পল্লবীতে মুদি দোকানদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, আশিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
রাজধানীর পল্লবীতে এক মুদি ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. আশিক ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধজগতে প্রবেশ করলেও বর্তমানে তিনি স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের লিডার এবং একজন সক্রিয় চাঁদাবাজে পরিণত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও পল্লবী থানায় একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় পল্লবী থানার সেকশন-১২, ব্লক-ই এলাকার সিয়াম জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. কবির হোসেন হাওলাদারের মুঠোফোনে কল করে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন প্রধান অভিযুক্ত মো. আশিক। এ সময় চাঁদার টাকা নির্দিষ্ট লোকজনের কাছে না পৌঁছালে বা বিষয়টি নিয়ে আইনের আশ্রয় নিলে ব্যবসায়ীকে মেরে ফেলা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই দিন রাত ৯টার দিকে আবারও ফোন করে চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং টাকা না দিলে ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের যেকোনো সদস্যের বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশিক ও তার সহযোগীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. আশিকসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পল্লবীতে মুদি দোকানদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, আশিকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
রাজধানীর পল্লবীতে এক মুদি ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. আশিক ছিনতাইয়ের মাধ্যমে অপরাধজগতে প্রবেশ করলেও বর্তমানে তিনি স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের লিডার এবং একজন সক্রিয় চাঁদাবাজে পরিণত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও পল্লবী থানায় একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় পল্লবী থানার সেকশন-১২, ব্লক-ই এলাকার সিয়াম জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. কবির হোসেন হাওলাদারের মুঠোফোনে কল করে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন প্রধান অভিযুক্ত মো. আশিক। এ সময় চাঁদার টাকা নির্দিষ্ট লোকজনের কাছে না পৌঁছালে বা বিষয়টি নিয়ে আইনের আশ্রয় নিলে ব্যবসায়ীকে মেরে ফেলা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই দিন রাত ৯টার দিকে আবারও ফোন করে চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং টাকা না দিলে ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের যেকোনো সদস্যের বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি প্রদান করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশিক ও তার সহযোগীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. আশিকসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে পল্লবী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন