নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বালির স্তূপের নিচে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ মো. মামুন (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি মো. মামুন নরোত্তমপুর ইউনিয়নের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে।
ডিবি পুলিশ জানায়, ছাতারপায়া এলাকায় বড় ধরনের মদের চালান মজুত রয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামুনের বাড়ির আশপাশে অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এরপর সুকৌশলে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে মাদক মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে মদের গোপন আস্তানার কথা স্বীকার করে।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত ঘরের সামনে থাকা একটি বালির স্তূপ খুঁড়ে অভিনব উপায়ে লুকিয়ে রাখা ৫৮ বোতল বিভিন্ন নামী-দামী ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের এমন সিন্ডিকেট ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ডিবির এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বালির স্তূপের নিচে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ মো. মামুন (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি মো. মামুন নরোত্তমপুর ইউনিয়নের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে।
ডিবি পুলিশ জানায়, ছাতারপায়া এলাকায় বড় ধরনের মদের চালান মজুত রয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামুনের বাড়ির আশপাশে অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল।
এরপর সুকৌশলে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে মাদক মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে মদের গোপন আস্তানার কথা স্বীকার করে।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত ঘরের সামনে থাকা একটি বালির স্তূপ খুঁড়ে অভিনব উপায়ে লুকিয়ে রাখা ৫৮ বোতল বিভিন্ন নামী-দামী ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করে পুলিশ।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের এমন সিন্ডিকেট ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ডিবির এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন