আনন্দের বদলে কান্না, জন্মের পরই মারা গেল জমজ সন্তান—ক্লিনিকের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ।
চট্টগ্রামে জমজ নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ
জমজ সন্তান জন্মের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত—চট্টগ্রামের ক্লিনিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নরমাল ডেলিভারিতে জমজ ছেলে সন্তানের জন্ম দেন এক টেম্পোচালকের স্ত্রী। দুই সন্তানকে ঘিরে পরিবারে যখন আনন্দের মুহূর্ত, তখনই ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় দুই নবজাতকের।
পরিবারের অভিযোগ, সন্তান জন্মের পর চিকিৎসা বাবদ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার টাকা বিল দাবি করে। দরিদ্র টেম্পোচালক বাবা টাকা সংগ্রহের জন্য ছুটে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি ৫ হাজার টাকা নিয়ে ক্লিনিকে ফিরে আসেন।
স্বজনদের অভিযোগ, বাকি টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত নবজাতক দুটিকে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে একটি কক্ষে রাখা হয়। পরে বাবা আরও ১ হাজার টাকা নিয়ে ক্লিনিকে ফেরেন। তবে এর মধ্যেই নবজাতক দুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়।
পরিবারের দাবি, মায়ের বুকের দুধ থেকে নবজাতকদের আলাদা রাখা এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না দেওয়ার কারণেই তাদের অবস্থার অবনতি ঘটে। তবে নবজাতকদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এ ঘটনায় সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর পরিবারটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের প্রশ্ন—অর্থের অভাবে কি একজন নবজাতক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মায়ের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হতে পারে?
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আনন্দের বদলে কান্না, জন্মের পরই মারা গেল জমজ সন্তান—ক্লিনিকের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ।
চট্টগ্রামে জমজ নবজাতকের মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ
জমজ সন্তান জন্মের আনন্দ মুহূর্তেই শোকে পরিণত—চট্টগ্রামের ক্লিনিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নরমাল ডেলিভারিতে জমজ ছেলে সন্তানের জন্ম দেন এক টেম্পোচালকের স্ত্রী। দুই সন্তানকে ঘিরে পরিবারে যখন আনন্দের মুহূর্ত, তখনই ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় দুই নবজাতকের।
পরিবারের অভিযোগ, সন্তান জন্মের পর চিকিৎসা বাবদ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার টাকা বিল দাবি করে। দরিদ্র টেম্পোচালক বাবা টাকা সংগ্রহের জন্য ছুটে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি ৫ হাজার টাকা নিয়ে ক্লিনিকে ফিরে আসেন।
স্বজনদের অভিযোগ, বাকি টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত নবজাতক দুটিকে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে একটি কক্ষে রাখা হয়। পরে বাবা আরও ১ হাজার টাকা নিয়ে ক্লিনিকে ফেরেন। তবে এর মধ্যেই নবজাতক দুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়।
পরিবারের দাবি, মায়ের বুকের দুধ থেকে নবজাতকদের আলাদা রাখা এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না দেওয়ার কারণেই তাদের অবস্থার অবনতি ঘটে। তবে নবজাতকদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এ ঘটনায় সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর পরিবারটি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের প্রশ্ন—অর্থের অভাবে কি একজন নবজাতক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মায়ের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হতে পারে?
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

আপনার মতামত লিখুন