শুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
তালাবদ্ধ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ
???? “এমনভাবে মেরেছে, মায়ের পেট থেকে বাচ্চা বের হয়ে গেছে…”—বোনের মরদেহ শনাক্ত করতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে এমন কথাই বলছিলেন শাপলা আক্তার।
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে এক দম্পতি ও তাঁদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে আলমগীর হোসেন ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আক্তার ওই কক্ষটি ভাড়া নেন। এরপর কয়েকদিন ধরে ঘরটির দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। শুক্রবার কক্ষটি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ কক্ষটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে আলমগীর, তাঁর স্ত্রী নাজমা এবং তাঁদের সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তালা ভেঙে ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।
বোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলে এসে শাপলা আক্তার জানান, তাঁর বোন নাজমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন—এমনটাই তিনি জানতেন। মরদেহের অবস্থা দেখে তিনি ভেঙে পড়েন।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কী কারণে এই দম্পতিকে হত্যা করা হলো, তাঁদের নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাই বা কীভাবে ঘটল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
একটি পরিবার হয়তো অপেক্ষা করছিল প্রিয় মানুষগুলো আবার ফিরে আসবে। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয়েছে তিনটি নিথর দেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে। পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগটুকুও পেল না নিষ্পাপ শিশুটি। ????????
ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আল্লাহ নিহতদের ক্ষমা করুন এবং তাঁদের স্বজনদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন। ????????

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুলিয়ায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে দম্পতি ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
তালাবদ্ধ ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ
???? “এমনভাবে মেরেছে, মায়ের পেট থেকে বাচ্চা বের হয়ে গেছে…”—বোনের মরদেহ শনাক্ত করতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে এমন কথাই বলছিলেন শাপলা আক্তার।
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে এক দম্পতি ও তাঁদের সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে আলমগীর হোসেন ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আক্তার ওই কক্ষটি ভাড়া নেন। এরপর কয়েকদিন ধরে ঘরটির দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। শুক্রবার কক্ষটি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাইরে থেকে তালাবদ্ধ কক্ষটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে আলমগীর, তাঁর স্ত্রী নাজমা এবং তাঁদের সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তালা ভেঙে ভেতর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।
বোনের পরিচয় নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলে এসে শাপলা আক্তার জানান, তাঁর বোন নাজমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন—এমনটাই তিনি জানতেন। মরদেহের অবস্থা দেখে তিনি ভেঙে পড়েন।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কী কারণে এই দম্পতিকে হত্যা করা হলো, তাঁদের নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাই বা কীভাবে ঘটল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
একটি পরিবার হয়তো অপেক্ষা করছিল প্রিয় মানুষগুলো আবার ফিরে আসবে। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয়েছে তিনটি নিথর দেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে। পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগটুকুও পেল না নিষ্পাপ শিশুটি। ????????
ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আল্লাহ নিহতদের ক্ষমা করুন এবং তাঁদের স্বজনদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন। ????????

আপনার মতামত লিখুন