জাহাঙ্গীরনগরে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত আটক; মোবাইলে মিলল ১৪৬ ভিডিও
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক বহিরাগতকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। আটক ব্যক্তির মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালিয়ে ১৪৬টি ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত রিয়াজ আহমেদ দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করে নারী শিক্ষার্থীদের অজান্তে, বিশেষ করে ওয়াশরুম এলাকায়, গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি এসব ভিডিও নিজের স্ত্রীর কাছেও পাঠাতেন এবং কিছু ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
ঘটনার পর সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—কতজন নারী শিক্ষার্থী এ ঘটনার শিকার হয়েছেন, তাদের পরিচয় কী এবং গোপনে ধারণ করা ভিডিওগুলো আর কোথায় কোথায় ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, এসব ভিডিও টেলিগ্রাম, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায় ১৩ দিন আগেও একই ধরনের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তবে একদিন পরই তিনি মুক্তি পান। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, আগের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটত কি না।
এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে নারী শিক্ষার্থীরা কোথায় নিরাপদ থাকবেন? বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপত্তা জোরদারের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে ভিডিওগুলোর বিস্তারের উৎস শনাক্ত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগরে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত আটক; মোবাইলে মিলল ১৪৬ ভিডিও
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক বহিরাগতকে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। আটক ব্যক্তির মোবাইল ফোন জব্দ করে তল্লাশি চালিয়ে ১৪৬টি ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত রিয়াজ আহমেদ দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করে নারী শিক্ষার্থীদের অজান্তে, বিশেষ করে ওয়াশরুম এলাকায়, গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি এসব ভিডিও নিজের স্ত্রীর কাছেও পাঠাতেন এবং কিছু ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
ঘটনার পর সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে—কতজন নারী শিক্ষার্থী এ ঘটনার শিকার হয়েছেন, তাদের পরিচয় কী এবং গোপনে ধারণ করা ভিডিওগুলো আর কোথায় কোথায় ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, এসব ভিডিও টেলিগ্রাম, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রায় ১৩ দিন আগেও একই ধরনের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তবে একদিন পরই তিনি মুক্তি পান। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, আগের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটত কি না।
এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের ভাষ্য, নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে নারী শিক্ষার্থীরা কোথায় নিরাপদ থাকবেন? বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপত্তা জোরদারের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে ভিডিওগুলোর বিস্তারের উৎস শনাক্ত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন