স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগে গৃহবধূ সায়মার মৃত্যু, ভিডিও জবানবন্দি নিয়ে বিতর্ক; অভিযুক্ত স্বামী পলাতক
নোয়াখালীর লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের রামগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ভাদুর ইউনিয়নের জয়নগরে গৃহবধূ সায়মার মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী হাফিজ মোল্লার শারীরিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন সায়মা। নির্যাতনের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের দাবি, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা অবস্থায় হাফিজ মোল্লা নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের উদ্দেশ্যে সায়মাকে দিয়ে একটি ভিডিও জবানবন্দি রেকর্ড করান। তাদের অভিযোগ, সন্তানদের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে তাকে বলতে বাধ্য করা হয় যে তিনি নিজেই বিষপান করেছেন, এতে তার স্বামীর কোনো দোষ নেই এবং তার বিরুদ্ধে যেন কেউ মামলা না করে।
এদিকে সায়মার কন্যা অভিযোগ করেন, তার বাবা নিয়মিত উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মাকে মারধর করতেন, যাতে নির্যাতনের শব্দ বাইরে না যায়। তিনি আরও দাবি করেন, তার মায়ের আঙুল কেটে দেওয়া, মাথা ফাটিয়ে দেওয়াসহ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চালানো হতো। একই সঙ্গে সন্তানদেরও শারীরিকভাবে আঘাত করা হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্যাতনের পর হাফিজ মোল্লাই সায়মাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সায়মার মৃত্যুর পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লার দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো নিহতের পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তই ঘটনার প্রকৃত সত্য নির্ধারণ করবে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
স্বামীর নির্যাতনের অভিযোগে গৃহবধূ সায়মার মৃত্যু, ভিডিও জবানবন্দি নিয়ে বিতর্ক; অভিযুক্ত স্বামী পলাতক
নোয়াখালীর লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের রামগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ভাদুর ইউনিয়নের জয়নগরে গৃহবধূ সায়মার মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী হাফিজ মোল্লার শারীরিক নির্যাতনের শিকার ছিলেন সায়মা। নির্যাতনের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের দাবি, হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা অবস্থায় হাফিজ মোল্লা নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের উদ্দেশ্যে সায়মাকে দিয়ে একটি ভিডিও জবানবন্দি রেকর্ড করান। তাদের অভিযোগ, সন্তানদের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে তাকে বলতে বাধ্য করা হয় যে তিনি নিজেই বিষপান করেছেন, এতে তার স্বামীর কোনো দোষ নেই এবং তার বিরুদ্ধে যেন কেউ মামলা না করে।
এদিকে সায়মার কন্যা অভিযোগ করেন, তার বাবা নিয়মিত উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মাকে মারধর করতেন, যাতে নির্যাতনের শব্দ বাইরে না যায়। তিনি আরও দাবি করেন, তার মায়ের আঙুল কেটে দেওয়া, মাথা ফাটিয়ে দেওয়াসহ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চালানো হতো। একই সঙ্গে সন্তানদেরও শারীরিকভাবে আঘাত করা হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্যাতনের পর হাফিজ মোল্লাই সায়মাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সায়মার মৃত্যুর পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লার দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা।
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো নিহতের পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত ও আদালতের সিদ্ধান্তই ঘটনার প্রকৃত সত্য নির্ধারণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন