শিগগিরই হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ করে দেশটিকে পরাজিত করার পর হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে একটি পুলিশ একাডেমির অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করবেন।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ কার্যকর রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রই জলপথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এই অবরোধকে বিশ্বের জন্য একটি ‘বড় সেবা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২টি কমোডিটি জাহাজ প্রণালিটি পার হচ্ছিল; ১৩ আগস্ট এ সংখ্যা নেমে এসেছিল মাত্র পাঁচটিতে।
তবে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র বিরোধ রয়েছে। ইরান মার্কিন নিয়ন্ত্রণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে প্রণালিটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়েছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরাজয় মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজে অবরোধ কার্যকর রাখার অবস্থান থেকে ইরান সরে যাবে না।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে জলপথটির নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
শিগগিরই হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ করে দেশটিকে পরাজিত করার পর হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে একটি পুলিশ একাডেমির অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানকে পরাজিত করার পর খুব শিগগিরই হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করবেন।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ কার্যকর রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রই জলপথটির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এই অবরোধকে বিশ্বের জন্য একটি ‘বড় সেবা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২টি কমোডিটি জাহাজ প্রণালিটি পার হচ্ছিল; ১৩ আগস্ট এ সংখ্যা নেমে এসেছিল মাত্র পাঁচটিতে।
তবে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তীব্র বিরোধ রয়েছে। ইরান মার্কিন নিয়ন্ত্রণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে প্রণালিটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়েছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরাজয় মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজে অবরোধ কার্যকর রাখার অবস্থান থেকে ইরান সরে যাবে না।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে জলপথটির নিয়ন্ত্রণ ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন