ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

 ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

জাল দলিলের তদন্ত নিয়ে দ্বন্দ্ব, সোনাইমুড়ীতে সাব-রেজিস্ট্রার ও সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

জাল দলিলের তদন্ত নিয়ে দ্বন্দ্ব, সোনাইমুড়ীতে সাব-রেজিস্ট্রার ও সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ

কর্মস্থলে যাওয়ার পথেই শেষ হলো ১৮ বছরের ফয়সালের জীবন, বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঝরে গেল তরুণ প্রাণ

প্রবাসের মাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ওপর নেমে এলো ভয়া'বহ বিপর্যয়।

প্রবাসের মাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ওপর নেমে এলো ভয়া'বহ বিপর্যয়।

টাকা চুরির অভিযোগে মা'রধর, খুঁটিতে বাঁধা যুবকের মিলল ম'রদেহ আটক ২

টাকা চুরির অভিযোগে মা'রধর, খুঁটিতে বাঁধা যুবকের মিলল ম'রদেহ আটক ২

দেবিদ্বারে বাড়িঘরে হাম'লা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

দেবিদ্বারে বাড়িঘরে হাম'লা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন ভাই—আমি আর কিছু চাই না।”

আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি

আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি

“আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি

“ভাই, আপনারা আমাকে কেউ ধরবেন না… কেউ আমাকে সান্ত্বনা দেবেন না। আমাকে সান্ত্বনা দিতে হলে আগে আমার সন্তানকে আমার কাছে এনে দেন। আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন ভাই—আমি আর কিছু চাই না।”

সন্তান হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা আহাজারি করছেন চার বছর বয়সী আভানের বাবা মো. মৃদুল ইসলাম।

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আভানের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির রক্তে ইনফেকশন থাকার কথা জানার পরও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসায় অবহেলা, অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এবং মূল চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা।

মৃদুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্তান নিজে হেঁটে হাসপাতালে গিয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে। ছেলেকে নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। স্কুলে ভর্তি করানো, বড় করা—এমনকি ছেলের পছন্দের একটি রেড কার কেনার জন্যও টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমি আর আমার ওয়াইফ পরিকল্পনা করেছিলাম, আমরা আর বাচ্চা নেব না। কারণ আভান আমাদের কাছে শুধু একটা সন্তান ছিল না—ও ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভালোবাসা।”

সন্তানকে নিজের চোখের সামনে বড় করার স্মৃতিচারণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর একটাই আকুতি—কেউ সান্ত্বনা না দিয়ে যদি সম্ভব হয়, তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

এদিকে, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, পরিবারের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আভানের পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

“আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন”—সন্তান হারিয়ে ৪ বছরের আভানের বাবার বুকফাটা আহাজারি

“ভাই, আপনারা আমাকে কেউ ধরবেন না… কেউ আমাকে সান্ত্বনা দেবেন না। আমাকে সান্ত্বনা দিতে হলে আগে আমার সন্তানকে আমার কাছে এনে দেন। আমার বাচ্চাটাকে ফিরিয়ে দেন ভাই—আমি আর কিছু চাই না।”

সন্তান হারিয়ে এভাবেই বুকফাটা আহাজারি করছেন চার বছর বয়সী আভানের বাবা মো. মৃদুল ইসলাম।

রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আভানের মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির রক্তে ইনফেকশন থাকার কথা জানার পরও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসায় অবহেলা, অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ এবং মূল চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন শিশুটির বাবা।

মৃদুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ অবস্থায় তাঁর সন্তান নিজে হেঁটে হাসপাতালে গিয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেই সন্তানকেই হারাতে হয়েছে। ছেলেকে নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন ছিল। স্কুলে ভর্তি করানো, বড় করা—এমনকি ছেলের পছন্দের একটি রেড কার কেনার জন্যও টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমি আর আমার ওয়াইফ পরিকল্পনা করেছিলাম, আমরা আর বাচ্চা নেব না। কারণ আভান আমাদের কাছে শুধু একটা সন্তান ছিল না—ও ছিল আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভালোবাসা।”

সন্তানকে নিজের চোখের সামনে বড় করার স্মৃতিচারণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তাঁর একটাই আকুতি—কেউ সান্ত্বনা না দিয়ে যদি সম্ভব হয়, তাঁর সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

এদিকে, চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা হয়েছিল কি না, পরিবারের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আভানের পরিবার।



ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল