ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

জনপ্রতিনিধির মিথ্যা আশা, অনন্তপুরে ভাগ্য বদলায় না কখনো।

জনপ্রতিনিধির মিথ্যা আশা, অনন্তপুরে ভাগ্য বদলায় না কখনো।
অনন্তপুরের হাজারো মানুষের একমাত্র চলাচলের রাস্তা :ছবি

জনপ্রতিনিধির মিথ্যা আশা, অনন্তপুরে ভাগ্য বদলায় না কখনো। 



‎নির্বাচন আসলেই জনপ্রতিনিধিদের  শুধুই আশ্বাসবাণী, বাস্তবে কাজের অগ্রগতি পাওয়া সোনার হরিণ। ভোগান্তিতে উত্তরবঙ্গে গ্রামে বাস করা শিশু,শিক্ষার্থী,কৃষক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী সমাজ। গ্রামীন পথ ও  অবকাঠামো উন্নয়ন তাদের কাছে যেন দুঃস্বপ্নই রইলো। 


‎ 

‎বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ  গ্রামে  রাস্তাগুলো এখনো কাঁচা অবস্থায়। উপজেলার অনন্তপুর, গনেশপুর,বাদিয়চড়া, হরিপুর,চাদপুর,আরজি পার আঁচলাইসহ গ্রামগুলোতে  জনসাধারণ  চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 


‎মোকামতলা টু জয়পুরহাট প্রধান সড়কের পাশেই অনন্তপুর গ্রাম যা বন্দর থেকে ২ কিলেমিটার দূরেই অবস্থিত। এই গ্রামটিতে একমাত্র রাস্তা প্রায় ১ কিলেমিটার যা চাতাল (মুরগির ফার্ম) হতে গ্রামের মাঝদিয়ে গনেশপুর পূর্বপাড়াকে সংযোগ করেছে।


‎স্বাধীনতার এত বছর পরেও আজও সেই   কাচা রাস্তা পাকাকরণের কোনোই  উদ্যোগ দেখা যায়নি।  গ্রামে এক হাজার  লোক ও কয়েকশো  পরিবারকে  চলাচলে  ভোগান্তির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভোগান্তি সীমা অতিক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী।


‎হালকা বৃষ্টি নামলে  রাস্তা পিচ্ছিল হয় ও পলিমাটির কাদাজমে গিয়ে চলাচলে অনুপযুক্ত হয়। ভারী বৃষ্টি পাত হলে   ভ্যান,রিকশা,সিএনজি, মোটরসাইকেল চলাচলে অনুপযুক্ত হওয়ায় প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার  হতে হয় গ্রামবাসীদের। 


‎  কদিন আগেই গ্রামের রশিদ মোল্লার নতুন  মেয়েজামাই নতুন শশুরবাড়িতে মটরসাইকেল চড়ে আসার সময় মোটরসাইকেলের চাকা কাদামাটির গর্তে আটকে উল্টে বাইক পরে যায় তারা।লোকজন দৌড়ে গিয়ে উদ্ধার করে তাদের। এমন দূর্ঘটনা  প্রতিনিয়ত মানুষদের বিপদে ফেলছে। 


‎এমদাদুল হক বলেন,  আমি সিএনজি  চালিয়ে রোজগার করি কিন্তু বর্ষাকালে  কাচা রাস্তার কারনেই গাড়ি বাড়িতে আনতে পারিনা, একটি গ্যারেজে রেখে আসি এতে গ্যারেজে টাকা গুনতে  হয় ও দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারিনা। 


‎সবুজ নামক যুবক বলেন, কষ্ট করে অটোভ্যান কিনেছি কিন্তু গ্রামের কাঁচা রাস্তায় কাঁদাতে চাকা আটকে যায়। অনেক কষ্টে ভ্যান বাড়িতে আনা লাগে । চাকার রিং  বেশিদিন টেকসই হয়না জং ধরে নষ্ট হয়। হালকা বৃষ্টি নামলেই  রাস্তার এই বেহাল দশা হয়। রাস্তাটি পাকা হলে কষ্ট লাঘব হবে।


‎গ্রামে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,

‎কৃষকদের কৃষি পন্য বাজারজাত করতে  নানা ভোগান্তিতে  পরতে হয়। কৃষিপণ্যবাহী ভ্যান গাড়ি  দেবে যায় রাস্তায়  দুই-তিনজন মিলে ঢেলতে হয় গাড়ির চাকা।  হঠাৎ কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নিতে  গ্রামে এম্বুলেন্স আসতে পারে না ফলে  জরুরী চিকিৎসাসেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী।


‎জানা যায়,পূর্বে অনন্তপুরে একটি ব্রাক স্কুলে শিশুরা পড়ালেখা করতো। বর্তমানে  শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়লেও গ্রামে কোনো বিদ্যালয় নেই তাই  প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার তাগিদে অন্য জায়গায় ছুটতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাবার সময় রাস্তায় অনেক সময় পিচলে পড়ে জামা-কাপড় নষ্ট হয় সেইদিন আর স্কুলে যাওয়া হয় না। ফলে ঐ দিন পাঠদানে  ব্যহত হন শিক্ষার্থীরা। 


‎কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে  রাস্তার গর্তে ছাইয়ের বস্তা, খড়কুটোর  বস্তা ভরে দিয়ে  কৃষি পন্যের ভ্যান পার করে ও কাদামাটির উপর ইট ফেলে  পায়ে হেঁটে যাবার চেষ্টা করে। কিন্তু দূর্ঘটনার শিকার  থেকে বাঁচে না।


‎বর্ষা নামলে গ্রামীন রাস্তায় অসুস্থ রোগী,বয়স্ক লোক  ও শিক্ষার্থীদের  চলাচল বিপদজনক হয়ে উঠে। মাটিতে অনেকেই আচার খেয়ে ব্যথা পায়। 

‎রাস্তা অবকাঠামো উন্নতির জন্য কাউকে জানানো হয়েছিল কিনা  জিজ্ঞেস করলে,


‎তারা জানান, অনেক জনপ্রনিধিকে জানানো হয়েছে। যাতাযাতে কষ্ট থেকেই জনপ্রিনিধিদের নিকট  একাধিক আবেদন করা হয়েছে। তাদের গ্রামে মেম্বার চেয়ারম্যান বছরে একবারো আসে না।    

‎মজনু ফকির বলেন, এবার ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা  বলেছিল রাস্তা পাকাকরণ  বাজেট পাশ হয়েছে কিছু দিন পর কাজ শুরু হবে । কিন্তু তা ছিল মিথ্যা আশা কোনো উন্নয়ন দেখা যায় নি। 

‎ 

‎  সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর  ঢাকায়  আবেদন করলে রাস্তা পাকাকরণের জন্য শিবগঞ্জ উপজেলার  প্রধান প্রকৌশলী( এলজিআরডি) গ্রামে একবার  রাস্তা পরিদর্শনে এসেছিলেন  তবে অগ্রগতি মেলে নি।

‎ 


‎গ্রামের মুয়াজ্জিন  বলেন, বৃষ্টির মধ্যে রাতে অন্ধকারে নামাজে যেতে খুব অসুবিধা হয়,রাস্তা পাকা হলে আমাদের সবার খুব উপকার হতো।  গ্রামের লোকদের দুর্ভোগ কমতো। 


‎সম্প্রীতি মোকামতলাকে উপজেলা ও পৌরসভায় উন্নতি করা হয়েছে,  গ্রামটি মোকামতলা ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত। সর্বস্তরের লোকদের একমাত্র দাবি  তাদের  দীর্ঘ দিনের  ভোগান্তি কমাতে একমাত্র  রাস্তাটি  যেন  দ্রুত পাকা করা হয়। 


‎ইউপি চেয়ারম্যান  ফাহিমা বেগম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে ভোগান্তি কমাতে কিছু অংশে ইটের সোলিং করা হয়েছিল কিন্তু কমাস পরেই তা নষ্ট হয়ে যায়।  পাকা করনের জন্য  আমরা উর্ধতন কর্মকর্তাকে আবেদন করেছি দ্রুত কাজের অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি। বাজেট ছাড়া আমাদের কিছু করার থাকে না। 


‎সংশ্লিষ্টরা মনে করছে গ্রামের রাস্তাগুলো পাকাকরণ ও  অবকাঠামো উন্নয়নের মাধমে  যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করলে গ্রামীণ মানুষের ভাগ্য বদলাবে ও জীবনমান পরিবর্তিত হবে। 

‎কৃষি পন্য উৎপাদন  ও পরিবহনে সহজ হলে কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে যা  দেশের অর্থনিতিতে গ্রামীণ অর্থনীতির ভুমিকা বাড়াবে।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


জনপ্রতিনিধির মিথ্যা আশা, অনন্তপুরে ভাগ্য বদলায় না কখনো।

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

জনপ্রতিনিধির মিথ্যা আশা, অনন্তপুরে ভাগ্য বদলায় না কখনো। 



‎নির্বাচন আসলেই জনপ্রতিনিধিদের  শুধুই আশ্বাসবাণী, বাস্তবে কাজের অগ্রগতি পাওয়া সোনার হরিণ। ভোগান্তিতে উত্তরবঙ্গে গ্রামে বাস করা শিশু,শিক্ষার্থী,কৃষক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী সমাজ। গ্রামীন পথ ও  অবকাঠামো উন্নয়ন তাদের কাছে যেন দুঃস্বপ্নই রইলো। 


‎ 

‎বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলা ঘুরে দেখা যায় বেশিরভাগ  গ্রামে  রাস্তাগুলো এখনো কাঁচা অবস্থায়। উপজেলার অনন্তপুর, গনেশপুর,বাদিয়চড়া, হরিপুর,চাদপুর,আরজি পার আঁচলাইসহ গ্রামগুলোতে  জনসাধারণ  চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। 


‎মোকামতলা টু জয়পুরহাট প্রধান সড়কের পাশেই অনন্তপুর গ্রাম যা বন্দর থেকে ২ কিলেমিটার দূরেই অবস্থিত। এই গ্রামটিতে একমাত্র রাস্তা প্রায় ১ কিলেমিটার যা চাতাল (মুরগির ফার্ম) হতে গ্রামের মাঝদিয়ে গনেশপুর পূর্বপাড়াকে সংযোগ করেছে।


‎স্বাধীনতার এত বছর পরেও আজও সেই   কাচা রাস্তা পাকাকরণের কোনোই  উদ্যোগ দেখা যায়নি।  গ্রামে এক হাজার  লোক ও কয়েকশো  পরিবারকে  চলাচলে  ভোগান্তির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভোগান্তি সীমা অতিক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে এলাকাবাসী।


‎হালকা বৃষ্টি নামলে  রাস্তা পিচ্ছিল হয় ও পলিমাটির কাদাজমে গিয়ে চলাচলে অনুপযুক্ত হয়। ভারী বৃষ্টি পাত হলে   ভ্যান,রিকশা,সিএনজি, মোটরসাইকেল চলাচলে অনুপযুক্ত হওয়ায় প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার  হতে হয় গ্রামবাসীদের। 


‎  কদিন আগেই গ্রামের রশিদ মোল্লার নতুন  মেয়েজামাই নতুন শশুরবাড়িতে মটরসাইকেল চড়ে আসার সময় মোটরসাইকেলের চাকা কাদামাটির গর্তে আটকে উল্টে বাইক পরে যায় তারা।লোকজন দৌড়ে গিয়ে উদ্ধার করে তাদের। এমন দূর্ঘটনা  প্রতিনিয়ত মানুষদের বিপদে ফেলছে। 


‎এমদাদুল হক বলেন,  আমি সিএনজি  চালিয়ে রোজগার করি কিন্তু বর্ষাকালে  কাচা রাস্তার কারনেই গাড়ি বাড়িতে আনতে পারিনা, একটি গ্যারেজে রেখে আসি এতে গ্যারেজে টাকা গুনতে  হয় ও দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারিনা। 


‎সবুজ নামক যুবক বলেন, কষ্ট করে অটোভ্যান কিনেছি কিন্তু গ্রামের কাঁচা রাস্তায় কাঁদাতে চাকা আটকে যায়। অনেক কষ্টে ভ্যান বাড়িতে আনা লাগে । চাকার রিং  বেশিদিন টেকসই হয়না জং ধরে নষ্ট হয়। হালকা বৃষ্টি নামলেই  রাস্তার এই বেহাল দশা হয়। রাস্তাটি পাকা হলে কষ্ট লাঘব হবে।


‎গ্রামে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়,

‎কৃষকদের কৃষি পন্য বাজারজাত করতে  নানা ভোগান্তিতে  পরতে হয়। কৃষিপণ্যবাহী ভ্যান গাড়ি  দেবে যায় রাস্তায়  দুই-তিনজন মিলে ঢেলতে হয় গাড়ির চাকা।  হঠাৎ কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নিতে  গ্রামে এম্বুলেন্স আসতে পারে না ফলে  জরুরী চিকিৎসাসেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী।


‎জানা যায়,পূর্বে অনন্তপুরে একটি ব্রাক স্কুলে শিশুরা পড়ালেখা করতো। বর্তমানে  শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়লেও গ্রামে কোনো বিদ্যালয় নেই তাই  প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার তাগিদে অন্য জায়গায় ছুটতে হচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাবার সময় রাস্তায় অনেক সময় পিচলে পড়ে জামা-কাপড় নষ্ট হয় সেইদিন আর স্কুলে যাওয়া হয় না। ফলে ঐ দিন পাঠদানে  ব্যহত হন শিক্ষার্থীরা। 


‎কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে  রাস্তার গর্তে ছাইয়ের বস্তা, খড়কুটোর  বস্তা ভরে দিয়ে  কৃষি পন্যের ভ্যান পার করে ও কাদামাটির উপর ইট ফেলে  পায়ে হেঁটে যাবার চেষ্টা করে। কিন্তু দূর্ঘটনার শিকার  থেকে বাঁচে না।


‎বর্ষা নামলে গ্রামীন রাস্তায় অসুস্থ রোগী,বয়স্ক লোক  ও শিক্ষার্থীদের  চলাচল বিপদজনক হয়ে উঠে। মাটিতে অনেকেই আচার খেয়ে ব্যথা পায়। 

‎রাস্তা অবকাঠামো উন্নতির জন্য কাউকে জানানো হয়েছিল কিনা  জিজ্ঞেস করলে,


‎তারা জানান, অনেক জনপ্রনিধিকে জানানো হয়েছে। যাতাযাতে কষ্ট থেকেই জনপ্রিনিধিদের নিকট  একাধিক আবেদন করা হয়েছে। তাদের গ্রামে মেম্বার চেয়ারম্যান বছরে একবারো আসে না।    

‎মজনু ফকির বলেন, এবার ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা  বলেছিল রাস্তা পাকাকরণ  বাজেট পাশ হয়েছে কিছু দিন পর কাজ শুরু হবে । কিন্তু তা ছিল মিথ্যা আশা কোনো উন্নয়ন দেখা যায় নি। 

‎ 

‎  সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর  ঢাকায়  আবেদন করলে রাস্তা পাকাকরণের জন্য শিবগঞ্জ উপজেলার  প্রধান প্রকৌশলী( এলজিআরডি) গ্রামে একবার  রাস্তা পরিদর্শনে এসেছিলেন  তবে অগ্রগতি মেলে নি।

‎ 


‎গ্রামের মুয়াজ্জিন  বলেন, বৃষ্টির মধ্যে রাতে অন্ধকারে নামাজে যেতে খুব অসুবিধা হয়,রাস্তা পাকা হলে আমাদের সবার খুব উপকার হতো।  গ্রামের লোকদের দুর্ভোগ কমতো। 


‎সম্প্রীতি মোকামতলাকে উপজেলা ও পৌরসভায় উন্নতি করা হয়েছে,  গ্রামটি মোকামতলা ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত। সর্বস্তরের লোকদের একমাত্র দাবি  তাদের  দীর্ঘ দিনের  ভোগান্তি কমাতে একমাত্র  রাস্তাটি  যেন  দ্রুত পাকা করা হয়। 


‎ইউপি চেয়ারম্যান  ফাহিমা বেগম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে ভোগান্তি কমাতে কিছু অংশে ইটের সোলিং করা হয়েছিল কিন্তু কমাস পরেই তা নষ্ট হয়ে যায়।  পাকা করনের জন্য  আমরা উর্ধতন কর্মকর্তাকে আবেদন করেছি দ্রুত কাজের অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি। বাজেট ছাড়া আমাদের কিছু করার থাকে না। 


‎সংশ্লিষ্টরা মনে করছে গ্রামের রাস্তাগুলো পাকাকরণ ও  অবকাঠামো উন্নয়নের মাধমে  যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করলে গ্রামীণ মানুষের ভাগ্য বদলাবে ও জীবনমান পরিবর্তিত হবে। 

‎কৃষি পন্য উৎপাদন  ও পরিবহনে সহজ হলে কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে যা  দেশের অর্থনিতিতে গ্রামীণ অর্থনীতির ভুমিকা বাড়াবে।



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল