ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয়
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সেতুর পূর্ব পাশে এক কিশোরকে আটক এবং তার কাছ থেকে জাল টাকা, ভারতীয় মুদ্রা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (০৫ জুন) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক কিশোরের নাম গোলাম রাব্বি (১৪), সে স্থানীয় ফয়সাল আলীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, আটকের সময় তার কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট, ভারতীয় রুপি এবং ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম রাব্বি জানায়, তার নানী জমেনা বেগম (৬০; স্বামী: মৃত হযরত আলী ওরফে পকেটকাটা) তাকে বিক্রির জন্য গাঁজা সরবরাহ করেছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে নানী জমেনা বেগমকেও আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে জাল টাকা, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একটি বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে মোঃ জাহাঙ্গীর, জাইদুল ইসলাম জাহিদ, মোছাঃ নুরুন্নাহার, মোঃ মাইদুল ইসলাম এবং ফয়সাল আলীর নাম উঠে এসেছে। এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন 'হেল্প ফর ভূরুঙ্গামারী' এবং 'মোটিভেট ভুরুঙ্গামারী' (Motivate Bhurungamari)-র ছাত্র প্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সচেতন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ভুরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয়
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সেতুর পূর্ব পাশে এক কিশোরকে আটক এবং তার কাছ থেকে জাল টাকা, ভারতীয় মুদ্রা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (০৫ জুন) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক কিশোরের নাম গোলাম রাব্বি (১৪), সে স্থানীয় ফয়সাল আলীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, আটকের সময় তার কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট, ভারতীয় রুপি এবং ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম রাব্বি জানায়, তার নানী জমেনা বেগম (৬০; স্বামী: মৃত হযরত আলী ওরফে পকেটকাটা) তাকে বিক্রির জন্য গাঁজা সরবরাহ করেছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে নানী জমেনা বেগমকেও আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে জাল টাকা, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একটি বড় চক্র সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রের অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে মোঃ জাহাঙ্গীর, জাইদুল ইসলাম জাহিদ, মোছাঃ নুরুন্নাহার, মোঃ মাইদুল ইসলাম এবং ফয়সাল আলীর নাম উঠে এসেছে। এছাড়া এই চক্রের সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন 'হেল্প ফর ভূরুঙ্গামারী' এবং 'মোটিভেট ভুরুঙ্গামারী' (Motivate Bhurungamari)-র ছাত্র প্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সচেতন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন