জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ সবার। এ দেশে মসজিদ, মন্দির, মাজারের পাশাপাশি সঙ্গীত, ওয়াজ, কনসার্ট, মাহফিল, রথযাত্রা ও সিনেমা উৎসব—সবই থাকবে। পাশাপাশি বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনারও সুযোগ থাকবে।
তিনি বলেন, “সকল ধর্মের, মতের মিলনস্থল আমার এই বাংলাদেশ। যার যেটা পছন্দ হবে, সে সেটায় যাবে, অংশ নেবে। যার যেটা পছন্দ হবে না, সে সেটায় যাবে না।”
তার মতে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ পছন্দ ও অধিকার নিশ্চিত করা এবং একজনের কর্মকাণ্ডের কারণে যেন অন্য কারও অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করা।
হাসনাত বলেন, বর্তমানে সরকার নাগরিকদের সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। এর ফলে সমতার ভিত্তিতে যে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় নেওয়া হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জুলাইয়ের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই ছিল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে সব মানুষের আন্দোলন। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করে একটি সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সেই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের চেষ্টা সেই বাংলাদেশ গড়বার জন্য। সে চেষ্টাই আমরা করছি এবং করে যাব।”
সংসদে দেওয়া তার বক্তব্যকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা তৈরি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এই পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি জেলার মানুষের সঙ্গে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ সবার। এ দেশে মসজিদ, মন্দির, মাজারের পাশাপাশি সঙ্গীত, ওয়াজ, কনসার্ট, মাহফিল, রথযাত্রা ও সিনেমা উৎসব—সবই থাকবে। পাশাপাশি বিজ্ঞ আলেমদের আলোচনারও সুযোগ থাকবে।
তিনি বলেন, “সকল ধর্মের, মতের মিলনস্থল আমার এই বাংলাদেশ। যার যেটা পছন্দ হবে, সে সেটায় যাবে, অংশ নেবে। যার যেটা পছন্দ হবে না, সে সেটায় যাবে না।”
তার মতে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ পছন্দ ও অধিকার নিশ্চিত করা এবং একজনের কর্মকাণ্ডের কারণে যেন অন্য কারও অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, তা নিশ্চিত করা।
হাসনাত বলেন, বর্তমানে সরকার নাগরিকদের সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। এর ফলে সমতার ভিত্তিতে যে বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় নেওয়া হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জুলাইয়ের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই ছিল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে সব মানুষের আন্দোলন। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যকে সম্মান করে একটি সর্বজনীন সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সেই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের চেষ্টা সেই বাংলাদেশ গড়বার জন্য। সে চেষ্টাই আমরা করছি এবং করে যাব।”
সংসদে দেওয়া তার বক্তব্যকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনা তৈরি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এই পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি জেলার মানুষের সঙ্গে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

আপনার মতামত লিখুন