বিশ্বতারকা হয়েও শিকড় ভুলেননি হালান্ড, এখনো যান শৈশবের প্রিয় রেস্তোরাঁয়
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা Erling Haaland-এর বিনয়ী আচরণ ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে নরওয়ের ব্রিনে শহরের একটি চীনা রেস্তোরাঁ।
রেস্তোরাঁটির মালিক হুই ঝু ওয়াং জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত সেখানে যেতেন হালান্ড। বিশ্বখ্যাত ফুটবলার হওয়ার পরও সেই অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ব্রিনেতে ফিরলেই তিনি এখনো প্রিয় সেই রেস্তোরাঁয় যান।
মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিবারই হালান্ড তার পছন্দের দুটি খাবারের একটি—মিষ্টি-টক মুরগির মাংস অথবা হাঁসের পদ—অর্ডার করেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পরও হালান্ডের ব্যবহার আগের মতোই আন্তরিক ও বিনয়ী। রেস্তোরাঁয় ভক্তরা ছবি তুলতে বা অটোগ্রাফ নিতে এগিয়ে এলে তিনি কখনো বিরক্ত হন না। বরং হাসিমুখে সবার সঙ্গে সময় কাটান এবং অনুরোধ রাখার চেষ্টা করেন।
হুই ঝু ওয়াং জানান, কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে হালান্ড রেস্তোরাঁটিকে নিজের স্বাক্ষর করা দুটি জার্সি উপহার দিয়েছেন। এর একটি বর্তমানে রেস্তোরাঁর দেয়ালে ফ্রেমবন্দি করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রেস্তোরাঁর মালিক বলেন, হালান্ডের সাফল্যে তারা গর্বিত। ভবিষ্যতেও তিনি যেন আরও বড় অর্জন করেন, সেই কামনাই করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বিশ্বতারকা হয়েও শিকড় ভুলেননি হালান্ড, এখনো যান শৈশবের প্রিয় রেস্তোরাঁয়
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা Erling Haaland-এর বিনয়ী আচরণ ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে নরওয়ের ব্রিনে শহরের একটি চীনা রেস্তোরাঁ।
রেস্তোরাঁটির মালিক হুই ঝু ওয়াং জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত সেখানে যেতেন হালান্ড। বিশ্বখ্যাত ফুটবলার হওয়ার পরও সেই অভ্যাসে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ব্রিনেতে ফিরলেই তিনি এখনো প্রিয় সেই রেস্তোরাঁয় যান।
মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিবারই হালান্ড তার পছন্দের দুটি খাবারের একটি—মিষ্টি-টক মুরগির মাংস অথবা হাঁসের পদ—অর্ডার করেন।
তিনি আরও জানান, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পরও হালান্ডের ব্যবহার আগের মতোই আন্তরিক ও বিনয়ী। রেস্তোরাঁয় ভক্তরা ছবি তুলতে বা অটোগ্রাফ নিতে এগিয়ে এলে তিনি কখনো বিরক্ত হন না। বরং হাসিমুখে সবার সঙ্গে সময় কাটান এবং অনুরোধ রাখার চেষ্টা করেন।
হুই ঝু ওয়াং জানান, কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে হালান্ড রেস্তোরাঁটিকে নিজের স্বাক্ষর করা দুটি জার্সি উপহার দিয়েছেন। এর একটি বর্তমানে রেস্তোরাঁর দেয়ালে ফ্রেমবন্দি করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রেস্তোরাঁর মালিক বলেন, হালান্ডের সাফল্যে তারা গর্বিত। ভবিষ্যতেও তিনি যেন আরও বড় অর্জন করেন, সেই কামনাই করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন