৭০ বছরের কমান্ডারকে বিয়ে না করায় কিশোরীকে প্রায় দুই বছর কারাগারে
আফগানিস্তানের বাদঘিস প্রদেশে ৭০ বছর বয়সী এক প্রভাবশালী তালেবান-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বিবি সেদিকা নামে এক কিশোরীকে প্রায় দুই বছর ধরে কারাগারে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
আফগান সংবাদমাধ্যম হাস্ত-ই সুবহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিকার বয়স যখন মাত্র ১২ বছর, তখন তার বাবার ঋণের বিষয়টি সামনে এনে তাকে খোদাই নাজার নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রায় ছয় মাস আটকে রাখার পর স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যস্থতায় তাকে সেখান থেকে বের করা হয়।
পরবর্তীতে সেদিকাকে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তবে তিনি এতে রাজি হননি। সূত্রের দাবি, তালেবানের স্থানীয় আদালত তাকে জানায়—বিয়ে করতে হবে, নতুবা কারাগারে যেতে হবে। সেদিকা বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিকা বর্তমানে ১৭ বছর বয়সী এবং প্রায় ২১ মাস ধরে তালেবানের হেফাজতে রয়েছেন। তাকে বাদঘিসের কালা-ই-নাও কারাগারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
অন্যদিকে, জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেদিকার মামলাটি মীমাংসার নামে তাকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিন দিনের জন্য বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তার পরিবার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
সেদিকার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, জোরপূর্বক বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে এবং হেফাজতে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি আফগানিস্তানে নারী ও কিশোরীদের জোরপূর্বক বিয়ে, আটক এবং বিচারব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
৭০ বছরের কমান্ডারকে বিয়ে না করায় কিশোরীকে প্রায় দুই বছর কারাগারে
আফগানিস্তানের বাদঘিস প্রদেশে ৭০ বছর বয়সী এক প্রভাবশালী তালেবান-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বিবি সেদিকা নামে এক কিশোরীকে প্রায় দুই বছর ধরে কারাগারে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
আফগান সংবাদমাধ্যম হাস্ত-ই সুবহের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিকার বয়স যখন মাত্র ১২ বছর, তখন তার বাবার ঋণের বিষয়টি সামনে এনে তাকে খোদাই নাজার নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রায় ছয় মাস আটকে রাখার পর স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যস্থতায় তাকে সেখান থেকে বের করা হয়।
পরবর্তীতে সেদিকাকে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তবে তিনি এতে রাজি হননি। সূত্রের দাবি, তালেবানের স্থানীয় আদালত তাকে জানায়—বিয়ে করতে হবে, নতুবা কারাগারে যেতে হবে। সেদিকা বিয়েতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেদিকা বর্তমানে ১৭ বছর বয়সী এবং প্রায় ২১ মাস ধরে তালেবানের হেফাজতে রয়েছেন। তাকে বাদঘিসের কালা-ই-নাও কারাগারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।
অন্যদিকে, জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রকাশিত আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেদিকার মামলাটি মীমাংসার নামে তাকে ওই ব্যক্তির সঙ্গে তিন দিনের জন্য বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তার পরিবার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।
সেদিকার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, জোরপূর্বক বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে এবং হেফাজতে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গ যাচাই সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি আফগানিস্তানে নারী ও কিশোরীদের জোরপূর্বক বিয়ে, আটক এবং বিচারব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন