ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শনিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৫

১৫ই আগস্ট।দিনটি নিয়ে নানা দ্বিমত সৃষ্টি হয় যখন শোক দিবস মানি নাকি মানিনা

১৫ই আগস্ট।দিনটি নিয়ে নানা দ্বিমত সৃষ্টি হয় যখন শোক দিবস মানি নাকি মানিনা
১৫ই আগস্ট। এই দিনটি নিয়ে নানা দ্বিমত সৃষ্টি হয় যখন এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে গন্য করা হয়। এখন আপনারা কি ভাবছেন?? আমি কি এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে মানি নাকি মানিনা, এই প্রশ্নটা সবার মধ্যে চাড়া দিয়ে উঠেছে এতক্ষণে। অন্তত আওয়ামীলীগ সমর্থকদের মধ্যে যে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সেটাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আমার মতে বাংলাদেশে শোক দিবস পালিত হবার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কেনো নেই সেটা অন্য কোনোদিন যুক্তি দিয়ে বলবো ইনশাল্লাহ। এখন আসুন যৌক্তিক কিছু কথা বলি। এরপর শোক দিবস কোনটা হবে সেটা আপনারা নির্ধারিত করবেন। কারণ যৌক্তিক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর মানুষের বিবেক ও জ্ঞান কে উন্মোচিত করে। ১। শেখ মুজিবুর রহমান ৭১ এর পূর্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে এবং বাঙালি জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব ভূমিকা পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে তিনি হয়ে ওঠেন জাতীয় নেতা। কিন্তু ৭ ই মার্চ, ৭১ পরবর্তী শেখ মুজিব স্বেচ্ছায় পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর এই দেশে ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা পালন করেন জাতীয় চার নেতা সহ জেনারেল গনি ওসমানী, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, ক্র্যাচার কর্নেল নামে পরিচিত কর্নেল তাহের, মেজর জলিল ইত্যাদি ব্যক্তিবর্গ।। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আপনি জাতীয় চার নেতা সহ যে নামগুলো বলা হলো তাদের অবদান কোন দিক থেকে অস্বীকার করবেন?? যদি অস্বীকার করেন তাহলে ইতিহাস বিলুপ্ত হবে। ২। শেখ মুজিবর হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে দেশে যে নেতা শূন্য অবস্থা হয়েছিলো সেখান থেকে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শীপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়ে দেশ ও দেশের জনগণকে আবার নতুন করে শক্তিশালী করে তোলেন এবং জিয়াউর রহমান জাতীয় নেতাই পরিণত হন। উল্লেখ্য জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং একই সাথে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ও শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুর পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সেই একই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩। শেখ মুজিবুর রহমান ও মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এর মৃত্যু প্রেক্ষাপট: শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান দুজনেই দেশের জন্য অভূতপূর্ব এবং অকল্পনীয় ভূমিকা পালন করেন। তারই ফল স্বরূপ তারা দুজনেই জনমানুষের কাছে জাতীয় নেতাই পরিণত হন। কিন্তু তাদের দুজনেরই মৃত্যু পেক্ষাপট লিপিবদ্ধ হয় সেনা কু' এর মাধ্যমে। এবং তাদের মৃত্যু তারিখ আলাদা আলাদা। এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজনৈতিকভাবে দুজন ব্যক্তি আলাদা মতাদর্শী ছিলেন। কিন্তু দেশের প্রতি যে ভূমিকা ছিল সেটা ছিলো আনকোশ্চেনেবল। এখন আওয়ামীপন্থী, বিএনপিপন্থী, অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শন পন্থী এবং শিক্ষিত ও সুশীল সমাজের কাছে আমার প্রশ্ন, " আপনারা কি তাহলে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে দুটি দিন পালন করবেন? যদি শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুদিনকে জাতীয় শোক দিবসের পালন করেন, তাহলে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিনকে কেন জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হবে না???" এখন আসা যাক ফাইন্ডিংসে। ১। কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুদিন কখনোই জাতীয় শোক দিবসে পরিণত হতে পারে না। কেননা একটি গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা থাকতে পারে। ২। রাজনৈতিক দলের কোন প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু শুধু সেই দলের জন্য শোকের কারণ হতে পারে, কারণ রাজনৈতিক মতাদর্শন ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় সেই ব্যক্তির মৃত্যুকে জাতীয়করণ করার কোন যুক্তি থাকতে পারে না। ৩। বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শুধুমাত্র শেখ মুজিবুর রহমান এর ভূমিকায় একমাত্র ভূমিকা ছিলোনা, বরং আরো অনেকের ভূমিকা শেখ মুজিবুর রহমানের থেকে কোন অংশে কম ছিল না। সেখানে, শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুকে জাতীয়করণ করলে অন্যান্য ব্যক্তিদের বেলায়ও জাতীয়করণ করতে হবে যা একটি মাত্র জাতীয় শোক দিবস এর পরিপন্থী হবে। এখন আসি তাহলে জাতীয় শোক দিবস কোনটি হবে। ১। জাতীয় শোক দিবস এমন একটি দিন হতে হবে যেই দিনটিতে জাতির প্রতি একটি কালো ছায়া নেমে আসবে। ২। যেই দিনটিতে এই জাতির প্রতি বড় একটা বিপর্যয় নেমে আসবে, যে দিনটিতে এ জাতির জান ও মালের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হবে। ৩। সেই ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে থাকবে সকল মতাদর্শের জনগণ। যেই ক্ষয়ক্ষতি ছাপিয়ে যাবে সকল কিছুর ঊর্ধ্বে। যে ক্ষয়ক্ষতির ফলশ্রুতিতে প্রতিটা মানুষের অন্তরে আহাজারি শুরু হবে। ৪। এবং সবশেষে ওই শোককে শক্তিতে পরিণত করার একটা দৃঢ় প্রত্যয় সৃষ্টি হবে প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে ( অর্থাৎ একটা পজেটিভ ইফেক্ট থাকতে হবে)। উপরে চারটি পয়েন্ট গভীর পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করলে এবং সার্বিক পরিস্থিতি সুস্থ মস্তিষ্কে আমলে নিলে আপনারা আমার সাথে একমত হবেন যে ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ কাল রাত এই দিনটি হবে আমাদের জাতির জন্য যৌক্তিক শোক দিবস।। আমি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এবং ভবিষ্যৎ আগত নির্বাচিত সরকারকে অনুরোধ ও আহ্বান করবো আমার এই বিশ্লেষণটি আমলে নিয়ে আপনারা আপনাদের বোদ্ধাদেরকে দিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ করাবেন এবং সর্বসম্মত একটি যৌক্তিক জাতীয় শোক দিবস নির্ধারণ করবেন যেখানে সেই দিবসটি প্রতিটা মানুষ মন থেকে শ্রদ্ধার সাথে শোক দিবস হিসেবে পালন করবে। বিশ্লেষণে : মেজর মো: রাকিবুল হাসান (অব:) সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি। বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


১৫ই আগস্ট।দিনটি নিয়ে নানা দ্বিমত সৃষ্টি হয় যখন শোক দিবস মানি নাকি মানিনা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৫

featured Image
১৫ই আগস্ট। এই দিনটি নিয়ে নানা দ্বিমত সৃষ্টি হয় যখন এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে গন্য করা হয়। এখন আপনারা কি ভাবছেন?? আমি কি এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে মানি নাকি মানিনা, এই প্রশ্নটা সবার মধ্যে চাড়া দিয়ে উঠেছে এতক্ষণে। অন্তত আওয়ামীলীগ সমর্থকদের মধ্যে যে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সেটাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আমার মতে বাংলাদেশে শোক দিবস পালিত হবার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কেনো নেই সেটা অন্য কোনোদিন যুক্তি দিয়ে বলবো ইনশাল্লাহ। এখন আসুন যৌক্তিক কিছু কথা বলি। এরপর শোক দিবস কোনটা হবে সেটা আপনারা নির্ধারিত করবেন। কারণ যৌক্তিক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর মানুষের বিবেক ও জ্ঞান কে উন্মোচিত করে। ১। শেখ মুজিবুর রহমান ৭১ এর পূর্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে এবং বাঙালি জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব ভূমিকা পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে তিনি হয়ে ওঠেন জাতীয় নেতা। কিন্তু ৭ ই মার্চ, ৭১ পরবর্তী শেখ মুজিব স্বেচ্ছায় পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর এই দেশে ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা পালন করেন জাতীয় চার নেতা সহ জেনারেল গনি ওসমানী, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, ক্র্যাচার কর্নেল নামে পরিচিত কর্নেল তাহের, মেজর জলিল ইত্যাদি ব্যক্তিবর্গ।। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আপনি জাতীয় চার নেতা সহ যে নামগুলো বলা হলো তাদের অবদান কোন দিক থেকে অস্বীকার করবেন?? যদি অস্বীকার করেন তাহলে ইতিহাস বিলুপ্ত হবে। ২। শেখ মুজিবর হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে দেশে যে নেতা শূন্য অবস্থা হয়েছিলো সেখান থেকে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শীপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়ে দেশ ও দেশের জনগণকে আবার নতুন করে শক্তিশালী করে তোলেন এবং জিয়াউর রহমান জাতীয় নেতাই পরিণত হন। উল্লেখ্য জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং একই সাথে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ও শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুর পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সেই একই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ৩। শেখ মুজিবুর রহমান ও মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এর মৃত্যু প্রেক্ষাপট: শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমান দুজনেই দেশের জন্য অভূতপূর্ব এবং অকল্পনীয় ভূমিকা পালন করেন। তারই ফল স্বরূপ তারা দুজনেই জনমানুষের কাছে জাতীয় নেতাই পরিণত হন। কিন্তু তাদের দুজনেরই মৃত্যু পেক্ষাপট লিপিবদ্ধ হয় সেনা কু' এর মাধ্যমে। এবং তাদের মৃত্যু তারিখ আলাদা আলাদা। এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজনৈতিকভাবে দুজন ব্যক্তি আলাদা মতাদর্শী ছিলেন। কিন্তু দেশের প্রতি যে ভূমিকা ছিল সেটা ছিলো আনকোশ্চেনেবল। এখন আওয়ামীপন্থী, বিএনপিপন্থী, অন্যান্য রাজনৈতিক মতাদর্শন পন্থী এবং শিক্ষিত ও সুশীল সমাজের কাছে আমার প্রশ্ন, " আপনারা কি তাহলে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে দুটি দিন পালন করবেন? যদি শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুদিনকে জাতীয় শোক দিবসের পালন করেন, তাহলে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুদিনকে কেন জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হবে না???" এখন আসা যাক ফাইন্ডিংসে। ১। কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুদিন কখনোই জাতীয় শোক দিবসে পরিণত হতে পারে না। কেননা একটি গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা থাকতে পারে। ২। রাজনৈতিক দলের কোন প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু শুধু সেই দলের জন্য শোকের কারণ হতে পারে, কারণ রাজনৈতিক মতাদর্শন ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় সেই ব্যক্তির মৃত্যুকে জাতীয়করণ করার কোন যুক্তি থাকতে পারে না। ৩। বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শুধুমাত্র শেখ মুজিবুর রহমান এর ভূমিকায় একমাত্র ভূমিকা ছিলোনা, বরং আরো অনেকের ভূমিকা শেখ মুজিবুর রহমানের থেকে কোন অংশে কম ছিল না। সেখানে, শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুকে জাতীয়করণ করলে অন্যান্য ব্যক্তিদের বেলায়ও জাতীয়করণ করতে হবে যা একটি মাত্র জাতীয় শোক দিবস এর পরিপন্থী হবে। এখন আসি তাহলে জাতীয় শোক দিবস কোনটি হবে। ১। জাতীয় শোক দিবস এমন একটি দিন হতে হবে যেই দিনটিতে জাতির প্রতি একটি কালো ছায়া নেমে আসবে। ২। যেই দিনটিতে এই জাতির প্রতি বড় একটা বিপর্যয় নেমে আসবে, যে দিনটিতে এ জাতির জান ও মালের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হবে। ৩। সেই ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে থাকবে সকল মতাদর্শের জনগণ। যেই ক্ষয়ক্ষতি ছাপিয়ে যাবে সকল কিছুর ঊর্ধ্বে। যে ক্ষয়ক্ষতির ফলশ্রুতিতে প্রতিটা মানুষের অন্তরে আহাজারি শুরু হবে। ৪। এবং সবশেষে ওই শোককে শক্তিতে পরিণত করার একটা দৃঢ় প্রত্যয় সৃষ্টি হবে প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যে ( অর্থাৎ একটা পজেটিভ ইফেক্ট থাকতে হবে)। উপরে চারটি পয়েন্ট গভীর পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করলে এবং সার্বিক পরিস্থিতি সুস্থ মস্তিষ্কে আমলে নিলে আপনারা আমার সাথে একমত হবেন যে ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ কাল রাত এই দিনটি হবে আমাদের জাতির জন্য যৌক্তিক শোক দিবস।। আমি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এবং ভবিষ্যৎ আগত নির্বাচিত সরকারকে অনুরোধ ও আহ্বান করবো আমার এই বিশ্লেষণটি আমলে নিয়ে আপনারা আপনাদের বোদ্ধাদেরকে দিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ করাবেন এবং সর্বসম্মত একটি যৌক্তিক জাতীয় শোক দিবস নির্ধারণ করবেন যেখানে সেই দিবসটি প্রতিটা মানুষ মন থেকে শ্রদ্ধার সাথে শোক দিবস হিসেবে পালন করবে। বিশ্লেষণে : মেজর মো: রাকিবুল হাসান (অব:) সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি। বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টি।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল