সন্তানকে বাঁচাতে লিভারের অংশ দিতে প্রস্তুত বাবা, অর্থাভাবে থমকে চিকিৎসা
নিজ সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভারের একটি অংশ দান করতে প্রস্তুত হয়েছেন বাবা মো. ইমরান হোসেন জয়। প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু প্রয়োজন অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহনের অর্থ।
অসহায় বাবা ইমরান হোসেন জয় বলেন, একজন বাবা হিসেবে তিনি নিজের শরীরের একটি অংশ দিয়েও সন্তানকে বাঁচাতে চান। কিন্তু অপারেশন ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তাদের পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, প্রতিটি দিন তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বিলম্বিত হলে সন্তানের জীবন আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তিনি আরও জানান, ছেলের চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে তারা প্রায় এক মাস ধরে ভারতের চেন্নাইয়ে অবস্থান করছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আরও অন্তত তিন মাস সেখানে থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
একদিকে সন্তানের জীবন বাঁচানোর লড়াই, অন্যদিকে চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর দুশ্চিন্তা—এই দুই সংকটের মধ্যে দিন কাটছে পরিবারটির। পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে, যাতে দ্রুত অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে শিশুটির জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
সন্তানকে বাঁচাতে লিভারের অংশ দিতে প্রস্তুত বাবা, অর্থাভাবে থমকে চিকিৎসা
নিজ সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভারের একটি অংশ দান করতে প্রস্তুত হয়েছেন বাবা মো. ইমরান হোসেন জয়। প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কাগজপত্রের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু প্রয়োজন অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহনের অর্থ।
অসহায় বাবা ইমরান হোসেন জয় বলেন, একজন বাবা হিসেবে তিনি নিজের শরীরের একটি অংশ দিয়েও সন্তানকে বাঁচাতে চান। কিন্তু অপারেশন ও চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তাদের পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, প্রতিটি দিন তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বিলম্বিত হলে সন্তানের জীবন আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তিনি আরও জানান, ছেলের চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে তারা প্রায় এক মাস ধরে ভারতের চেন্নাইয়ে অবস্থান করছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, আরও অন্তত তিন মাস সেখানে থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
একদিকে সন্তানের জীবন বাঁচানোর লড়াই, অন্যদিকে চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর দুশ্চিন্তা—এই দুই সংকটের মধ্যে দিন কাটছে পরিবারটির। পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে, যাতে দ্রুত অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে শিশুটির জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।

আপনার মতামত লিখুন