ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি।

ভয়াবহ বন্যার মুখে প্রধান শিক্ষকের সাহসী সিদ্ধান্ত, বাঁচল ১,৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

ভয়াবহ বন্যার মুখে প্রধান শিক্ষকের সাহসী সিদ্ধান্ত, বাঁচল ১,৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

ভয়াবহ বন্যার মুখে প্রধান শিক্ষকের সাহসী সিদ্ধান্ত, বাঁচল ১,৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কবল থেকে ১ হাজার ৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচিয়ে বীরত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি।

২৬ আগস্ট বুধবার সকালে নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিভুবন ত্রিশুলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস চলছিল। হঠাৎ ত্রিশুলি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকার খবর পান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তিনি কোনো ধরনের বিলম্ব না করে শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে স্কুলের ঘণ্টা বাজিয়ে জরুরি সতর্কতা দেওয়া হয়। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে উঁচু ও নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়। একই সময়ে তিনি স্কুলবাসের চালকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে বাসগুলোকে নিরাপদ স্থানে থামিয়ে দেন।

শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভয়াবহ বন্যার স্রোত বিদ্যালয় ভবনটির দিকে ধেয়ে আসে। প্রবল স্রোত ও কাদামাটির তোড়ে শেষ পর্যন্ত তিনতলা স্কুল ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদির দ্রুত সিদ্ধান্তের কারণে ১ হাজার ৬৪৩ শিক্ষার্থীর কেউই প্রাণ হারায়নি।

তার এই সাহস, উপস্থিত বুদ্ধি ও দ্রুত সিদ্ধান্তকে নেপালে বীরত্বপূর্ণ মানবিকতার উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভয়াবহ দুর্যোগের মুহূর্তে একজন শিক্ষকের দায়িত্বশীলতা যে শত শত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে—রাজেন্দ্র দাওয়াদির ঘটনা তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


ভয়াবহ বন্যার মুখে প্রধান শিক্ষকের সাহসী সিদ্ধান্ত, বাঁচল ১,৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভয়াবহ বন্যার মুখে প্রধান শিক্ষকের সাহসী সিদ্ধান্ত, বাঁচল ১,৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার কবল থেকে ১ হাজার ৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ বাঁচিয়ে বীরত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি।

২৬ আগস্ট বুধবার সকালে নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিভুবন ত্রিশুলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস চলছিল। হঠাৎ ত্রিশুলি নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকার খবর পান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদি। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তিনি কোনো ধরনের বিলম্ব না করে শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে স্কুলের ঘণ্টা বাজিয়ে জরুরি সতর্কতা দেওয়া হয়। এরপর শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে উঁচু ও নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়। একই সময়ে তিনি স্কুলবাসের চালকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে বাসগুলোকে নিরাপদ স্থানে থামিয়ে দেন।

শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভয়াবহ বন্যার স্রোত বিদ্যালয় ভবনটির দিকে ধেয়ে আসে। প্রবল স্রোত ও কাদামাটির তোড়ে শেষ পর্যন্ত তিনতলা স্কুল ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র দাওয়াদির দ্রুত সিদ্ধান্তের কারণে ১ হাজার ৬৪৩ শিক্ষার্থীর কেউই প্রাণ হারায়নি।

তার এই সাহস, উপস্থিত বুদ্ধি ও দ্রুত সিদ্ধান্তকে নেপালে বীরত্বপূর্ণ মানবিকতার উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভয়াবহ দুর্যোগের মুহূর্তে একজন শিক্ষকের দায়িত্বশীলতা যে শত শত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে—রাজেন্দ্র দাওয়াদির ঘটনা তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল