ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

সাময়িকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের হা'মলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

 যুক্তরাষ্ট্রের হা'মলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে ইরানে শিক্ষা অবকাঠামোর পুনর্গঠন নিয়ে। সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটির প্রায় ১,৩০০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয় বলে জানিয়েছে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষতির প্রভাব পড়ে লাখো শিক্ষার্থীর ওপর, যাদের অনেকেই সাময়িকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

তবে এর মধ্যেই পুনর্গঠনের কাজ জোরদার করেছে ইরান। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে প্রায় ৭৭৫টি ইতোমধ্যে মেরামত বা আংশিক পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার চালু করার মতো অবস্থায় ফিরেছে। বাকি স্কুলগুলোর কাজ এখনও চলমান, যেখানে কিছু সম্পূর্ণ নতুন করে নির্মাণ করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে রাজধানী তেহরানসহ কেরমানশাহ, ইসফাহান ও হরমোজগান অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক এলাকায় অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ চালু করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে শুধু অবকাঠামোগত ক্ষতিই নয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার ওপরও বড় প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে এবং দ্রুত পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান যে দ্রুততার সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে, তা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের হা'মলায় ধ্বংস ১৩০০ স্কুলের অর্ধেকই ঠিক করেছে ইরান!

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে ইরানে শিক্ষা অবকাঠামোর পুনর্গঠন নিয়ে। সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটির প্রায় ১,৩০০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয় বলে জানিয়েছে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষতির প্রভাব পড়ে লাখো শিক্ষার্থীর ওপর, যাদের অনেকেই সাময়িকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

তবে এর মধ্যেই পুনর্গঠনের কাজ জোরদার করেছে ইরান। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে প্রায় ৭৭৫টি ইতোমধ্যে মেরামত বা আংশিক পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার চালু করার মতো অবস্থায় ফিরেছে। বাকি স্কুলগুলোর কাজ এখনও চলমান, যেখানে কিছু সম্পূর্ণ নতুন করে নির্মাণ করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে রাজধানী তেহরানসহ কেরমানশাহ, ইসফাহান ও হরমোজগান অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক এলাকায় অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ চালু করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

যুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে শুধু অবকাঠামোগত ক্ষতিই নয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থার ওপরও বড় প্রভাব পড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে এবং দ্রুত পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান যে দ্রুততার সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে, তা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল