দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, যা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় সময় সাম্প্রতিক এক ঘটনায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ওই ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি প্রাণ হারান।
প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত হামলা—কারণ হামলাকারীরা সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা নতুন নয়। দেশটির বিভিন্ন শহরে ছোট-বড় ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রবাসীরা প্রায়ই সশস্ত্র ডাকাতচক্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। বিশেষ করে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেনের তথ্য ফাঁস হলে তারা সহজেই হামলার শিকার হচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত কয়েক বছর ধরে এমন বহু ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে, যেখানে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর বা দোকানে অবস্থানকালে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এসব হামলা শুধুমাত্র ছিনতাই নয়, বরং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হচ্ছে—যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সর্বশেষ এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিরাপত্তা জোরদার ও যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ক্রমাগত এমন টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে, আর প্রতিবারই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—বিদেশের মাটিতে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া এই মানুষগুলোর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, যা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় সময় সাম্প্রতিক এক ঘটনায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ওই ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি প্রাণ হারান।
প্রবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করে আসছিলেন। ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত হামলা—কারণ হামলাকারীরা সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ওপর এ ধরনের হামলার ঘটনা নতুন নয়। দেশটির বিভিন্ন শহরে ছোট-বড় ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রবাসীরা প্রায়ই সশস্ত্র ডাকাতচক্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন। বিশেষ করে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেনের তথ্য ফাঁস হলে তারা সহজেই হামলার শিকার হচ্ছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত কয়েক বছর ধরে এমন বহু ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা গেছে, যেখানে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার পর বা দোকানে অবস্থানকালে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এসব হামলা শুধুমাত্র ছিনতাই নয়, বরং নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হচ্ছে—যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সর্বশেষ এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিরাপত্তা জোরদার ও যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ক্রমাগত এমন টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে, আর প্রতিবারই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—বিদেশের মাটিতে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া এই মানুষগুলোর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

আপনার মতামত লিখুন