ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষের ধারণা, এ অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। সেই সম্ভাব্য জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে খাবার, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও আবাসনের ব্যাপক ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ জানিয়েছে, জানাজায় অংশ নেওয়া শোকাহত মানুষের জন্য ১৬টি ভ্রাম্যমাণ বেকারির মাধ্যমে ৫ কোটি রুটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। শুধু রুটি নয়, অন্যান্য খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২ হাজার ৫০০টি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়া আকাশপথে দ্রুত উদ্ধার ও নজরদারির জন্য মোতায়েন থাকবে ২১টি হেলিকপ্টার এবং ১০০টি ড্রোন। বিপুল জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মানুষদের অস্থায়ীভাবে থাকার সুবিধা দিতে ২০ হাজার শ্রেণিকক্ষ আবাসন হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব স্থানে বিশ্রাম, প্রাথমিক চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর চার মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও বহু মানুষ এতে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছাচ্ছেন।
কর্তৃপক্ষের দাবি, এত বড় আয়োজন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সরকার, বাসিজ, স্বাস্থ্য বিভাগ, জরুরি সেবা সংস্থা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অনুষ্ঠানের প্রতিটি ধাপে জননিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবা এবং খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তবে অনুষ্ঠানে ঠিক কত মানুষ অংশ নেবেন, তা শেষ পর্যন্ত জনসমাগমের ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে ২ কোটি মানুষের উপস্থিতির যে হিসাব দেওয়া হচ্ছে, সেটি ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশিত সংখ্যা।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষের ধারণা, এ অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। সেই সম্ভাব্য জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে খাবার, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও আবাসনের ব্যাপক ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ জানিয়েছে, জানাজায় অংশ নেওয়া শোকাহত মানুষের জন্য ১৬টি ভ্রাম্যমাণ বেকারির মাধ্যমে ৫ কোটি রুটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। এত বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। শুধু রুটি নয়, অন্যান্য খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২ হাজার ৫০০টি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়া আকাশপথে দ্রুত উদ্ধার ও নজরদারির জন্য মোতায়েন থাকবে ২১টি হেলিকপ্টার এবং ১০০টি ড্রোন। বিপুল জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মানুষদের অস্থায়ীভাবে থাকার সুবিধা দিতে ২০ হাজার শ্রেণিকক্ষ আবাসন হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব স্থানে বিশ্রাম, প্রাথমিক চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর চার মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও বহু মানুষ এতে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছাচ্ছেন।
কর্তৃপক্ষের দাবি, এত বড় আয়োজন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সরকার, বাসিজ, স্বাস্থ্য বিভাগ, জরুরি সেবা সংস্থা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অনুষ্ঠানের প্রতিটি ধাপে জননিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবা এবং খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তবে অনুষ্ঠানে ঠিক কত মানুষ অংশ নেবেন, তা শেষ পর্যন্ত জনসমাগমের ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে ২ কোটি মানুষের উপস্থিতির যে হিসাব দেওয়া হচ্ছে, সেটি ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশিত সংখ্যা।

আপনার মতামত লিখুন