আগামীর কোরবানি এবং গরু জবাই ভারত পশ্চিমবঙ্গে যা হতে যাচ্ছে
ভারতে মুসলিমদের ওপর কথিত নির্যাতন এবং পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ওপর বিধিনিষেধের অভিযোগ তুলে ভারতের বিরুদ্ধে ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ বা চূড়ান্ত ধর্মযুদ্ধের প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন এক ইসলামি বক্তা। শুধু তাই নয়, তিনি কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে শুরু করে দিল্লির লালকেল্লা পর্যন্ত ইসলামি পতাকা ওড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একইসাথে বাংলাদেশের তিন কোটি যুবককে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গে বিগত বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ও গরু জবাইয়ের বৈধতা থাকলেও, বর্তমানে সেখানে বিজেপি বা কট্টরপন্থীদের উত্থান ঘটছে—এমন দাবি করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক ইসলামি নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে মুসলিমদের হত্যা করা হচ্ছে এবং মসজিদে হামলা চালানো হচ্ছে। এর পরিণতি হিসেবে খুব শিগগিরই ভারতের পতন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইসলামি এই বক্তা হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ বা ধর্মযুদ্ধ এখন অনিবার্য। এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জান্নাত এবং শহিদদের জন্য সর্বোচ্চ মর্যাদার প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবাদস্বরূপ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও এবং দূতাবাসের সামনে গরু জবাই করার হুশিয়ারি দেন তিনি। এছাড়া সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিলে বা ভারত পুশইন করার চেষ্টা করলে বাংলাদেশিদেরও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
ভারত যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করে, তবে তাদের চারটি মূল লক্ষ্যের কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন এই বক্তা:
১. কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং দখল করে বাংলাদেশ ও কালেমার পতাকা উত্তোলন।
২. নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনাধীন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
৩. অযোধ্যায় পুনরায় বাবরি মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে আল্লামা মামুনুল হককে দিয়ে জুমার নামাজের ইমামতি করানো।
৪. দিল্লির কুতুব মিনার ও লালকেল্লায় কালেমার পতাকা ওড়ানো।
তিনি দাবি করেন, মুসলিমরা ৮৫০ বছর ভারত শাসন করলেও কোনো হিন্দুকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেনি। অথচ বর্তমানে মুসলিমদের ওপর চরম জুলুম চলছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি সরকারের প্রতি অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের তিন কোটি যুবককে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার জোর দাবি জানান।
৫২-এর ভাষা আন্দোলন এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উদাহরণ টেনে তিনি ভারতকে সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বাঁশের লাঠি দিয়ে বন্দুকের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হওয়ার ইতিহাস রাখে। তাই গায়ে পড়ে যুদ্ধ করতে এলে ভারতকে এর চরম মূল্য চোকাতেও হতে পারে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
আগামীর কোরবানি এবং গরু জবাই ভারত পশ্চিমবঙ্গে যা হতে যাচ্ছে
ভারতে মুসলিমদের ওপর কথিত নির্যাতন এবং পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ওপর বিধিনিষেধের অভিযোগ তুলে ভারতের বিরুদ্ধে ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ বা চূড়ান্ত ধর্মযুদ্ধের প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন এক ইসলামি বক্তা। শুধু তাই নয়, তিনি কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং থেকে শুরু করে দিল্লির লালকেল্লা পর্যন্ত ইসলামি পতাকা ওড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। একইসাথে বাংলাদেশের তিন কোটি যুবককে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গে বিগত বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ও গরু জবাইয়ের বৈধতা থাকলেও, বর্তমানে সেখানে বিজেপি বা কট্টরপন্থীদের উত্থান ঘটছে—এমন দাবি করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক ইসলামি নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে মুসলিমদের হত্যা করা হচ্ছে এবং মসজিদে হামলা চালানো হচ্ছে। এর পরিণতি হিসেবে খুব শিগগিরই ভারতের পতন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইসলামি এই বক্তা হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ বা ধর্মযুদ্ধ এখন অনিবার্য। এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জান্নাত এবং শহিদদের জন্য সর্বোচ্চ মর্যাদার প্রতিশ্রুতি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবাদস্বরূপ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও এবং দূতাবাসের সামনে গরু জবাই করার হুশিয়ারি দেন তিনি। এছাড়া সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিলে বা ভারত পুশইন করার চেষ্টা করলে বাংলাদেশিদেরও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
ভারত যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করে, তবে তাদের চারটি মূল লক্ষ্যের কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন এই বক্তা:
১. কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং দখল করে বাংলাদেশ ও কালেমার পতাকা উত্তোলন।
২. নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনাধীন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
৩. অযোধ্যায় পুনরায় বাবরি মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে আল্লামা মামুনুল হককে দিয়ে জুমার নামাজের ইমামতি করানো।
৪. দিল্লির কুতুব মিনার ও লালকেল্লায় কালেমার পতাকা ওড়ানো।
তিনি দাবি করেন, মুসলিমরা ৮৫০ বছর ভারত শাসন করলেও কোনো হিন্দুকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেনি। অথচ বর্তমানে মুসলিমদের ওপর চরম জুলুম চলছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি সরকারের প্রতি অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের তিন কোটি যুবককে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার জোর দাবি জানান।
৫২-এর ভাষা আন্দোলন এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উদাহরণ টেনে তিনি ভারতকে সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বাঁশের লাঠি দিয়ে বন্দুকের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হওয়ার ইতিহাস রাখে। তাই গায়ে পড়ে যুদ্ধ করতে এলে ভারতকে এর চরম মূল্য চোকাতেও হতে পারে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন