???? “মা কোথায়?”— মায়ের কবর খুঁড়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা ৩ বছরের অকেয়ার, ভোলায় হৃদয়বিদারক দৃশ্য
মা হারানোর শোক কী—তা বুঝে ওঠার বয়স হয়নি মাত্র ৩ বছর বয়সী অকেয়ার। তবুও ছোট্ট মনটা যেন বুঝতে পারছে, তার জীবনে কিছু একটা বদলে গেছে। মা আর ঘরে ফেরেন না, কোলে নেন না, ডাকলেও সাড়া দেন না। তাই প্রতিদিন একটিই প্রশ্ন—“আম্মুর কাছে যাবো।”
ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে প্রতিদিন ছুটে যায় ছোট্ট অকেয়া। এক নজর মাকে দেখার আশায় কখনো কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদে, কখনো ছোট্ট হাত দিয়ে কবরের মাটি খুঁড়ে মাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। উপস্থিত মানুষের চোখে এমন দৃশ্য দেখে পানি চলে আসে।
স্বজনরা জানান, অকেয়ার মা সুমায়া আক্তার মিতুকে মা/রা যাওয়ার পর দাফন করা হয় পারিবারিক কবরস্থানে। কিন্তু ছোট্ট শিশুটি এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে তার মা আর কখনো ফিরবে না। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, অকেয়া বারবার শুধু বলত—সে তার আম্মুর কাছেই যাবে। অনেক বোঝানোর পরও সে কান্না থামাত না।
অভিযোগ উঠেছে, যৌতুকের কারণে গত ৪ জুন মিতুকে তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদ মিলে হ/ত্যা করেছে। ভোলা শহরের উকিলপাড়ার কবরস্থান মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মিতুর স্বামী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তাসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে।
একজন মায়ের অনুপস্থিতি একটি শিশুর জীবনে কত বড় শূন্যতা তৈরি করতে পারে—ছোট্ট অকেয়ার আচরণ যেন তারই নীরব সাক্ষ্য। মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তার অসহায় অপেক্ষা যেন সবাইকে একটাই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়—এত ছোট্ট শিশুকে কে বোঝাবে, মা আর কখনো ফিরে আসবে না? ????

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
???? “মা কোথায়?”— মায়ের কবর খুঁড়ে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা ৩ বছরের অকেয়ার, ভোলায় হৃদয়বিদারক দৃশ্য
মা হারানোর শোক কী—তা বুঝে ওঠার বয়স হয়নি মাত্র ৩ বছর বয়সী অকেয়ার। তবুও ছোট্ট মনটা যেন বুঝতে পারছে, তার জীবনে কিছু একটা বদলে গেছে। মা আর ঘরে ফেরেন না, কোলে নেন না, ডাকলেও সাড়া দেন না। তাই প্রতিদিন একটিই প্রশ্ন—“আম্মুর কাছে যাবো।”
ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে প্রতিদিন ছুটে যায় ছোট্ট অকেয়া। এক নজর মাকে দেখার আশায় কখনো কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদে, কখনো ছোট্ট হাত দিয়ে কবরের মাটি খুঁড়ে মাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। উপস্থিত মানুষের চোখে এমন দৃশ্য দেখে পানি চলে আসে।
স্বজনরা জানান, অকেয়ার মা সুমায়া আক্তার মিতুকে মা/রা যাওয়ার পর দাফন করা হয় পারিবারিক কবরস্থানে। কিন্তু ছোট্ট শিশুটি এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে তার মা আর কখনো ফিরবে না। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, অকেয়া বারবার শুধু বলত—সে তার আম্মুর কাছেই যাবে। অনেক বোঝানোর পরও সে কান্না থামাত না।
অভিযোগ উঠেছে, যৌতুকের কারণে গত ৪ জুন মিতুকে তার স্বামী, শাশুড়ি ও ননদ মিলে হ/ত্যা করেছে। ভোলা শহরের উকিলপাড়ার কবরস্থান মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মিতুর স্বামী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তাসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছে।
একজন মায়ের অনুপস্থিতি একটি শিশুর জীবনে কত বড় শূন্যতা তৈরি করতে পারে—ছোট্ট অকেয়ার আচরণ যেন তারই নীরব সাক্ষ্য। মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তার অসহায় অপেক্ষা যেন সবাইকে একটাই প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়—এত ছোট্ট শিশুকে কে বোঝাবে, মা আর কখনো ফিরে আসবে না? ????

আপনার মতামত লিখুন