৩৫ বছর নির্মাণশ্রমিকের কাজ করে ৮ মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়লেন বাবা, ছোট মেয়েকে বানালেন ডাক্তার ❤️
মাথায় ইটের বোঝা তুলে ভবন নির্মাণ করেছেন বছরের পর বছর। প্রচণ্ড রোদ, ক্লান্ত শরীর আর কঠোর পরিশ্রম—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। কারণ তাঁর চোখে ছিল একটাই স্বপ্ন—নিজের আট মেয়েকে শিক্ষিত করে প্রতিষ্ঠিত করা।
মিশরের ফাইয়ুম প্রদেশের নির্মাণশ্রমিক বাবা সালাহর জীবনের গল্প যেন ত্যাগ ও ভালোবাসার এক অনন্য উদাহরণ। প্রায় ৩৫ বছর ধরে নির্মাণকাজ করে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে তিনি তাঁর আট মেয়ের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
নিজের আরাম-আয়েশের কথা না ভেবে মেয়েদের প্রয়োজনকেই দিয়েছেন অগ্রাধিকার। কঠোর পরিশ্রমের উপার্জন দিয়ে কখনো বই-খাতা, কখনো পড়াশোনার অন্যান্য খরচ জুগিয়েছেন। সীমিত আয় হলেও সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কোনো আপস করেননি।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের সেই সংগ্রামের পর আজ তাঁর স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। তাঁর আট মেয়েই উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়, তাঁর ছোট মেয়ে চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
সালাহর জীবনের এই গল্প আবারও মনে করিয়ে দেয়—বাবার সামর্থ্য হয়তো সীমিত হতে পারে, কিন্তু সন্তানের জন্য তাঁর স্বপ্ন কখনো সীমিত নয়।
যে বাবা সারাজীবন অন্যের ভবন নির্মাণ করেছেন, সেই বাবাই নিজের ঘাম-শ্রম আর ত্যাগ দিয়ে গড়ে তুলেছেন তাঁর আট মেয়ের ভবিষ্যৎ।
সন্তানের সাফল্যের পেছনে বাবার নীরব ত্যাগের এমন গল্প সত্যিই শ্রদ্ধা জাগায়। ❤️

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৫ বছর নির্মাণশ্রমিকের কাজ করে ৮ মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়লেন বাবা, ছোট মেয়েকে বানালেন ডাক্তার ❤️
মাথায় ইটের বোঝা তুলে ভবন নির্মাণ করেছেন বছরের পর বছর। প্রচণ্ড রোদ, ক্লান্ত শরীর আর কঠোর পরিশ্রম—কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। কারণ তাঁর চোখে ছিল একটাই স্বপ্ন—নিজের আট মেয়েকে শিক্ষিত করে প্রতিষ্ঠিত করা।
মিশরের ফাইয়ুম প্রদেশের নির্মাণশ্রমিক বাবা সালাহর জীবনের গল্প যেন ত্যাগ ও ভালোবাসার এক অনন্য উদাহরণ। প্রায় ৩৫ বছর ধরে নির্মাণকাজ করে উপার্জন করা অর্থ দিয়ে তিনি তাঁর আট মেয়ের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
নিজের আরাম-আয়েশের কথা না ভেবে মেয়েদের প্রয়োজনকেই দিয়েছেন অগ্রাধিকার। কঠোর পরিশ্রমের উপার্জন দিয়ে কখনো বই-খাতা, কখনো পড়াশোনার অন্যান্য খরচ জুগিয়েছেন। সীমিত আয় হলেও সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কোনো আপস করেননি।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের সেই সংগ্রামের পর আজ তাঁর স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। তাঁর আট মেয়েই উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়, তাঁর ছোট মেয়ে চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।
সালাহর জীবনের এই গল্প আবারও মনে করিয়ে দেয়—বাবার সামর্থ্য হয়তো সীমিত হতে পারে, কিন্তু সন্তানের জন্য তাঁর স্বপ্ন কখনো সীমিত নয়।
যে বাবা সারাজীবন অন্যের ভবন নির্মাণ করেছেন, সেই বাবাই নিজের ঘাম-শ্রম আর ত্যাগ দিয়ে গড়ে তুলেছেন তাঁর আট মেয়ের ভবিষ্যৎ।
সন্তানের সাফল্যের পেছনে বাবার নীরব ত্যাগের এমন গল্প সত্যিই শ্রদ্ধা জাগায়। ❤️

আপনার মতামত লিখুন