যুদ্ধের মধ্যেই বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করল ইরান
যুদ্ধ ও জ্বালানি খাতের নানা সংকটের মধ্যেই দক্ষিণ ফার্স প্রদেশে বড় ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তেলমন্ত্রী জানান, উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ইরান-নিয়ন্ত্রিত সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পর্যায়ের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান। নতুন গ্যাসকে ‘সুইট গ্যাস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে কম প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় কম হতে পারে।
এ ছাড়া নতুন গ্যাসক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেট রয়েছে। ইরানের তেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্যাস ও কনডেনসেট মিলিয়ে নতুন এই সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য কয়েক হাজার কোটি ডলার হতে পারে।
তবে যুদ্ধের কারণে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন এই মজুদ দ্রুত উৎপাদনে আনা কতটা সম্ভব হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
যুদ্ধের মধ্যেই বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করল ইরান
যুদ্ধ ও জ্বালানি খাতের নানা সংকটের মধ্যেই দক্ষিণ ফার্স প্রদেশে বড় ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
ইরানের তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনযোগ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তেলমন্ত্রী জানান, উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ইরান-নিয়ন্ত্রিত সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পর্যায়ের প্রায় ১৫ বছরের উৎপাদনের সমান। নতুন গ্যাসকে ‘সুইট গ্যাস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে কম প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় উন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয় কম হতে পারে।
এ ছাড়া নতুন গ্যাসক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস কনডেনসেট রয়েছে। ইরানের তেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্যাস ও কনডেনসেট মিলিয়ে নতুন এই সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য কয়েক হাজার কোটি ডলার হতে পারে।
তবে যুদ্ধের কারণে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন এই মজুদ দ্রুত উৎপাদনে আনা কতটা সম্ভব হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

আপনার মতামত লিখুন