বাবা-ভাইয়ের চিকিৎসায় নিঃস্ব পরিবার, কলেজছাত্রী সুমাইয়ার আকুতি—‘একটু সাহায্য করুন’
কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি চার থেকে পাঁচটি টিউশনি করিয়ে পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন সুমাইয়া কবির। একসময়ের সচ্ছল পরিবার আজ চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গাড়ি, বাড়ি ও সঞ্চয় সব হারিয়ে নিঃস্ব। অসুস্থ বাবা, প্রতিবন্ধী ভাই ও মায়ের চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এই তরুণী।
সুমাইয়ার বাবা ৫৬ বছর বয়সী রাকিবুল কবীর একসময় সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। তবে প্রায় ১০ বছর আগে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্যবসায় লোকসান শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তার বায়িং হাউসের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিসসহ তার চিকিৎসায় প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।
এদিকে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুমাইয়ার হুইলচেয়ার-নির্ভর প্রতিবন্ধী ভাইয়েরও কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য মাসে আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মায়ের নিয়মিত ওষুধের খরচও বহন করতে হচ্ছে।
সুমাইয়া জানান, ছোটবেলায় তাদের সংসারে কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু বাবার দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার কারণে ধীরে ধীরে সব সম্পদ বিক্রি করতে হয়েছে। এখন টিউশনির আয় দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি বাবা ও ভাইয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একসময় তার বাবা আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলেও এখন পরিবারটি সংকটে পড়ার পর অনেকেই আর খোঁজ নেন না।
অসহায় এই কলেজছাত্রী দেশের বিত্তবান, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। তার ভাষায়, সময়মতো সহযোগিতা না পেলে বাবা ও ভাইকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
বাবা-ভাইয়ের চিকিৎসায় নিঃস্ব পরিবার, কলেজছাত্রী সুমাইয়ার আকুতি—‘একটু সাহায্য করুন’
কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি চার থেকে পাঁচটি টিউশনি করিয়ে পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন সুমাইয়া কবির। একসময়ের সচ্ছল পরিবার আজ চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গাড়ি, বাড়ি ও সঞ্চয় সব হারিয়ে নিঃস্ব। অসুস্থ বাবা, প্রতিবন্ধী ভাই ও মায়ের চিকিৎসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এই তরুণী।
সুমাইয়ার বাবা ৫৬ বছর বয়সী রাকিবুল কবীর একসময় সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। তবে প্রায় ১০ বছর আগে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্যবসায় লোকসান শুরু হয় এবং একপর্যায়ে তার বায়িং হাউসের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিসসহ তার চিকিৎসায় প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়।
এদিকে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুমাইয়ার হুইলচেয়ার-নির্ভর প্রতিবন্ধী ভাইয়েরও কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য মাসে আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মায়ের নিয়মিত ওষুধের খরচও বহন করতে হচ্ছে।
সুমাইয়া জানান, ছোটবেলায় তাদের সংসারে কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু বাবার দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার কারণে ধীরে ধীরে সব সম্পদ বিক্রি করতে হয়েছে। এখন টিউশনির আয় দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি বাবা ও ভাইয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একসময় তার বাবা আত্মীয়-স্বজনদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলেও এখন পরিবারটি সংকটে পড়ার পর অনেকেই আর খোঁজ নেন না।
অসহায় এই কলেজছাত্রী দেশের বিত্তবান, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। তার ভাষায়, সময়মতো সহযোগিতা না পেলে বাবা ও ভাইকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন