সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই, দুই মাস পর ভয়াবহ পরিণতি—৩৯ কেজিতে নেমেছে নার্স বিথির ওজন
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের পর ভয়াবহ জটিলতার মুখে পড়েছেন বিথি নামে এক নার্স। তাঁর দাবি, সিজারিয়ান অপারেশনের সময় অসাবধানতাবশত পেটের ভেতর গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়া হয়।
বিথির বর্ণনা অনুযায়ী, গত ৬ মে সন্তান জন্মদানের সময় সিজার করা হয়। প্রথমদিকে তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও প্রায় দুই মাস পর তাঁর পেটে তীব্র ও অস্বাভাবিক ব্যথা শুরু হয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তাঁর পেটের ভেতর সিজারের গজ রয়ে গেছে।
এরপর পেটে ইনফেকশন ও পচন দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরই মধ্যে দুটি বড় ধরনের অপারেশন করা হলেও এখনো সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি।
বিথির ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে এখন ৩৯ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও নিজের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো তো দূরের কথা, ঠিকমতো কোলে পর্যন্ত নিতে পারছেন না তিনি।
এদিকে চিকিৎসা ও একের পর এক অপারেশনের খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটির ওপর জমেছে বড় অঙ্কের ঋণ। বিথির অভিযোগ, এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পক্ষ থেকে তিনি কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি এবং এখন পর্যন্ত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও হয়নি।
বিথি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর এই ঘটনায় চিকিৎসায় অসাবধানতার অভিযোগ, রোগীর নিরাপত্তা এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই, দুই মাস পর ভয়াবহ পরিণতি—৩৯ কেজিতে নেমেছে নার্স বিথির ওজন
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের পর ভয়াবহ জটিলতার মুখে পড়েছেন বিথি নামে এক নার্স। তাঁর দাবি, সিজারিয়ান অপারেশনের সময় অসাবধানতাবশত পেটের ভেতর গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়া হয়।
বিথির বর্ণনা অনুযায়ী, গত ৬ মে সন্তান জন্মদানের সময় সিজার করা হয়। প্রথমদিকে তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও প্রায় দুই মাস পর তাঁর পেটে তীব্র ও অস্বাভাবিক ব্যথা শুরু হয়। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তাঁর পেটের ভেতর সিজারের গজ রয়ে গেছে।
এরপর পেটে ইনফেকশন ও পচন দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরই মধ্যে দুটি বড় ধরনের অপারেশন করা হলেও এখনো সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি।
বিথির ওজন ৬১ কেজি থেকে কমে এখন ৩৯ কেজিতে দাঁড়িয়েছে। সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও নিজের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো তো দূরের কথা, ঠিকমতো কোলে পর্যন্ত নিতে পারছেন না তিনি।
এদিকে চিকিৎসা ও একের পর এক অপারেশনের খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটির ওপর জমেছে বড় অঙ্কের ঋণ। বিথির অভিযোগ, এই ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পক্ষ থেকে তিনি কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি এবং এখন পর্যন্ত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও হয়নি।
বিথি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নিজের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর এই ঘটনায় চিকিৎসায় অসাবধানতার অভিযোগ, রোগীর নিরাপত্তা এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন