বিদ্যুৎ নেই, মোবাইলের আলোয় ৩ ঘণ্টা সিজার! নবজাতকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ মা।
মোবাইলের আলোয় ৩ ঘণ্টা সিজার! নবজাতকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ মা—ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনের আলোয় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে প্রসূতির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অস্ত্রোপচারের পর প্রসূতির গুরুতর শারীরিক জটিলতা এবং নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
পরিবারের দাবি, গত ২৭ জুলাই প্রসবের জন্য লাভলী ঘরামীকে ওই ক্লিনিকে নেওয়া হয়। পরে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলেও জেনারেটর চালু না করে মোবাইল ফোনের আলোয় অস্ত্রোপচার চালানো হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
অস্ত্রোপচারের পর একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। তবে পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গোপালগঞ্জের একটি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পরিবার।
স্বজনদের আরও অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই লাভলীর অনবরত প্রস্রাব ঝরতে থাকে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তার জরায়ুতে গুরুতর জটিলতা এবং মূত্রথলিতে ছিদ্র ধরা পড়ে বলে দাবি পরিবারের।
দীর্ঘ ৩৮ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন লাভলী। এ ঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত, বিচার এবং তার চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে পরিবার। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।
তবে ক্লিনিকের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার অমিত মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি ওই অস্ত্রোপচার করেননি। ক্লিনিক পরিচালকও কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক হিসেবে যার নাম বলা হয়েছে, তিনিও তিনি সরাসরি অস্ত্রোপচার করেছেন কি না—এ বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর দেননি।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎ নেই, মোবাইলের আলোয় ৩ ঘণ্টা সিজার! নবজাতকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ মা।
মোবাইলের আলোয় ৩ ঘণ্টা সিজার! নবজাতকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ মা—ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনের আলোয় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে প্রসূতির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অস্ত্রোপচারের পর প্রসূতির গুরুতর শারীরিক জটিলতা এবং নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
পরিবারের দাবি, গত ২৭ জুলাই প্রসবের জন্য লাভলী ঘরামীকে ওই ক্লিনিকে নেওয়া হয়। পরে তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলেও জেনারেটর চালু না করে মোবাইল ফোনের আলোয় অস্ত্রোপচার চালানো হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের।
অস্ত্রোপচারের পর একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। তবে পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গোপালগঞ্জের একটি আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পরিবার।
স্বজনদের আরও অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই লাভলীর অনবরত প্রস্রাব ঝরতে থাকে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তার জরায়ুতে গুরুতর জটিলতা এবং মূত্রথলিতে ছিদ্র ধরা পড়ে বলে দাবি পরিবারের।
দীর্ঘ ৩৮ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে রয়েছেন লাভলী। এ ঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত, বিচার এবং তার চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে পরিবার। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।
তবে ক্লিনিকের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার অমিত মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি ওই অস্ত্রোপচার করেননি। ক্লিনিক পরিচালকও কোনো অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক হিসেবে যার নাম বলা হয়েছে, তিনিও তিনি সরাসরি অস্ত্রোপচার করেছেন কি না—এ বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর দেননি।

আপনার মতামত লিখুন