‘মা শিক্ষিত হলে সন্তানও শিক্ষিত হবে’— ছেলের বউকে পড়াশোনা করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন শাশুড়ি
একজন শিক্ষিত মা-ই পারে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে— এমন বিশ্বাস থেকেই ছেলের বউকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিচ্ছেন এক শাশুড়ি। বিয়ের পর সংসারের কাজে ব্যস্ত না রেখে লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে সহযোগিতা করে তিনি এখন এলাকাজুড়ে প্রশংসিত।
জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার আগেই ছেলের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূর শিক্ষাজীবন যেন থেমে না যায়, সে জন্য সব ধরনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন শাশুড়ি। সংসারের কাজ থেকে তাকে দূরে রেখে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করেন তিনি।
শাশুড়ির ভাষায়, “আমার ছেলের বউয়ের পড়ার খুব আগ্রহ। আমি বলেছি, তুমি শুধু লেখাপড়া করো, ভালো ফলাফল করো। সব খরচ আমি বহন করব। সে এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। এখন ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছে।”
বর্তমানে তিন মাসের শিশুর মা হয়েও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ওই শিক্ষার্থী। পরীক্ষার সময় শিশুকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করেন শাশুড়ি, আর ভেতরে নিশ্চিন্তে পরীক্ষা দেন পুত্রবধূ। হৃদয়স্পর্শী এই দৃশ্য ইতোমধ্যেই অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শাশুড়ি বলেন, “মা শিক্ষিত হলে সন্তানও শিক্ষিত হবে। তাই আমি চাই আমার বউমা অনেক দূর পড়াশোনা করুক। আমার স্বপ্ন, সে একদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে।”
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এমন মানসিকতা সমাজে নারীশিক্ষা ও শিক্ষাবান্ধব পারিবারিক পরিবেশ গড়ে তুলতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
‘মা শিক্ষিত হলে সন্তানও শিক্ষিত হবে’— ছেলের বউকে পড়াশোনা করিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন শাশুড়ি
একজন শিক্ষিত মা-ই পারে একটি শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে— এমন বিশ্বাস থেকেই ছেলের বউকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দিচ্ছেন এক শাশুড়ি। বিয়ের পর সংসারের কাজে ব্যস্ত না রেখে লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে সহযোগিতা করে তিনি এখন এলাকাজুড়ে প্রশংসিত।
জানা গেছে, এসএসসি পরীক্ষার আগেই ছেলের বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূর শিক্ষাজীবন যেন থেমে না যায়, সে জন্য সব ধরনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন শাশুড়ি। সংসারের কাজ থেকে তাকে দূরে রেখে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করেন তিনি।
শাশুড়ির ভাষায়, “আমার ছেলের বউয়ের পড়ার খুব আগ্রহ। আমি বলেছি, তুমি শুধু লেখাপড়া করো, ভালো ফলাফল করো। সব খরচ আমি বহন করব। সে এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। এখন ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছে।”
বর্তমানে তিন মাসের শিশুর মা হয়েও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ওই শিক্ষার্থী। পরীক্ষার সময় শিশুকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করেন শাশুড়ি, আর ভেতরে নিশ্চিন্তে পরীক্ষা দেন পুত্রবধূ। হৃদয়স্পর্শী এই দৃশ্য ইতোমধ্যেই অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শাশুড়ি বলেন, “মা শিক্ষিত হলে সন্তানও শিক্ষিত হবে। তাই আমি চাই আমার বউমা অনেক দূর পড়াশোনা করুক। আমার স্বপ্ন, সে একদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে।”
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এমন মানসিকতা সমাজে নারীশিক্ষা ও শিক্ষাবান্ধব পারিবারিক পরিবেশ গড়ে তুলতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন