ইরানের পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য: যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে পরমাণু অস্ত্রের সক্ষমতা ঠেকানোর চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নম্বর ওয়ান’ লক্ষ্য হলো দেশটির নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা।
বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, সংঘাতের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় বর্তমানে তেলের দাম অনেকটাই কমেছে। তিনি জানান, তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম লক্ষ্য, আর ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা দ্বিতীয় লক্ষ্য।
ভ্যান্সের ভাষায়, ‘নম্বর ওয়ান লক্ষ্য’ হলো সারা দেশের মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা। আর ‘নম্বর টু’ লক্ষ্য হলো ইরান যাতে কখনো পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।
ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির অগ্রাধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ঠেকানোর বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
এদিকে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আরও চাপে ফেলতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
ভ্যান্সের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইরান সংঘাতের সামরিক ও পরমাণু লক্ষ্যগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান বিবেচনা হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ইরানের পরমাণু অস্ত্র ঠেকানো নয়, তেলের দাম কম রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য: যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে পরমাণু অস্ত্রের সক্ষমতা ঠেকানোর চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নম্বর ওয়ান’ লক্ষ্য হলো দেশটির নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা।
বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, সংঘাতের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় বর্তমানে তেলের দাম অনেকটাই কমেছে। তিনি জানান, তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম লক্ষ্য, আর ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা দ্বিতীয় লক্ষ্য।
ভ্যান্সের ভাষায়, ‘নম্বর ওয়ান লক্ষ্য’ হলো সারা দেশের মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা। আর ‘নম্বর টু’ লক্ষ্য হলো ইরান যাতে কখনো পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।
ভাইস প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির অগ্রাধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে দেশটির পরমাণু কর্মসূচি ঠেকানোর বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
এদিকে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আরও চাপে ফেলতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
ভ্যান্সের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইরান সংঘাতের সামরিক ও পরমাণু লক্ষ্যগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান বিবেচনা হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন