ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালী হাতিয়া কিশোরী ধ'র্ষণের অভিযোগ উঠার পর লাপাত্তা জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে'র আইসি খোরশেদ আলম

নোয়াখালী হাতিয়া কিশোরী ধ'র্ষণের অভিযোগ উঠার পর লাপাত্তা জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে'র আইসি খোরশেদ আলম

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবানবন্দি দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে বিচার না পাওয়ার দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।



ভুক্তভোগী কিশোরী মোসাম্মৎ আফরিনা আক্তার টুনি গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে লিখিত জবানবন্দির মাধ্যমে অভিযোগ করেন, তার মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে কাজ করার সুবাদে তিনিও মাঝে মাঝে সেখানে যেতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আইসি খোরশেদ আলম তার প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ শুরু করেন।

জবানবন্দিতে বলা হয়, স্কুলে যাওয়া কিংবা বিকেলে দোকানে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে প্রায়ই নিজের বাসায় ডাকতেন। প্রথমদিকে ঘর পরিষ্কার, কাপড় ধোয়া বা অন্যান্য কাজের অজুহাতে ডাকা হলেও পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাধা দিলে তাকে এবং তার মাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হতো বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাগুলো কাউকে না বলার জন্য তাকে নগদ টাকা দেওয়া হতো এবং মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হতো। সামাজিক লজ্জা ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিল সে।

‎পরবর্তীতে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি ঘটনার পর মায়ের কাছে পুরো বিষয়টি প্রকাশ করে কিশোরী। এরপর পরিবার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানায় এবং বিচার দাবি করে।

‎ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীর লিখিত জবানবন্দি দেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে পরিবারটি চরম হতাশা প্রকাশ করেছে।
‎এ ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আইসি খোরশেদ আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


নোয়াখালী হাতিয়া কিশোরী ধ'র্ষণের অভিযোগ উঠার পর লাপাত্তা জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে'র আইসি খোরশেদ আলম

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবানবন্দি দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে বিচার না পাওয়ার দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

ভুক্তভোগী কিশোরী মোসাম্মৎ আফরিনা আক্তার টুনি গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে লিখিত জবানবন্দির মাধ্যমে অভিযোগ করেন, তার মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে কাজ করার সুবাদে তিনিও মাঝে মাঝে সেখানে যেতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আইসি খোরশেদ আলম তার প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ শুরু করেন।

জবানবন্দিতে বলা হয়, স্কুলে যাওয়া কিংবা বিকেলে দোকানে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা তাকে প্রায়ই নিজের বাসায় ডাকতেন। প্রথমদিকে ঘর পরিষ্কার, কাপড় ধোয়া বা অন্যান্য কাজের অজুহাতে ডাকা হলেও পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বাধা দিলে তাকে এবং তার মাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হতো বলেও দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাগুলো কাউকে না বলার জন্য তাকে নগদ টাকা দেওয়া হতো এবং মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হতো। সামাজিক লজ্জা ও পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিল সে।

‎পরবর্তীতে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি ঘটনার পর মায়ের কাছে পুরো বিষয়টি প্রকাশ করে কিশোরী। এরপর পরিবার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানায় এবং বিচার দাবি করে।

‎ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কিশোরীর লিখিত জবানবন্দি দেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে পরিবারটি চরম হতাশা প্রকাশ করেছে।
‎এ ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আইসি খোরশেদ আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল