গ্যাস সংকটে কারখানায় ছুটি, বন্ধ উৎপাদন।
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের চাপ না থাকায় কোথাও শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। এতে শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
নরসিংদীর পাঁচদোনা ইউনিয়নের তালহা টেক্স প্রো. লিমিটেডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় গত বুধবার থেকে শ্রমিকদের ছুটি ঘোষণা করা হয়। প্রথমে দুই দিনের ছুটি দেওয়া হলেও গ্যাসের চাপ না থাকায় তা বাড়িয়ে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত করা হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, এর আগেও গ্যাস সংকটের কারণে কয়েক দফায় তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে একসঙ্গে ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় কারখানাগুলোর উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
শিল্পকারখানার মালিকদের পাশাপাশি শ্রমিকরাও দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ থাকলে শিল্প খাতের পাশাপাশি শ্রমিকদের আয়-রোজগারেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে গ্যাস সংকটের কারণে কতদিন কারখানাগুলো এ পরিস্থিতির মধ্যে থাকবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যথাসময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আরও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন বন্ধ ও শ্রমিকদের ছুটির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
গ্যাস সংকটে কারখানায় ছুটি, বন্ধ উৎপাদন।
তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাসের চাপ না থাকায় কোথাও শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হচ্ছে, আবার কোথাও পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে উৎপাদন কার্যক্রম। এতে শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
নরসিংদীর পাঁচদোনা ইউনিয়নের তালহা টেক্স প্রো. লিমিটেডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় গত বুধবার থেকে শ্রমিকদের ছুটি ঘোষণা করা হয়। প্রথমে দুই দিনের ছুটি দেওয়া হলেও গ্যাসের চাপ না থাকায় তা বাড়িয়ে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত করা হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, এর আগেও গ্যাস সংকটের কারণে কয়েক দফায় তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্পাঞ্চলে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে একসঙ্গে ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় কারখানাগুলোর উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নেয়।
শিল্পকারখানার মালিকদের পাশাপাশি শ্রমিকরাও দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ থাকলে শিল্প খাতের পাশাপাশি শ্রমিকদের আয়-রোজগারেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে গ্যাস সংকটের কারণে কতদিন কারখানাগুলো এ পরিস্থিতির মধ্যে থাকবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যথাসময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আরও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন বন্ধ ও শ্রমিকদের ছুটির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন