তিনি আরও জানান, শয্যাশায়ী স্ত্রীর পায়খানা-প্রস্রাব পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে খাওয়ানো—সব দায়িত্বই তার কাঁধে। প্রতিবেশীরা মাঝে মাঝে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করলেও নিজের সন্তান কিংবা পুত্রবধূদের কাছ থেকে কোনো খোঁজখবর পান না।

চোখের চিকিৎসার আশায় সম্প্রতি তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি আবেদন করেন। সেখানে আবেগঘন ভাষায় লিখেছেন, “আমাকে দেখার মতো এই ভবের জগতে কেউ নেই।”

জীবনের শেষ সময়ে স্ত্রীকে ফেলে কোথাও যেতে চান না আব্দুর রশিদ। তার একমাত্র আক্ষেপ, যাদের মানুষ করতে সারাজীবন পরিশ্রম করেছেন, তারাই আজ তাকে অবহেলা করছে।

এ ঘটনায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া বিষয়টি আমলে নিয়ে চার ছেলেকে ডেকে জবাবদিহির নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সন্তানেরা দায়িত্ব পালন না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বৃদ্ধ দম্পতির ভরণপোষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল