ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

সৎ মায়ের হাতে নির্যাতনের অভিযোগ, অবশেষে আপন মায়ের কোলে রুবিনা

সৎ মায়ের হাতে নির্যাতনের অভিযোগ, অবশেষে আপন মায়ের কোলে রুবিনা

বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা

বাবা, আমাকে বাঁচাও”—টাকার অভাবে বন্ধ আড়াই বছরের তাওসিফের চিকিৎসা

ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল

ইচ্ছাশক্তির জয়! এক পায়ে লাফিয়ে স্কুলে যাওয়া ভাইরাল রাগিণী পেল নতুন সাইকেল

‘শিক্ষা হলো ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি এম এ হান্নান

‘শিক্ষা হলো ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি এম এ হান্নান

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

চারজনই অসুস্থ, পরিবারের ভার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিথির কাঁধে—টিউশনি করে চলছে চিকিৎসা ও সংসার

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

বিয়ের আনন্দের রাতেই বিষাদ, বাসররাতে স্ট্রোকে মারা গেলেন নববিবাহিত বর

দেড় মাসের ব্যবধানে না ফেরার দেশে জমজ দুই ভাই ইমু ও রিমু

দেড় মাসের ব্যবধানে না ফেরার দেশে জমজ দুই ভাই ইমু ও রিমু

৩৫ বছর রাজমিস্ত্রী কাজ করে ৮ মেয়েকে ডাক্তার বানালেন এই গর্বিত বাবা,দারিদ্র হেরে গেল বাবার ইচ্ছে শক্তির কাছে।

৩৫ বছর রাজমিস্ত্রী কাজ করে ৮ মেয়েকে ডাক্তার বানালেন এই গর্বিত বাবা,দারিদ্র হেরে গেল বাবার ইচ্ছে শক্তির কাছে।

সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায় তা ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রকৃত মালিকের হাতেই।

২ মাসের চেষ্টায় মালিককে খুঁজে বের করে সোনার গহনা ফিরিয়ে দিলেন মুদি দোকানি

২ মাসের চেষ্টায় মালিককে খুঁজে বের করে সোনার গহনা ফিরিয়ে দিলেন মুদি দোকানি
ছবি: Dsk tv

‎একদিন আনমনে রাস্তায় হাটছিলেন মুদি দোকানি হানিফ মিয়া (৪৭)। হঠাৎ চোখে পড়ে চাকচিক্যময় এক গহনা (কানের দুল)। কুড়িয়ে হাতে নিয়ে দেখেন এটি স্বর্ণ। তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানান আশপাশের কয়েকজনকে। তবে সোনার এই গহনা আসলে কার তা কেউ নিশ্চিত হতে পারেনি। পরে দুই মাস নিজের কাছে রেখেই নানা জায়গায় খোঁজ করেছেন গহনার মালিকের। অবশেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায় তা ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রকৃত মালিকের হাতেই।

‎সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে গহনা মালিকের সন্ধান পেয়ে তা অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবেই তার হাতে পৌঁছে দেন হানিফ মিয়া।

‎ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ এলাকায়। এই এলাকাতেই বাড়ি হানিফের। তার এমন সততায় ভাসছেন প্রশংসায়।

‎কয়েকমাস আগে এই এলাকাতেই কানের দুলটি হারান উপজেলার পাঠামারা গ্রামের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমি আক্তার। তার পরিবার এই গহনার খোঁজ করেছে নানা জায়গায়। একপর্যায়ে তা পাওয়ার আশাই ছেড়ে দেন। তবে আচমকা এমনভাবে হারানো গহনা পেয়ে অনেকটাই অবাক হন সুমি ও তার পরিবার।

‎জানা যায়, হানিফ মিয়া গহনা পাওয়ার পর বিভিন্ন মাধ্যমে খুঁজতে থাকেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক রুমন হায়দার ও আশরাফুল ইসলাম মারুফের দ্বারস্থ হন। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন তারা। এরপরই রোববার (৮ মার্চ) তা দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সুমির পরিবার। পরে তাদের যোগসাজশে হানিফ মিয়া ও সুমির পরিবারকে একসঙ্গে করে তা যাচাই-বাছাই শেষে ফিরিয়ে দেয়া হয় গহনা।

‎ 

‎এ বিষয়ে সুমির মা হনুফা আক্তার বলেন, গহনা হারিয়ে অনেক মন খারাপ ছিল। এর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এতো টাকার জিনিস পেয়েও যে কেউ ফিরিয়ে দিবে তা ভাবতে পারিনি। সমাজে এখনো অনেক ভালো মানুষ আছে। হানিফ ভাইদের মতো মানুষরা আছে বলেই বিশ্বাস শব্দটা এখনো টিকে আছে।

‎ 

‎মুদি দোকানি হানিফ মিয়া বলেন, অন্যের জিনিসের ওপর লোভ নেই। কত টাকাই বা আর পেতাম, আল্লাহ আমাকে দিলে এরচাইতে বেশি দিতে পারেন। সেই বিশ্বাস আমার আছে। তাই যার জিনিস তার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছি। হয়তো আমার জন্য সামনে কল্যাণকর কিছু রয়েছে। গহনা মালিকের পৌঁছে দিতে পেরে স্বস্তি লাগছে, এতোদিন একটা ভার বহন করছিলাম। সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ।

‎সাংবাদিক রোমন হায়দার ও মারুফ বলেন, সমাজের মানুষের জন্যই তো সাংবাদিকতা। একে অপরের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করে সমাজের কল্যাণই আমাদের কাজ। খুবই ভালো লাগছে এই কাজটি করতে পেরে। সমাজে ভালো মানুষের এক দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


২ মাসের চেষ্টায় মালিককে খুঁজে বের করে সোনার গহনা ফিরিয়ে দিলেন মুদি দোকানি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image


‎একদিন আনমনে রাস্তায় হাটছিলেন মুদি দোকানি হানিফ মিয়া (৪৭)। হঠাৎ চোখে পড়ে চাকচিক্যময় এক গহনা (কানের দুল)। কুড়িয়ে হাতে নিয়ে দেখেন এটি স্বর্ণ। তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানান আশপাশের কয়েকজনকে। তবে সোনার এই গহনা আসলে কার তা কেউ নিশ্চিত হতে পারেনি। পরে দুই মাস নিজের কাছে রেখেই নানা জায়গায় খোঁজ করেছেন গহনার মালিকের। অবশেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রচেষ্টায় তা ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রকৃত মালিকের হাতেই।

‎সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে গহনা মালিকের সন্ধান পেয়ে তা অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবেই তার হাতে পৌঁছে দেন হানিফ মিয়া।

‎ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ এলাকায়। এই এলাকাতেই বাড়ি হানিফের। তার এমন সততায় ভাসছেন প্রশংসায়।

‎কয়েকমাস আগে এই এলাকাতেই কানের দুলটি হারান উপজেলার পাঠামারা গ্রামের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমি আক্তার। তার পরিবার এই গহনার খোঁজ করেছে নানা জায়গায়। একপর্যায়ে তা পাওয়ার আশাই ছেড়ে দেন। তবে আচমকা এমনভাবে হারানো গহনা পেয়ে অনেকটাই অবাক হন সুমি ও তার পরিবার।

‎জানা যায়, হানিফ মিয়া গহনা পাওয়ার পর বিভিন্ন মাধ্যমে খুঁজতে থাকেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক রুমন হায়দার ও আশরাফুল ইসলাম মারুফের দ্বারস্থ হন। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন তারা। এরপরই রোববার (৮ মার্চ) তা দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সুমির পরিবার। পরে তাদের যোগসাজশে হানিফ মিয়া ও সুমির পরিবারকে একসঙ্গে করে তা যাচাই-বাছাই শেষে ফিরিয়ে দেয়া হয় গহনা।

‎ 

‎এ বিষয়ে সুমির মা হনুফা আক্তার বলেন, গহনা হারিয়ে অনেক মন খারাপ ছিল। এর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এতো টাকার জিনিস পেয়েও যে কেউ ফিরিয়ে দিবে তা ভাবতে পারিনি। সমাজে এখনো অনেক ভালো মানুষ আছে। হানিফ ভাইদের মতো মানুষরা আছে বলেই বিশ্বাস শব্দটা এখনো টিকে আছে।

‎ 

‎মুদি দোকানি হানিফ মিয়া বলেন, অন্যের জিনিসের ওপর লোভ নেই। কত টাকাই বা আর পেতাম, আল্লাহ আমাকে দিলে এরচাইতে বেশি দিতে পারেন। সেই বিশ্বাস আমার আছে। তাই যার জিনিস তার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছি। হয়তো আমার জন্য সামনে কল্যাণকর কিছু রয়েছে। গহনা মালিকের পৌঁছে দিতে পেরে স্বস্তি লাগছে, এতোদিন একটা ভার বহন করছিলাম। সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ।

‎সাংবাদিক রোমন হায়দার ও মারুফ বলেন, সমাজের মানুষের জন্যই তো সাংবাদিকতা। একে অপরের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করে সমাজের কল্যাণই আমাদের কাজ। খুবই ভালো লাগছে এই কাজটি করতে পেরে। সমাজে ভালো মানুষের এক দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল