ওর ডেঙ্গু হয় নাই, তারপরও ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিছে”—শিশুর মৃত্যুর পর বাবার আহাজারি, তদন্তের দাবি
“ওর ডেঙ্গু হয় নাই, তারপরও ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিছে! ওরা আমার ছেলেটারে মাইরা ফেলছে”—সন্তান হারিয়ে এমনই আর্তনাদ করছেন এক অসহায় বাবা।
এক শিশুর মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় ভুলের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, শিশুটির ডেঙ্গু না থাকা সত্ত্বেও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে শুধু একটি ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে চিকিৎসায় ভুল হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। অসুস্থতার কততম দিনে পরীক্ষা করা হয়েছে, কোন ধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে এবং শিশুটির সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গুর চিকিৎসায় নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। সাধারণত রোগীর শরীরে পানিশূন্যতা নিয়ন্ত্রণ, CBC ও প্লেটলেট পর্যবেক্ষণ, রক্তক্ষরণ বা প্লাজমা লিকেজের লক্ষণ দেখা এবং রোগীর vital signs পর্যবেক্ষণের মতো supportive care দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গুর critical phase অনেক সময় জ্বর কমে যাওয়ার পর শুরু হতে পারে। তাই শুধু জ্বর কমে যাওয়া, একটি ডেঙ্গু রিপোর্ট নেগেটিভ আসা কিংবা প্লেটলেট খুব কম না থাকা—এসবের কোনো একটি তথ্যের ভিত্তিতে রোগীকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না।
চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি বা ভুল হয়েছিল কি না, তা জানতে হলে রোগী হাসপাতালে কখন ভর্তি হয়েছিল, জ্বরের কততম দিন ছিল, কোন পরীক্ষা কখন করা হয়েছিল, চিকিৎসার সময় রোগীর vital signs ও CBC-এর অবস্থা কেমন ছিল, কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং অবস্থার অবনতি হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব তথ্য যাচাই করা জরুরি।
শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারের কষ্ট নিঃসন্দেহে অপূরণীয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে, medical record ও clinical evidence যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ওর ডেঙ্গু হয় নাই, তারপরও ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিছে”—শিশুর মৃত্যুর পর বাবার আহাজারি, তদন্তের দাবি
“ওর ডেঙ্গু হয় নাই, তারপরও ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিছে! ওরা আমার ছেলেটারে মাইরা ফেলছে”—সন্তান হারিয়ে এমনই আর্তনাদ করছেন এক অসহায় বাবা।
এক শিশুর মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসায় ভুলের অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, শিশুটির ডেঙ্গু না থাকা সত্ত্বেও তাকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে শুধু একটি ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে চিকিৎসায় ভুল হয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। অসুস্থতার কততম দিনে পরীক্ষা করা হয়েছে, কোন ধরনের পরীক্ষা করা হয়েছে এবং শিশুটির সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
ডেঙ্গুর চিকিৎসায় নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। সাধারণত রোগীর শরীরে পানিশূন্যতা নিয়ন্ত্রণ, CBC ও প্লেটলেট পর্যবেক্ষণ, রক্তক্ষরণ বা প্লাজমা লিকেজের লক্ষণ দেখা এবং রোগীর vital signs পর্যবেক্ষণের মতো supportive care দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গুর critical phase অনেক সময় জ্বর কমে যাওয়ার পর শুরু হতে পারে। তাই শুধু জ্বর কমে যাওয়া, একটি ডেঙ্গু রিপোর্ট নেগেটিভ আসা কিংবা প্লেটলেট খুব কম না থাকা—এসবের কোনো একটি তথ্যের ভিত্তিতে রোগীকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না।
চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি বা ভুল হয়েছিল কি না, তা জানতে হলে রোগী হাসপাতালে কখন ভর্তি হয়েছিল, জ্বরের কততম দিন ছিল, কোন পরীক্ষা কখন করা হয়েছিল, চিকিৎসার সময় রোগীর vital signs ও CBC-এর অবস্থা কেমন ছিল, কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং অবস্থার অবনতি হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব তথ্য যাচাই করা জরুরি।
শিশুটির মৃত্যুতে পরিবারের কষ্ট নিঃসন্দেহে অপূরণীয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে, medical record ও clinical evidence যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন