রাশিয়া ৩০,০০০ টন সার উপহার দিলো বাংলাদেশ
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ — রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর আওতায় বাংলাদেশকে ৩০,০০০ টন পটাশ সার (Muriate of Potash) বিনামূল্যে উপহার হিসেবে দিয়েছে। এই সারটি সরবরাহ করেছে রাশিয়ার শীর্ষ সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উরালকে
সোমবার দুপুরে রাজধানীর
খামারবাড়িতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) মিলনায়তনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই সার হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি. খোজিন, এবং WFP‑র ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডেভিড থমাসসহ অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।???? উপহারের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব
রাশিয়া এই সার বন্ধুত্ব, আন্তর্জার্তিক সহযোগিতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উপহার দিয়েছে। WFP‑র ফ্রেমওয়ার্কে প্রদত্ত এই সহায়তা আন্তর্জাতিকভাবে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, বিশেষ করে সার সরবরাহের বৈশ্বিক অস্থিতিশিলতার এই সময়ে।
???? অনুষ্ঠানে বক্তারা যা বলেছেন
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী: বর্তমানে বৈশ্বিক বাজার ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সার ও খাদ্য সরবরাহের চ্যালেঞ্জ দ্রুত বেড়ে গেছে। এর মধ্যে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত মূল্যবান।
রাশিয়ার প্রতিনিধির বক্তব্য: সার নিশ্চিত করে খাদ্য উৎপাদনের স্থিতিশীলতা ও ফসলের বৃদ্ধি সম্ভব, যা বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য সহায়তা জোগাবে।
???? বাংলাদেশে সার মজুত ও কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব
সরকার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) কাছে বর্তমানে ১০.৩৫ লাখ টনের মতো নন‑ইউরিয়া সার মজুদ আছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই রাশিয়ার দেওয়া সার কৃষি উৎপাদনকে আরও সমর্থন করবে। গত তিন বছরের তুলনায় ২০২৪‑২৫ অর্থবছরে ধান, আলু, পেঁয়াজ, সবজি ও সরিষা উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিও হয়েছে।
???? সার সাহায্যের সম্ভাব্য প্রভাব
সারটি আগামীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যার ফলে সারের অভাব কমে কৃষি উৎপাদন আরও বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাশিয়া ৩০,০০০ টন সার উপহার দিলো বাংলাদেশ
ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ — রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর আওতায় বাংলাদেশকে ৩০,০০০ টন পটাশ সার (Muriate of Potash) বিনামূল্যে উপহার হিসেবে দিয়েছে। এই সারটি সরবরাহ করেছে রাশিয়ার শীর্ষ সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উরালকে
সোমবার দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC) মিলনায়তনে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে এই সার হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি. খোজিন, এবং WFP‑র ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ডেভিড থমাসসহ অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
???? উপহারের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব
রাশিয়া এই সার বন্ধুত্ব, আন্তর্জার্তিক সহযোগিতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে উপহার দিয়েছে। WFP‑র ফ্রেমওয়ার্কে প্রদত্ত এই সহায়তা আন্তর্জাতিকভাবে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবেলায় এবং বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, বিশেষ করে সার সরবরাহের বৈশ্বিক অস্থিতিশিলতার এই সময়ে।
???? অনুষ্ঠানে বক্তারা যা বলেছেন
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী: বর্তমানে বৈশ্বিক বাজার ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সার ও খাদ্য সরবরাহের চ্যালেঞ্জ দ্রুত বেড়ে গেছে। এর মধ্যে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত মূল্যবান।
রাশিয়ার প্রতিনিধির বক্তব্য: সার নিশ্চিত করে খাদ্য উৎপাদনের স্থিতিশীলতা ও ফসলের বৃদ্ধি সম্ভব, যা বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য সহায়তা জোগাবে।
???? বাংলাদেশে সার মজুত ও কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব
সরকার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) কাছে বর্তমানে ১০.৩৫ লাখ টনের মতো নন‑ইউরিয়া সার মজুদ আছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই রাশিয়ার দেওয়া সার কৃষি উৎপাদনকে আরও সমর্থন করবে। গত তিন বছরের তুলনায় ২০২৪‑২৫ অর্থবছরে ধান, আলু, পেঁয়াজ, সবজি ও সরিষা উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিও হয়েছে।
???? সার সাহায্যের সম্ভাব্য প্রভাব
সারটি আগামীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে, যার ফলে সারের অভাব কমে কৃষি উৎপাদন আরও বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন