“আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি
“ভাই, আপনারা আমাকে কেউ ধরবেন না… কেউ আমাকে সান্ত্বনা দেবেন না। আমাকে সান্ত্বনা দিতে হলে আগে আমার সন্তানকে আমার কাছে এনে দেন। আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন ভাই—আমি আর কিছু চাই না।”
সন্তান হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা আহাজারি করছেন চার বছর বয়সী আভানের বাবা মো. মৃদুল ইসলাম।
রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আভানের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির রক্তে ইনফেকশন থাকার কথা জানার পরও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসায় অবহেলা, অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এবং মূল চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা।
মৃদুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্তান নিজে হেঁটে হাসপাতালে গিয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে। ছেলেকে নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। স্কুলে ভর্তি করানো, বড় করা—এমনকি ছেলের পছন্দের একটি রেড কার কেনার জন্যও টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি আর আমার ওয়াইফ পরিকল্পনা করেছিলাম, আমরা আর বাচ্চা নেব না। কারণ আভান আমাদের কাছে শুধু একটা সন্তান ছিল না—ও ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভালোবাসা।”
সন্তানকে নিজের চোখের সামনে বড় করার স্মৃতিচারণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর একটাই আকুতি—কেউ সান্ত্বনা না দিয়ে যদি সম্ভব হয়, তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
এদিকে, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, পরিবারের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আভানের পরিবার।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
“আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি
“ভাই, আপনারা আমাকে কেউ ধরবেন না… কেউ আমাকে সান্ত্বনা দেবেন না। আমাকে সান্ত্বনা দিতে হলে আগে আমার সন্তানকে আমার কাছে এনে দেন। আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন ভাই—আমি আর কিছু চাই না।”
সন্তান হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা আহাজারি করছেন চার বছর বয়সী আভানের বাবা মো. মৃদুল ইসলাম।
রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আভানের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির রক্তে ইনফেকশন থাকার কথা জানার পরও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসায় অবহেলা, অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এবং মূল চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা।
মৃদুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্তান নিজে হেঁটে হাসপাতালে গিয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে। ছেলেকে নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। স্কুলে ভর্তি করানো, বড় করা—এমনকি ছেলের পছন্দের একটি রেড কার কেনার জন্যও টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমি আর আমার ওয়াইফ পরিকল্পনা করেছিলাম, আমরা আর বাচ্চা নেব না। কারণ আভান আমাদের কাছে শুধু একটা সন্তান ছিল না—ও ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভালোবাসা।”
সন্তানকে নিজের চোখের সামনে বড় করার স্মৃতিচারণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর একটাই আকুতি—কেউ সান্ত্বনা না দিয়ে যদি সম্ভব হয়, তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।
এদিকে, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, পরিবারের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আভানের পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন