ছেলে নেই, তাই জামাইকেই দত্তক নেয় জাপানি পরিবারজাপানে পরিবার ও ব্যবসার উত্তরাধিকার ধরে রাখতে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে দত্তক নেওয়ার একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে, যা ‘মুকোয়োশি’ (Mukoyoshi) নামে পরিচিত। এতে মেয়ের স্বামীকে তার শ্বশুর-শাশুড়ি আইনগতভাবে সন্তান হিসেবে দত্তক নিতে পারেন।
জাপানে জামাইকে দত্তক নেওয়ার ব্যতিক্রমী রীতি
জামাইকে দত্তক নেয় জাপানি পরিবার, উদ্দেশ্য ব্যবসা ও বংশের উত্তরাধিকার রক্ষা
জাপানে পরিবারে ছেলে সন্তান না থাকলে মেয়ের স্বামীকে আনুষ্ঠানিকভাবে দত্তক নেওয়ার একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। ‘মুকোয়োশি’ নামে পরিচিত এই প্রথায় জামাই শ্বশুরের পরিবারের আইনগত সন্তান হিসেবে যুক্ত হন এবং সাধারণত পরিবারের পদবি গ্রহণ করেন।
জাপানের আইনে দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে দত্তক সন্তান ও দত্তক বাবা-মায়ের মধ্যে রক্তসম্পর্কের মতো আইনগত পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পদের ক্ষেত্রে তিনি আইনগত অধিকার লাভ করতে পারেন।
বিশেষ করে কোনো পরিবারের নিজস্ব ছেলে সন্তান না থাকলে পারিবারিক ব্যবসা ও পরিবারের নাম পরবর্তী প্রজন্মে ধরে রাখার জন্য এই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। জাপানের বড় বড় পারিবারিক ব্যবসার ক্ষেত্রেও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে দত্তক নেওয়ার নজির রয়েছে। সুজুকি পরিবারের ক্ষেত্রেও একাধিক দত্তক উত্তরাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাপানে দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই অনেক বেশি। বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট দত্তক গ্রহণের ৯০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হয়ে থাকে।
এই প্রথা শুধু বংশের নাম রক্ষা নয়, পারিবারিক ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে জাপানে বসবাস, দত্তক ও অভিবাসনসংক্রান্ত আলাদা আইন ও শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছেলে নেই, তাই জামাইকেই দত্তক নেয় জাপানি পরিবারজাপানে পরিবার ও ব্যবসার উত্তরাধিকার ধরে রাখতে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে দত্তক নেওয়ার একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে, যা ‘মুকোয়োশি’ (Mukoyoshi) নামে পরিচিত। এতে মেয়ের স্বামীকে তার শ্বশুর-শাশুড়ি আইনগতভাবে সন্তান হিসেবে দত্তক নিতে পারেন।
জাপানে জামাইকে দত্তক নেওয়ার ব্যতিক্রমী রীতি
জামাইকে দত্তক নেয় জাপানি পরিবার, উদ্দেশ্য ব্যবসা ও বংশের উত্তরাধিকার রক্ষা
জাপানে পরিবারে ছেলে সন্তান না থাকলে মেয়ের স্বামীকে আনুষ্ঠানিকভাবে দত্তক নেওয়ার একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। ‘মুকোয়োশি’ নামে পরিচিত এই প্রথায় জামাই শ্বশুরের পরিবারের আইনগত সন্তান হিসেবে যুক্ত হন এবং সাধারণত পরিবারের পদবি গ্রহণ করেন।
জাপানের আইনে দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে দত্তক সন্তান ও দত্তক বাবা-মায়ের মধ্যে রক্তসম্পর্কের মতো আইনগত পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে উত্তরাধিকার ও পারিবারিক সম্পদের ক্ষেত্রে তিনি আইনগত অধিকার লাভ করতে পারেন।
বিশেষ করে কোনো পরিবারের নিজস্ব ছেলে সন্তান না থাকলে পারিবারিক ব্যবসা ও পরিবারের নাম পরবর্তী প্রজন্মে ধরে রাখার জন্য এই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। জাপানের বড় বড় পারিবারিক ব্যবসার ক্ষেত্রেও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে দত্তক নেওয়ার নজির রয়েছে। সুজুকি পরিবারের ক্ষেত্রেও একাধিক দত্তক উত্তরাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জাপানে দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই অনেক বেশি। বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মোট দত্তক গ্রহণের ৯০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হয়ে থাকে।
এই প্রথা শুধু বংশের নাম রক্ষা নয়, পারিবারিক ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে জাপানে বসবাস, দত্তক ও অভিবাসনসংক্রান্ত আলাদা আইন ও শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন