ঘুমন্ত বাবাকে ছুরিকাঘাতের পর কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাধা দিতে গিয়ে মা-ভাইও আহত
নরসিংদীর শিবপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত বাবাকে ছুরিকাঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে শাকিল চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী ও অপর ছেলে আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাবা ও ছেলে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় বাবাকে প্রথমে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় তাকে। চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে তাদেরও হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ ওঠে।
নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম ও অপর ছেলে নুরুন্নবী রাশেদ বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলার চেষ্টা করা হয়। এতে তারা আহত হন।
নিহতের মেয়ে হাফসা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমরা তার বিচার চাই। আমার জানডারে মাইরা ফেলছে, এত ভালো মানুষটা। সে আমাদের সবাইকে মারতে চায়। আমরা ভয়ে আছি। আমরা তার ফাঁসি চাই।”
শিবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া জানান, ছেলের হাতে বাবা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তার বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে এবং প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি জামিনে বের হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শাকিল চৌধুরীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
যে হাত একদিন বাবার হাত ধরে হাঁটতে শিখেছিল, সেই হাতেই আজ বাবার প্রাণ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ। একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু স্বজনদেরই শোকাহত করেনি, প্রশ্ন তুলেছে পারিবারিক সম্পর্কের অবক্ষয় ও সহিংসতার ভয়াবহতা নিয়েও।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘুমন্ত বাবাকে ছুরিকাঘাতের পর কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাধা দিতে গিয়ে মা-ভাইও আহত
নরসিংদীর শিবপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত বাবাকে ছুরিকাঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে শাকিল চৌধুরীর বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী ও অপর ছেলে আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাবা ও ছেলে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় বাবাকে প্রথমে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে ধারালো অস্ত্র ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় তাকে। চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এলে তাদেরও হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ ওঠে।
নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম ও অপর ছেলে নুরুন্নবী রাশেদ বাধা দিতে গেলে তাদের ওপরও হামলার চেষ্টা করা হয়। এতে তারা আহত হন।
নিহতের মেয়ে হাফসা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমরা তার বিচার চাই। আমার জানডারে মাইরা ফেলছে, এত ভালো মানুষটা। সে আমাদের সবাইকে মারতে চায়। আমরা ভয়ে আছি। আমরা তার ফাঁসি চাই।”
শিবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া জানান, ছেলের হাতে বাবা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তার বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে এবং প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি জামিনে বের হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শাকিল চৌধুরীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
যে হাত একদিন বাবার হাত ধরে হাঁটতে শিখেছিল, সেই হাতেই আজ বাবার প্রাণ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ। একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু স্বজনদেরই শোকাহত করেনি, প্রশ্ন তুলেছে পারিবারিক সম্পর্কের অবক্ষয় ও সহিংসতার ভয়াবহতা নিয়েও।

আপনার মতামত লিখুন